স্বার্থপর মানুষ নিয়ে ক্যাপশন: সেরা ২৯৯+ স্ট্যাটাস আইডিয়া
দুনিয়ার সবচেয়ে বড় সত্য হলো, কাজ ফুরালে মানুষের আসল রূপ বেরিয়ে আসে। আমাদের এই বিশাল আয়োজনটি সাজানো হয়েছে সেই সব সুবিধাবাদী মানুষদের চিনে রাখার জন্য, যারা কেবল নিজেদের প্রয়োজনে আপনাকে ব্যবহার করে। আপনার মনের জমে থাকা ক্ষোভ আর তিক্ত অভিজ্ঞতাগুলো প্রকাশ করতে এই কালেকশনটি আয়নার মতো কাজ করবে।
মুখোশধারী বন্ধু নিয়ে স্ট্যাটাস আইডিয়া
বন্ধুত্বের চাদর মুড়ি দিয়ে যারা ক্ষতি করে, তাদের জন্য ঘৃণা জমা রইল। — নিজস্ব ভাবনা
অভিনয়টা বেশ ভালোই রপ্ত করেছ, একদম অস্কার পাওয়ার মতো। — নিজস্ব ভাবনা
মুখোশ খসে পড়ার পর দেখলাম, যাকে মানুষ ভাবতাম সে আসলে অমানুষ। — নিজস্ব ভাবনা
গিরগিটিও তোমার রং বদলানো দেখে লজ্জায় পড়ে যাবে। — নিজস্ব ভাবনা
সাজানো নাটকটা চমৎকার ছিল, কিন্তু যবনিকা পতন হয়ে গেছে। — নিজস্ব ভাবনা
বন্ধু সেজে আস্তিনে বিষাক্ত সাপ হয়ে ছিলে এতদিন। — নিজস্ব ভাবনা
তোমার ওই মায়াবী হাসির আড়ালে যে এত কুৎসিত মন, তা আগে বুঝিনি। — নিজস্ব ভাবনা
বন্ধু বেশে শত্রু চেনার উপায় ও বাস্তব স্ট্যাটাস
ঘরের শত্রু বিভীষণ হয়ে যারা থাকে, তাদের থেকে সাবধান। — বাস্তববাদী
সুসময়ে যারা তোষামোদ করে, দুঃসময়ে তারাই প্রথম পাথরটা মারে। — বাস্তববাদী
পিঠ চাপড়ানো হাতটাই যে গলার ফাঁস হবে, তা ঘুণাক্ষরেও ভাবিনি। — বাস্তববাদী
মিষ্টি কথার ফাঁদে ফেলে সর্বস্ব লুটে নেওয়াই এদের পেশা। — বাস্তববাদী
আমার পতন দেখার জন্য যারা অপেক্ষা করে, তারাই আবার বন্ধু সাজে। — বাস্তববাদী
বিপদে পড়লে দেখবে, বন্ধুবেশী শত্রুরাই সবার আগে উল্লাস করে। — বাস্তববাদী
ছদ্মবেশ ধরে যারা পাশে থাকে, তারা প্রকাশ্য শত্রুর চেয়েও ভয়ংকর। — বাস্তববাদী
সামনে ভালো পেছনে ছুরি মারা বন্ধুদের নিয়ে স্ট্যাটাস
সামনে প্রশংসা আর আড়ালে বদনাম—চমৎকার তোমার চরিত্র। — প্রতিবাদী
আমার গোপন কথা জেনে সেটাকেই অস্ত্র বানালে, ধিক্কার তোমাকে। — প্রতিবাদী
মুখে মধু আর অন্তরে হলাহল নিয়ে চলা মানুষগুলোকে চিনে গেছি। — প্রতিবাদী
পিঠে ছুরি মারার প্রশিক্ষণটা বেশ ভালোই নিয়েছ দেখছি। — প্রতিবাদী
সাহসের অভাবে সামনে আসতে পারো না, তাই আড়ালে গর্ত খোঁড়ো। — প্রতিবাদী
বিশ্বাস করে মনের কথা বলার মাসুল আজ হাড়ে হাড়ে দিচ্ছি। — প্রতিবাদী
মুখোশধারী বন্ধু নিয়ে ক্যাপশন
বন্ধু সেজে যারা ক্ষতি করে, তাদের অভিনয় দক্ষতা দেখে আমি মুগ্ধ না হয়ে পারি না। — কটাক্ষ
আমার সরলতাকে বোকামি ভেবে যারা পিঠে ছুরি মেরেছে, তাদের জন্য একরাশ করুণা রইল। — কটাক্ষ
সামনে দেবতুল্য আচরণ আর পেছনে শয়তানের রূপ, তোদের চিনতে বড্ড দেরি হয়ে গেল। — কটাক্ষ
যাদের বিশ্বাস করে সব বললাম, দিনশেষে তারাই আমার গোপন কথাগুলো নিলামে তুলল। — কটাক্ষ
মুখোশ পরে আর কতদিন চলবে, সত্য তো একদিন আয়নার মতো পরিষ্কার হবেই। — কটাক্ষ
তোদের ছাড়া আমি যে কতটা ভালো আছি, সেটা তোদের কল্পনারও বাইরে। — কটাক্ষ
সাপের ছোবল খাওয়া যায়, কিন্তু বন্ধুরূপী শত্রুর আঘাত সহ্য করা বড্ড কঠিন। — কটাক্ষ
বন্ধুত্বের দোহাই দিয়ে যারা স্বার্থ হাসিল করে, তারা আসলে মানুষ নামের কলঙ্ক। — কটাক্ষ
তোদের মিথ্যে বন্ধুত্বের চেয়ে আমার একাকীত্ব হাজার গুণ বেশি দামী ও নিরাপদ। — কটাক্ষ
হাসি মাখা মুখের আড়ালে বিষাক্ত বন্ধু – ক্যাপশন
তোর ওই মিষ্টি হাসির আড়ালে যে এতবড় একটা ছুরি লুকানো ছিল, তা কে জানত! — সতর্কতা
হাসিমুখে বিষ পান করানোর মতো বন্ধু তুই, যার থেকে সাবধান থাকাটা ফরজ। — সতর্কতা
বাইরে ফিটফাট আর ভেতরে সদরঘাট, তোর চরিত্রের এই দ্বিমুখী রূপ বড্ড ভয়ানক। — সতর্কতা
বিষাক্ত মানুষের সঙ্গ ত্যাগ করেছি বলেই জীবনটা এখন এত সুন্দর আর গোছানো। — সতর্কতা
তোর হাসিতে মুগ্ধ হয়েছিলাম, বুঝিনি ওটাই ছিল আমার ধ্বংসের ফাঁদ। — সতর্কতা
বন্ধুত্বের নামে তুই যে বিষ ছড়িয়েছিস, তার রেশ কাটাতে আমার অনেক সময় লাগবে। — সতর্কতা
সাপের বিষের চেয়েও তোর মনের বিষ অনেক বেশি তীব্র ও মরণঘাতী। — সতর্কতা
হাসিমুখে যারা সর্বনাশ করে, তাদের ছায়ার মাড়াতেও আমার ঘৃণা লাগে। — সতর্কতা
বিশ্বাসঘাতকতার বিষে নীল হয়েও আমি বেঁচে ফিরেছি, এটাই আমার বিজয়। — সতর্কতা
মুখোশধারী বন্ধুদের জন্য স্মার্ট ও ব্যাঙ্গাত্মক ক্যাপশন
তোকে ঘৃণা করার মতো সময় বা রুচি কোনোটাই আমার নেই, তুই উপেক্ষিত। — স্মার্ট জবাব
তোর অভিনয়ের জন্য জাতীয় পুরস্কার পাওয়া উচিত, এত নিখুঁত ভণ্ডামি কোথায় শিখলি? — স্মার্ট জবাব
আমার ছায়ার সাথে পাল্লা দেওয়ার যোগ্যতা তোর নেই, তাই আড়ালে ঘেউ ঘেউ করিস। — স্মার্ট জবাব
হিংসা করে নিজেকেই জ্বালাচ্ছিস, আমি তো আমার গতিতেই ওপরে উঠছি। — স্মার্ট জবাব
আমাকে নিয়ে গসিপ করে যদি তোর দিন কাটে, তবে আমি ধন্য, অন্তত কারো কাজে তো লাগলাম। — স্মার্ট জবাব
ভদ্রতার খাতিরে চুপ আছি, মুখ খুললে তোর ওই মুখোশ আর টিকবে না। — স্মার্ট জবাব
আমার জুতো পরিষ্কার করার যোগ্যতাও তোর নেই, বন্ধু হওয়ার তো প্রশ্নই আসে না। — স্মার্ট জবাব
তোর ইগোতে আঘাত লাগলে বরফ লাগা, আমার তাতে কিচ্ছু যায় আসে না। — স্মার্ট জবাব
মুখোশধারী বন্ধু নিয়ে উক্তি
চেহারার মুখোশটা হয়তো নিখুঁত, কিন্তু সময় ঠিকই একদিন আসল রূপটা টেনে বের করে আনে। — হুমায়ূন আহমেদ
প্রকাশ্য শত্রুর তলোয়ারের চেয়ে ছদ্মবেশী বন্ধুর গোপন ছুরি অনেক বেশি প্রাণঘাতী। — হযরত আলী (রাঃ)
যারা বন্ধু সেজে অভিনয় করে, তাদের জন্য মঞ্চে হাততালি দেওয়া যায়, কিন্তু হৃদয়ে স্থান দেওয়া যায় না। — সমরেশ মজুমদার
বিষধর সাপও ছোবল দেওয়ার আগে ফণা তোলে, কিন্তু মুখোশধারী বন্ধুরা হাসিমুখেই সর্বনাশ করে। — চাণক্য
চেনা মানুষের অচেনা রূপ দেখার পর বিশ্বাস শব্দটার ওপর থেকেই ভক্তি উঠে যায়। — সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
যে তোমাকে জড়িয়ে ধরে পিঠে ছুরি মারে, সে শত্রুর চেয়েও ঘৃণ্য; কারণ সে তোমার বিশ্বাসের সুযোগ নিয়েছে। — শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
মুখোশ খুলে গেলে প্রিয় মানুষটাকেও বড্ড অপরিচিত আর ভিনদেশী মনে হয়। — বুদ্ধদেব গুহ
অভিনয়ে তারা সেরা হতে পারে, কিন্তু বাস্তব জীবনে তারা বিশ্বস্ততার পরীক্ষায় সব সময় ফেল করে। — ইমদাদুল হক মিলন
মুখের মিষ্টি কথায় গলে যেও না, কারণ চিনির আড়ালেই অনেক সময় বিষ লুকানো থাকে। — মহাদেব সাহা
বন্ধুত্বের আড়ালে লুকিয়ে থাকা শয়তানগুলোই জীবনটাকে নরক বানিয়ে ছেড়ে দেয়। — আনিসুল হক
আয়নায় নিজের প্রতিবিম্ব দেখা যায়, কিন্তু মানুষের মনের মুখোশ দেখার কোনো আয়না নেই। — সেলিনা হোসেন
যে বন্ধু সুসময়ে ছায়ার মতো থাকে আর দুঃসময়ে কুয়াশার মতো মিলিয়ে যায়, সে-ই আসল মুখোশধারী। — নির্মলেন্দু গুণ
আসল চেহারাটা চিনে ফেলার পর আর অভিযোগ থাকে না, থাকে কেবল একরাশ নীরব ঘৃণা। — রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ
মেকি হাসি দিয়ে সাময়িক আপন হওয়া যায়, কিন্তু আত্মার আত্মীয় হওয়া যায় না। — তসলিমা নাসরিন
তাদের ক্ষমা করা যায়, কিন্তু পুনরায় বিশ্বাস করা মানে নিজের পায়ে কুড়াল মারা। — হেলাল হাফিজ
মুখোশধারী বন্ধু নিয়ে ফেসবুক পোস্ট
মঞ্চের অভিনেতাদের চেয়েও ভালো অভিনয় করে আমাদের আশেপাশের কিছু মানুষ। বন্ধু সেজে এরা আমাদের সাথেই ঘোরে, অথচ পকেটে রাখে বিষাক্ত ছুরি। সামনে এদের ব্যবহার দেখলে মনে হবে এর চেয়ে আপন আর কেউ নেই। কিন্তু আড়ালে গেলেই এদের আসল রূপ বেরিয়ে আসে। নিজের ছায়ার ওপর ভরসা করা যায়, কিন্তু এই দুমুখো সাপদের ওপর না।
সরাসরি শত্রুতা করা মানুষগুলোকে আমি ভয় পাই না, ভয় পাই সেই সব বন্ধুদের যারা হাসিমুখে পিঠ চাপড়ে দেয়। কারণ শত্রু আঘাত করে সামনে থেকে, আর এরা আঘাত করে বিশ্বাসে। খুব কৌশলে আপনার হাড়ির খবর জেনে নেবে, তারপর সেটাকেই আপনার বিরুদ্ধে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করবে। এদের থেকে দূরে থাকাই শ্রেয়।
চিনির প্রলেপ দেওয়া বিষের বড়ি দেখেছেন? কিছু বন্ধু ঠিক তেমনই। এদের কথা শুনলে মনে হবে মধু ঝরছে, কিন্তু ভেতরে শুধুই হিংসা। আপনার ভালো কোনো খবর শুনলে এদের মুখটা কালো হয়ে যায়, আবার আপনার বিপদে এরা মনে মনে খুশি হয়। এমন বন্ধু থাকার চেয়ে না থাকা অনেক ভালো।
যাকে নিজের সব গোপন কথা বললাম, ভাবলাম সে আগলে রাখবে। অথচ সেই মানুষটাই জনসমক্ষে আমাকে হাসির পাত্র বানাল। মুখোশটা খসে পড়ার পর চিনলাম, যাকে বন্ধু ভেবেছিলাম সে আসলে আমার সব চেয়ে বড় ক্ষতিটা করেছে। এই শিক্ষাটা জরুরি ছিল। এখন আর কাউকে অন্ধের মতো বিশ্বাস করি না।
জীবন থেকে এমন কিছু মানুষকে ছাঁটাই করেছি, যারা কেবল আমার সময় আর এনার্জি নষ্ট করছিল। এদের সাথে মিশলে নিজের অজান্তেই নেতিবাচক চিন্তা মাথায় ঢোকে। বিষাক্ত মানুষগুলোকে বিদায় জানানোর মধ্যে কোনো অপরাধ নেই, ওটা নিজের ভালো থাকার জন্যই দরকার।
মুখোশধারী বন্ধু নিয়ে ছন্দ
আয়নাতেও দেখিস কি তুই নিজের আসল ছাঁচ?
মুখোশ খুলে দাঁড়া দেখি বন্ধ করে নাচ। — ছন্দ
বন্ধু সেজে করলি ক্ষতি হাসলি মিটিমিটি
তোর পতনটা দেখব আমি লিখব বিজয়ের চিঠি। — ছন্দ
সামনে সাধু পেছনে সাপ ছোবল মারিস রোজ
মুখোশধারী বন্ধু তোদের কে বা রাখে খোঁজ? — ছন্দ
মিষ্টি কথায় মন ভুলিয়ে পকেট করিস ফাঁকা
তোর হৃদয়ে শয়তানি আর মুখে রং মাখা। — ছন্দ
চেনার উপায় নেই তো তোকে বহুরূপী সাজ
বন্ধু নামের কলঙ্ক তুই নেই তো কোনো লাজ। — ছন্দ
মঞ্চে ওঠ পুরস্কার নে সেরা অভিনেতা
তোর কারণে জীবন আমার হলো যে নোনা ও তিতা। — ছন্দ
পিঠ চাপড়ে সাহস দিচ্ছিস হাতে রেখে ছুরি
তোর বন্ধুত্ব মিথ্যে সবই শুধুই চাতুরি। — ছন্দ
দিন দুপুরে ডাকাত তোরা লুটে নিলি সুখ
মুখোশ খুললে চমকে যাবে সমাজ ও মুলুক। — ছন্দ
বিশ্বাসটা পুঁজি করে করলি ব্যবসা তোর
মনেতে জমানো আছে শুধুই কুয়াশা। — ছন্দ
ছদ্মবেশে ঘুরিস ফিরিস ধোঁকাবাজির রাজা
পাপের ঘড়া পূর্ণ হলে পাবি কঠিন সাজা। — ছন্দ
গলায় গলায় ভাব দেখিয়ে শেকড় কাটলি তলে
মুখোশধারী বন্ধু তোরা ভাসবি চোখের জলে। — ছন্দ
বন্ধুত্বের ওই আড়ালেতে স্বার্থ খুঁজিস বেশ
তোর নাটকের যবনিকা হবেই এবার শেষ। — ছন্দ
মুখোশধারী বন্ধু নিয়ে কবিতা
নাটকের মঞ্চে তো কত কুশীলব দেখি,
বাস্তবে তুই সেরা অভিনেতা, আজ জানলাম মেকি;
বন্ধুত্বের নামাবলি গায়ে জড়িয়ে বেশ,
ভেতরে ভেতরে তুই করলি আমায় শেষ। — কবিতা
সাপ পোষা ভালো, সে তো ফণা তুলে মারে,
তোর মতো আস্তিন-লুকানো শক্রু ভয়ংকর বারে বারে;
সামনে এসে হাত মেলাস, আড়ালে শানাস ধার,
তোর ছায়াতেও এখন দেখি বিষাক্ত এক পাহাড়। — কবিতা
চিনিতে পারিনি তোমায়, দোষটা আমার চোখের,
সরল মনে জায়গা দিলাম ভণ্ড এক লোকের;
মুখোশটা খসে পড়তেই বেরিয়ে এল কঙ্কাল,
বন্ধু নামের কলঙ্ক তুই, সমাজেও জঞ্জাল। — কবিতা
বিষ ঢেলেছিস কানে কানে, মিষ্টি কথার ছলে,
সাজানো সংসার ভাঙলি তুই হিংসার অনলে;
ভাবছিস তুই জিতে গেছিস? ভুল ভাবছিস ভাই,
প্রতারকের কোনোদিনও ভালো মৃত্যু নাই। — কবিতা
অন্ধকারের জীব তুই, আলো সয় না চোখে,
ছদ্মবেশে ঘুরিস ফিরিস ভালোমানুষের ঝোঁকে;
তোর আসল চেহারাটা আজ সবার সামনে খোলা,
বন্ধুত্বের হাটে তুই এক পচা, বাতিল ঝোলা। — কবিতা
পিঠের ওই ক্ষতটা আজও শুকায়নি পুরোপুরি,
তোর দেওয়া ওই আঘাতটাই আমার শ্রেষ্ঠ জুরি;
শিক্ষা পেলাম হাড়ে হাড়ে, চিনলাম আসল রূপ,
তোর মতো বেঈমানদের জায়গা নরককূপ। — কবিতা
গিরগিটিও হার মেনেছে তোর রঙের কাছে,
এত বিভৎস মন নিয়ে মানুষ কেমনে বাঁচে?
আমার বিশ্বাস নিয়ে খেললি পাশা খেলা,
তোর পতন দেখব আমি, আসছে সেই বেলা। — কবিতা
দূরত্বটা বজায় রাখি, ভয় পাই না আর,
তোর ছায়া মাড়ালে নাকি পুণ্য হয় ছারখার;
মুখোশধারী বন্ধু আমার, ভালো থাকিস দূরে,
তোর নামটা মুছে দিলাম স্মৃতির এই সুরে। — কবিতা
মুখোশধারী বন্ধু ও কিছু কথা
একা থাকা অনেক ভালো ভুল মানুষের সাথে থাকার চেয়ে। মুখোশধারী বন্ধুরা আমাদের জীবনে এসে একটা বড় শিক্ষা দিয়ে যায়। বন্ধুত্ব নির্বাচনে সতর্কতা, অন্ধ বিশ্বাস না করা এবং নিজের আত্মসম্মান বজায় রাখার ধ্রুব সত্যগুলো নিয়ে কিছু কথা এখানে লিপিবদ্ধ করা হলো। — ভূমিকা
মুখের ওপর মিষ্টি হাসির আড়ালে এরা পকেটে ধারালো ছুরি লুকিয়ে রাখতে ওস্তাদ। — বাস্তবতা
সুসময়ে পাশে থাকার নিখুঁত অভিনয় করলেও দুঃসময়ে এদের টিকিটিও খুঁজে পাওয়া ভার। — বাস্তবতা
শত্রুর আক্রমণ ঠেকানো সহজ, কিন্তু বন্ধুর বেশে আসা গোপন আঘাত ঠেকানোর ঢাল নেই। — বাস্তবতা
অভিনয়টা এত চমৎকার হয় যে, আসল রূপ বেরিয়ে আসতে অনেক সময় লেগে যায়। — বাস্তবতা
বিশ্বাস করে সব কথা বলে দিলে পরে ওগুলোই ব্ল্যাকমেইলের প্রধান অস্ত্র হয়ে দাঁড়ায়। — বাস্তবতা
স্বার্থের লোভে এরা দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ধুলোয় মিশিয়ে দিতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করে না। — বাস্তবতা
বিষাক্ত মানুষের সঙ্গ ত্যাগ করা আসলে নিজেকে রক্ষা করারই নামান্তর। — বাস্তবতা
পিঠের পেছনে নিন্দা আর সামনে প্রশংসা—এদের চরিত্রের প্রধান বৈশিষ্ট্য। — বাস্তবতা
জীবন থেকে এদের বাদ দেওয়ার অর্থ জঞ্জাল সরিয়ে নিজেকে ভারমুক্ত করা। — বাস্তবতা
অন্ধভাবে ভরসা করার মাশুলটা দিনশেষে চোখের জলেই শোধ করতে হয়। — বাস্তবতা
এরা কারো আপন হতে পারে না, সুযোগ পেলেই ছোবল মারা এদের সহজাত প্রবৃত্তি। — বাস্তবতা
মুখোশ খসে পড়ার পর চেনা মানুষটাকেও বড্ড অচেনা আর ভয়ানক মনে হয়। — বাস্তবতা
একা পথ চলা অনেক স্বস্তির, অন্তত সেখানে বিশ্বাসঘাতকতার কোনো ভয় থাকে না। — বাস্তবতা
সময় ঠিকই বুঝিয়ে দেয় কে আসল হীরা আর কে চকচকে কাঁচের টুকরো। — বাস্তবতা
নিজের ভালো থাকার স্বার্থেই এদের ছায়া মাড়ানো বন্ধ করা বুদ্ধিমানের কাজ। — বাস্তবতা
