মায়াবতী নিয়ে ক্যাপশন: সেরা ৪৮৯+ স্ট্যাটাস আইডিয়া
পুরুষের কঠিন হৃদয়েও যিনি অনায়েসে ঝড় তুলতে পারেন, তিনি আর কেউ নন—স্বয়ং মায়াবতী। তাঁর চোখের ইশারায় পথ হারানো পথিকের সংখ্যা নেহাত কম নয়। মায়াবতী নিয়ে ক্যাপশন: সেরা ৪৮৯+ স্ট্যাটাস আইডিয়া সাজিয়েছি আজ সেই সব জাদুকরীদের কথা মাথায় রেখেই, যা আপনার টাইমলাইনকে মুগ্ধতার চাদরে মুড়িয়ে দেবে এবং বন্ধুদের নজর কাড়বে।
মায়াবতী নিয়ে হুমায়ূন আহমেদের উক্তি
হুমায়ূন আহমেদ নারীকে কেবল রক্তমাংসের মানুষ ভাবতেন না, ভাবতেন অলৌকিক ধাঁধা হিসেবে। তাঁর সৃষ্ট চরিত্রগুলোর মতো বাস্তব জীবনেও মায়ার খেলা বোঝা বড় দায়। মধ্যবিত্ত প্রেমিকের কাছে নীল শাড়ি পরা মেয়েটিই পৃথিবীর সবচেয়ে বড় রহস্য। সেই রহস্যময়ী মায়াবতীদের নিয়ে তাঁর কিছু কালজয়ী উক্তি।
মায়াবতী মেয়েদের চোখে তাকালে বুকের ভেতর ধক করে ওঠে, দুর্বল চিত্তের পুরুষদের জন্য এই তাকানো বিপজ্জনক। — হুমায়ূন আহমেদ
সব মেয়ে মায়াবতী হয় না। যারা হয়, তারা শাড়ি পরলে প্রকৃতিও থমকে দাঁড়ায়। — হুমায়ূন আহমেদ
নীল শাড়ি পরা মেয়েটাকে দেখলে মনে হয় সে এই জগতের কেউ না, কোনো এক মায়াবী জগত থেকে ভুল করে চলে এসেছে। — হুমায়ূন আহমেদ
মায়াবতীদের কান্না দেখলে পাথরও গলে যায়, কিন্তু তারা খুব সহজে কাঁদে না। — হুমায়ূন আহমেদ
একজন মায়াবতী নারী তার চোখের ইশারায় পুরো একটা জীবন এলোমেলো করে দিতে পারে। — হুমায়ূন আহমেদ
হিমুরা মায়াবতীদের এড়িয়ে চলে, কারণ মায়ায় জড়ালে আর জোছনা দেখা হয় না। — হুমায়ূন আহমেদ
মায়াবতী মেয়েদের রাগ ভাঙানো কঠিন, কারণ তাদের রাগের মধ্যেও এক ধরণের সৌন্দর্য থাকে। — হুমায়ূন আহমেদ
তার হাসিতে এমন এক মায়া আছে যে, একবার দেখলে সারা জীবন মনে রাখতে বাধ্য হবে। — হুমায়ূন আহমেদ
মায়াবতীরা কথা বলে কম, কিন্তু তাদের উপস্থিতিই চারপাশ আলোকিত করে রাখে। — হুমায়ূন আহমেদ
কাজল কালো চোখ আর কপালে টিপ—একজন মায়াবতীকে চেনার জন্য এটুকুই যথেষ্ট। — হুমায়ূন আহমেদ
ছেলেরা মায়াবতীদের প্রেমে পড়ে না, তাদের মায়ায় আটকা পড়ে। আর এই ফাঁদ থেকে বের হওয়া অসম্ভব। — হুমায়ূন আহমেদ
পূর্ণিমা রাতে মায়াবতী নারীর পাশে বসে থাকার সৌভাগ্য সবার হয় না। — হুমায়ূন আহমেদ
মায়াবতী মেয়েরা জানে না তাদের সাধারণ কথায়ও ছেলেরা কতটা মুগ্ধ হতে পারে। — হুমায়ূন আহমেদ
মায়াবী চোখ ও নারী নিয়ে বিখ্যাত উক্তি
নারীর সৌন্দর্য আসলে রূপের চেয়ে তাঁর দৃষ্টিতেই বেশি লুকিয়ে থাকে। কাজলা চোখের দিকে তাকিয়ে কত সাম্রাজ্য ধ্বংস হয়েছে, তার ইয়ত্তা নেই। সেই দৃষ্টির ফাঁদে পা দিয়ে যুগে যুগে কত রথী-মহারথী যে ঘায়েল হয়েছেন, ইতিহাস তার সাক্ষী।
নারীর চোখের ভাষা যে পড়তে জানে, তার আর কোনো বই পড়ার প্রয়োজন হয় না। — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
কাজলা চোখের মায়ায় পথ হারানো পথিকের সংখ্যা এই পৃথিবীতে কম না। — কাজী নজরুল ইসলাম
মায়াবী চোখ হলো নারীর সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র, যা শব্দ ছাড়াই হৃদয়ে আঘাত করে। — সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
সাগরের গভীরতা মাপা যায়, কিন্তু নারীর চোখের গভীরতা মাপার যন্ত্র আজও আবিষ্কার হয়নি। — সমরেশ মজুমদার
ওই চোখে তাকালে মনে হয় আমি কোনো এক অসীম শূন্যতায় হারিয়ে যাচ্ছি। — শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
সুন্দর চেহারার চেয়ে মায়াবী চোখের আবেদন প্রেমিকের কাছে অনেক বেশি। — বুদ্ধদেব গুহ
নারীর চোখের জল আর চোখের হাসি—দুটোই পুরুষকে দুর্বল করে দেয়। — ইমদাদুল হক মিলন
যে চোখের দিকে তাকালে সময় থমকে যায়, সেটাই তো আসল মায়াবী চোখ। — মহাদেব সাহা
চোখের মায়ায় জড়ালে রাজসিংহাসনও তুচ্ছ মনে হয়। — আনিসুল হক
কথা দিয়ে যা বোঝানো যায় না, মায়াবী চোখের এক পলক চাহনিতে তা বুঝিয়ে দেওয়া সম্ভব। — সেলিনা হোসেন
নারীর চোখ হলো হৃদয়ের জানালা, সেখান দিয়েই ভালোবাসার আলো প্রবেশ করে। — নির্মলেন্দু গুণ
কাজল দেওয়া চোখের দিকে তাকালে মনে হয়, রাত নেমেছে দিনে। — রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ
মায়াবী চোখের অধিকারিণীদের সাজগোজের প্রয়োজন হয় না, তাদের দৃষ্টিই যথেষ্ট। — তসলিমা নাসরিন
চোখের তারায় যে রহস্য লুকিয়ে থাকে, তা উদ্ধার করতে সারা জীবন কেটে যায়। — হেলাল হাফিজ
মায়াবতীর সৌন্দর্য ও মায়া নিয়ে সেরা উক্তি
রূপ দিয়ে হয়তো ক্ষণিকের জন্য চোখ ধাঁধানো যায়, কিন্তু আসল আকর্ষণ থাকে ব্যক্তিত্ব আর আচরণের জাদুতে। মায়া এমন এক অদৃশ্য সুতো, যা একবার জড়ালে তা থেকে মুক্তি পাওয়া অসম্ভব, বরং বারবার জড়িয়ে যেতে ইচ্ছে করে।
সৌন্দর্য মানুষকে কাছে টানে, কিন্তু মায়া মানুষকে ধরে রাখে। — হুমায়ূন আহমেদ
মায়ার বাঁধন বড়ই অদ্ভুত, দেখা যায় না কিন্তু ছিঁড়ে বের হওয়াও যায় না। — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রূপের জৌলুস একদিন ফিকে হয়ে যায়, কিন্তু মায়ার রেশ আজীবন থেকে যায়। — সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
মায়াবতীর সৌন্দর্য তার বাহ্যিক রূপে না, তার রহস্যময় আচরণে। — সমরেশ মজুমদার
যাকে একবার মায়ায় ফেলবে, সে আর কখনো স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবে না। — শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
মায়া হলো কুয়াশার মতো, চারপাশ ঘিরে ধরে অথচ ধরা যায় না। — বুদ্ধদেব গুহ
সুন্দর মুখশ্রী ভুলে যাওয়া সহজ, কিন্তু মায়াবী ব্যক্তিত্ব ভোলা অসম্ভব। — ইমদাদুল হক মিলন
মায়ায় জড়িয়ে পড়ার মাঝেও এক ধরণের সুখ আছে, যা মুক্তি পাওয়ার সুখে নেই। — মহাদেব সাহা
মায়াবতীর প্রেমে পড়লে মানুষ কবি হয়, আর মায়া কাটালে দার্শনিক হয়। — আনিসুল হক
যে সৌন্দর্য মায়া তৈরি করতে পারে না, তা নিছক একটা ছবি ছাড়া আর কিছু না। — সেলিনা হোসেন
মায়াবতীর সবচেয়ে বড় গুণ হলো, সে না চাইলেও মানুষ তার প্রতি আকৃষ্ট হয়। — নির্মলেন্দু গুণ
মায়ার শিকল লোহার শিকলের চেয়েও শক্ত, কারণ তা মনকে বেঁধে ফেলে। — রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ
পৃথিবীর সব আকর্ষণ একদিকে, আর মায়াবতীর ছড়িয়ে দেওয়া মায়া অন্যদিকে। — তসলিমা নাসরিন
মায়া কাটাতে চাইলেও মন সায় দেয় না, এটাই মায়াবতীর বিজয়। — হেলাল হাফিজ
মায়াবতী নিয়ে ক্যাপশন
প্রিয়তমার ছবির নিচে বা নিজের মুগ্ধতা প্রকাশ করতে যুতসই শব্দের খোঁজ করছেন? প্রেমিকার সাধারণ চাহনিতেও যে অসাধারণ সম্মোহনী শক্তি লুকিয়ে থাকে, তা প্রকাশ করতে এই কথাগুলো অব্যর্থ তীরের মতো কাজ করে।
তোমার মায়াবী চোখের দিকে তাকালে আমি বারবার পথ হারিয়ে ফেলি।
রূপের জাদুতে আমাকে বেঁধে রাখার মন্ত্রটা তোমার খুব ভালো জানা আছে।
মায়াবতী, তুমি কি জানো তোমার হাসিতে আমি রোজ নতুন করে প্রেমে পড়ি?
তোমার চাহনিতে এমন এক নেশা আছে যা কোনো সুরাতেও পাওয়া যাবে না।
মায়ার বাঁধনে জড়িয়ে গেছি, এখন আর পালানোর কোনো পথ খোলা নেই।
তোমার ওই কাজল কালো চোখ দুটোই আমার সর্বনাশের মূল কারণ।
পৃথিবীর সব সৌন্দর্য একদিকে আর তোমার ওই মায়াবী মুখের হাসি আরেকদিকে।
নিজেকে যতই সামলে রাখি, তোমার সামনে এলেই সব এলোমেলো হয়ে যায়।
মায়াবতীর প্রেমে পড়াটা খুব সহজ কিন্তু সেই মায়া কাটানো বড্ড কঠিন।
তোমার রূপের আগুনে পতঙ্গের মতো ঝাঁপ দেওয়াটাই এখন আমার নিয়তি।
জাদুকরী ওই চোখের ইশারায় আমাকে থামিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখো তুমি।
তোমার সৌন্দর্যের প্রশংসা করার মতো ভাষা অভিধানে খুঁজে পাওয়া ভার।
মায়াবতীর প্রেমে হাবুডুবু খাওয়ার আনন্দটা অন্য কোথাও মিলবে না।
মায়াবতী ক্যাপশন কষ্টের
মরীচিকার পেছনে ছুটলে যেমন তৃষ্ণা মেটে না, তেমনি ভুল মানুষের মায়ায় পড়লে শুধুই যন্ত্রণা বাড়ে। এই কষ্টের কথাগুলো সেই সব ভগ্ন হৃদয়ের আর্তনাদ, যারা সৌন্দর্যের আড়ালে লুকিয়ে থাকা নিষ্ঠুরতাকে খুব কাছ থেকে দেখেছে এবং নিঃস্ব হয়েছে।
তোমার মায়াবী রূপের আড়ালে যে এত বড় নিষ্ঠুরতা লুকিয়ে ছিল তা আগে বুঝিনি।
মরীচিকার পেছনে ছুটে ক্লান্ত হয়ে গেছি, তবুও তোমার মায়া কাটাতে পারছি না।
ভুল মানুষের মায়ায় জড়িয়ে জীবনটা আজ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।
সৌন্দর্যের ফাঁদে পা দিয়ে আমি নিজের পায়েই কুড়াল মেরেছি।
তোমার ওই মিষ্টি হাসির আড়ালে লুকিয়ে থাকা বিষাক্ত ছোবল আমাকে শেষ করে দিল।
মায়াবতীর ছলনায় ভুলে সব হারিয়ে আজ আমি পথের ভিখারি।
রূপের বড়াই করে হয়তো জিতে গেছ, কিন্তু বিশ্বাস ভেঙে আসলে তুমিই হেরেছ।
তোমার দেওয়া ক্ষতগুলো আজীবন আমার বুকে দগদগে ঘা হয়ে থাকবে।
মায়ার খেলা খেলে তুমি চলে গেলে, রেখে গেলে একরাশ দীর্ঘশ্বাস।
যাকে দেবী ভেবে পুজো করলাম, সে-ই দিনশেষে পাষাণ হয়ে দেখা দিল।
মিথ্যে মায়ার বাঁধন ছিঁড়ে বেরিয়ে আসার শক্তিটুকুও আজ অবশিষ্ট নেই।
তোমার ছলনার আগুনে পুড়ে আমার সাজানো স্বপ্নগুলো ছাই হয়ে গেছে।
মায়াবতী, তুমি সুন্দর হতে পারো কিন্তু তোমার মনটা বড্ড কুৎসিত।
মায়াবী নারীদের গভীরতা ও সৌন্দর্য নিয়ে ক্যাপশন
সাগরের তলদেশ মাপা গেলেও নারীর মনের অতল স্পর্শ করা অসম্ভব। যিনি অল্প কথায় অনেক কিছু বুঝিয়ে দেন আর হাসির আড়ালে হাজারো গল্প লুকিয়ে রাখেন, তাঁর আকর্ষণ এড়ানো সত্যিই কঠিন। সেই রহস্যময় সত্তার বন্দনা গায় এই ক্যাপশনগুলো।
সাগরের চেয়েও গভীর তোমার মন, যার তল খুঁজে পাওয়া কোনো ডুবুরির সাধ্য নেই।
রহস্যময়ী নারীর চোখের ভাষায় লুকিয়ে থাকে হাজারো না বলা গল্প।
তোমার হাসির আড়ালে লুকিয়ে থাকা বিষাদটুকু পড়ার ক্ষমতা সবার থাকে না।
অল্প কথায় তুমি যেভাবে সব বুঝিয়ে দাও, তা আমাকে মুগ্ধ করে রাখে।
তোমার সৌন্দর্যের চেয়ে তোমার ব্যক্তিত্বের গভীরতা আমাকে বেশি টানে।
মায়াবতীর মনের নাগাল পাওয়া আর আকাশের চাঁদ হাতে পাওয়া একই কথা।
তোমার নীরবতার মাঝেও এক ধরণের বাচালতা আছে যা কান পাতলে শোনা যায়।
বাইরে থেকে শান্ত দেখালেও তোমার মনের ভেতর চলছে এক তোলপাড় করা ঝড়।
রহস্যের চাদরে নিজেকে মুড়িয়ে রাখতেই তুমি বেশি পছন্দ করো।
তোমার গভীর চোখের দিকে তাকালে মনে হয় যেন কোনো এক অজানা উপন্যাসের পাতা উল্টাচ্ছি।
সৌন্দর্য আর বুদ্ধিমত্তার এমন নিখুঁত সংমিশ্রণ সচরাচর দেখা যায় না।
তোমার ব্যক্তিত্বের ধাঁধায় আটকে গেছি, বের হওয়ার কোনো রাস্তা নেই।
মায়াবতী, তুমি এক জীবন্ত রহস্য, যাকে জানার আগ্রহ কখনো ফুরাবে না।
শাড়ি ও মায়াবতী নিয়ে ক্যাপশন
বারো হাত কাপড়ের ভাঁজে ভাঁজে যে কী পরিমাণ মাদকতা লুকিয়ে থাকতে পারে, তা বাঙালি নারী শাড়ি না পরলে বোঝা যেত না। আঁচল উড়িয়ে যখন সে হাঁটে, তখন মনে হয় যেন কোনো জীবন্ত কবিতা হেঁটে চলেছে রাজপথ দিয়ে। চিরায়ত বাঙ্গালীানার জয়গান এই ক্যাপশনগুলো।
শাড়ির আঁচলে মায়া জড়িয়ে তুমি যখন হাঁটো, তখন সময় থমকে দাঁড়ায়।
বাঙালি নারীর আসল সৌন্দর্য শাড়ির ভাঁজেই সবচেয়ে নিখুঁতভাবে ফুটে ওঠে।
বারো হাত কাপড়ের জাদুতে তুমি আজ অপরূপা, চোখ ফেরানো দায়।
নীল শাড়িতে তোমাকে দেখলে মনে হয় আকাশটা মাটিতে নেমে এসেছে।
শাড়ির পাড়ে লুকিয়ে থাকা মায়ায় আমি বারবার নিজেকে হারিয়ে ফেলি।
তোমার শাড়ি পরার স্টাইলটাই তোমাকে অন্য সবার চেয়ে আলাদা করে রাখে।
শাড়ির আঁচল উড়িয়ে যখন তাকাও, তখন বুকের ভেতর ঝড় ওঠে।
মায়াবতী, তোমাকে শাড়িতে দেখলে মনে হয় যেন কোনো এক দেবীর প্রতিমা।
লাল শাড়িতে তোমার ওই রূপ দেখে আগুনও লজ্জায় মুখ লুকাবে।
শাড়ির সাথে তোমার ওই লাজুক হাসিটা বড্ড বেশি মানানসই।
আভিজাত্য আর স্নিগ্ধতার এক অপূর্ব মেলবন্ধন হলো তোমার এই শাড়ি পরা রূপ।
শাড়ির মায়ায় জড়ালে বের হওয়া মুশকিল, এ এক অদ্ভুত নেশা।
তোমাকে শাড়িতে দেখলে মনে হয় যেন জীবন্ত কোনো কবিতা হেঁটে চলেছে।
মায়াবী চোখ ও কাজল নিয়ে ক্যাপশন
হরিণী চোখের কালো বর্ডার যেন মৃত্যুর পরোয়ানা নিয়ে আসে প্রেমিকের জন্য। কাজল ধোয়া চোখের চাহনি যে কতটা ধুরন্ধর হতে পারে এবং নিমেষেই বুকের বাঁ পাশটা খালি করে দিতে পারে, তা ভুক্তভোগী মাত্রই জানেন। সেই মারণাস্ত্রের কথাই বলে এই লাইনগুলো।
কাজল কালো চোখের ইশারায় আমাকে শেষ করে দেওয়ার ক্ষমতা রাখো তুমি।
তোমার হরিণী চোখের দিকে তাকালে আমি দুনিয়ার সব কিছু ভুলে যাই।
চোখের ওই কালো বর্ডারটা যেন আমার হৃদয়ের সীমানা প্রাচীর।
কাজল দেওয়া চোখে তাকালে মনে হয় কোনো এক গভীর দীঘির জলে ডুব দিচ্ছি।
তোমার চোখের মারণাস্ত্র আমাকে ঘায়েল করে দেয় প্রতিবার, বাঁচার উপায় নেই।
কাজল লতা দিয়ে আঁকা ওই চোখ দুটোই আমার সর্বনাশের কারণ।
চোখের ভাষায় তুমি যা বলো, তা মুখের কথার চেয়েও অনেক বেশি শক্তিশালী।
কাজল ধোয়া চোখের চাহনি দেখে বুকের ভেতরটা কেমন যেন খালি হয়ে যায়।
তোমার চোখের তারায় আমি আমার ধ্বংস আর সৃষ্টি দুটোই দেখতে পাই।
চোখের জাদুতে কাউকে বশ করার মন্ত্রটা তোমার জন্মগত পাওয়া।
কাজল কালো ওই চোখ দুটো আমাকে সারারাত জাগিয়ে রাখে।
তোমার চোখের মায়ায় আটকে পড়াটা আমার জীবনের সেরা ভুল।
চোখের পলকে তুমি যেভাবে মন চুরি করো, তা কোনো পাকা চোরের কাজ।
মায়াবতীর হাসি নিয়ে ক্যাপশন
মেঘলা দিনে রোদের দেখা মিললে যেমন লাগে, তার এক চিলতে হাসি ঠিক তেমনই। ওই হাসিতে কোনো ছলনা নেই, আছে কেবল এক নিমিষে মন ভালো করে দেওয়ার অদ্ভুত ক্ষমতা। ভুবনভোলানো সেই দৃশ্যের কথাই মনে করিয়ে দেয় এই ক্যাপশনগুলো।
তোমার এক চিলতে হাসিতেই আমার মেঘলা দিনগুলো আলোয় ভরে ওঠে।
ভুবন ভোলানো ওই হাসির জন্য আমি হাজারবার হারতে রাজি আছি।
হাসলে তোমার গালে যে টোল পড়ে, ওটাই আমার হারানো ঠিকানা।
তোমার হাসিতে কোনো ছলনা নেই, আছে একরাশ মুগ্ধতা আর পবিত্রতা।
মন খারাপের দিনে তোমার ওই হাসিমুখটা দেখলেই সব ঠিক হয়ে যায়।
হাসির ছটায় তুমি চারপাশটা আলোকিত করে রাখো, আঁধার পালাতে বাধ্য হয়।
তোমার হাসির শব্দে আমি জীবনের নতুন ছন্দ খুঁজে পাই।
প্রাণখোলা হাসি দিয়ে তুমি নিমিষেই কঠিন পরিস্থিতি সহজ করে দিতে পারো।
ওই মিষ্টি হাসির মায়ায় পড়ে আমি নিজেকে বিকিয়ে দিয়েছি বহু আগেই।
তোমার হাসিতে মুক্তো ঝরে কি না জানি না, তবে আমার হৃদয়ে ফুল ফোটে।
হাসিমুখেই তুমি জয় করে নিতে পারো পৃথিবীর সব কঠিন হৃদয়।
তোমার হাসির জাদুতে আমি বারবার নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখি।
হাসিটা তোমার মুখে সব সময় লেগে থাকুক, এটাই আমার একমাত্র প্রার্থনা।
অচেনা মায়াবতী ও প্রেম নিয়ে ক্যাপশন
বাস স্টপে বা কফি শপে দেখা সেই অপরিচিতা, যার নাম জানা নেই অথচ ভুলতে পারা যাচ্ছে না। যাকে হয়তো আর কোনোদিন দেখা হবে না, তবু তার রেখে যাওয়া রেশটুকু মনের কোণে আজীবন থেকে যায়। ক্ষণিকের ভালো লাগার গল্প শোনায় এই ক্যাপশনগুলো।
বাস স্টপে দেখা সেই অচেনা মায়াবতীর মুখটা আজও ভুলতে পারছি না।
নাম না জানা ওই মেয়েটার চোখের মায়ায় আটকে গেছি ক্ষণিকের দেখায়।
কফি শপের ভিড়ে একঝলক দেখা, অথচ মনের ভেতর ঝড় তুলে দিল।
অচেনা হলেও মনে হলো যেন কত যুগের চেনা কোনো আপন জন।
রাস্তার ওপারে দাঁড়িয়ে থাকা মেয়েটার দিকে তাকিয়ে সময়টা থমকে গিয়েছিল।
হয়তো আর কোনোদিন দেখা হবে না, তবুও তার স্মৃতিটা মনের কোণে রয়ে গেল।
ভিড়ের মাঝে হারিয়ে যাওয়া সেই মুখটা আজও খুঁজি সবখানে।
অচেনা মায়াবতীর রেশটুকু আমাকে বড্ড ভাবিয়ে তোলে অবসরে।
ক্ষণিকের ভালো লাগা যে এতটা গভীর হতে পারে তা আগে বুঝিনি।
তার চলে যাওয়ার পথের দিকে তাকিয়ে ছিলাম যতক্ষণ দেখা যায়।
অপরিচিতার প্রেমে পড়ার মধ্যেও এক অদ্ভুত রোমাঞ্চ আছে।
সেই মায়াবী মুখটা আমার কল্পনার রাজ্যে রাজত্ব করছে এখন।
দেখা হওয়ার সম্ভাবনা শূন্য জেনেও মনের গহীনে একটা আশা জিইয়ে রেখেছি।
মায়াবতী ও রাতের শহর – ক্যাপশন
নগরের সোডিয়াম বাতির নিচে দাঁড়িয়ে থাকা সেই ছায়ামূর্তি যেন গল্পের কোনো চরিত্র। ব্যস্ত শহরের কোলাহল থামলে এই মায়াবতীরাই রাতের জৌলুস বাড়িয়ে দেয় বহুগুণ। শহুরে রোমান্সের এক বিষাদমাখা রূপ তুলে ধরে এই ক্যাপশনগুলো।
সোডিয়াম বাতির হলুদ আলোয় তোমাকে কোনো এক রহস্যময়ী পরীর মতো লাগছে।
রাতের শহরের বিষাদ আর তোমার চোখের ভাষা মিলেমিশে একাকার।
শহরের কোলাহল থামলে তোমার রূপ যেন আরও উজ্জ্বল হয়ে ধরা দেয়।
ল্যাম্পপোস্টের নিচে দাঁড়িয়ে থাকা তুমি যেন কোনো গল্পের পাতা থেকে উঠে এসেছ।
রাতের জৌলুস বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য তোমার উপস্থিতিই যথেষ্ট।
অন্ধকারের বুকে তোমার ছায়াটা দেখেও আমি মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকি।
শহুরে রোমান্সের এক জীবন্ত উদাহরণ হয়ে দাঁড়িয়ে আছো এই নিস্তব্ধ রাতে।
রাতের শহর আর মায়াবতী, দুইয়ের মেলবন্ধনে তৈরি হয়েছে এক অদ্ভুত কাব্য।
তোমার মুখের ওপর পড়া সোডিয়ামের আলো ছায়ার খেলা দেখতে দারুণ লাগছে।
রাতের গভীরে এই শহর যেমন রহস্যময়, তুমিও ঠিক তেমনই।
ব্যস্ত শহরের বুকে এক চিলতে শান্তির খোঁজ যেন তোমার ওই মুখটা।
রাতের আঁধারে তোমার সৌন্দর্য দেখে চাঁদও আজ হিংসে করছে।
শহরের পিচঢালা পথে তোমার পদধ্বনি এক নতুন গল্পের সূচনা করছে।
মায়াবতীর রূপ নিয়ে রোমান্টিক ক্যাপশন
প্রশংসা শুনতে কে না ভালোবাসে? আর তা যদি হয় প্রিয় মানুষের রূপের বর্ণনা! প্রতিটি শব্দে মিশে থাকবে আদরের স্পর্শ আর মুগ্ধতার বহিঃপ্রকাশ। আপনার ভালোবাসার মানুষটিকে নতুন করে নিজের প্রেমে ফেলতে বাধ্য করবে এই রোমান্টিক ক্যাপশনগুলো।
তোমার রূপের প্রশংসা করার মতো শব্দ ভাণ্ডার আমার কাছে নেই।
বিধাতা নিজ হাতে তোমায় গড়েছেন পৃথিবীর সবটুকু সৌন্দর্য দিয়ে।
তোমাকে যতবার দেখি ততবারই মনে হয় নতুন করে প্রেমে পড়লাম।
চাঁদের কলঙ্ক থাকতে পারে কিন্তু তোমার রূপে কোনো খুঁত নেই।
তোমার সৌন্দর্যের কাছে স্বর্গের অপ্সরীরাও হার মানতে বাধ্য।
আয়নাও হয়তো তোমাকে দেখে লজ্জায় মুখ লুকায়।
তোমার রূপের আগুনে আমি পতঙ্গের মতো পুড়ে মরতে রাজি আছি।
সৌন্দর্য যদি কোনো অপরাধ হতো তবে তুমি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পেতে।
তোমার মুখের দিকে তাকিয়ে আমি সারাটা জীবন কাটিয়ে দিতে পারি।
প্রকৃতির সবটুকু মায়া দিয়ে গড়া তোমার এই অপরূপ শরীর।
তোমাকে দেখলে মনে হয় যেন কোনো শিল্পী তার সেরা ছবিটা এঁকেছে।
রূপের জাদুতে তুমি আমাকে বশ করে রেখেছ, মুক্তির কোনো ইচ্ছে নেই।
তোমার সৌন্দর্য আমার ধূসর জীবনে রংধনুর রং ছড়িয়ে দিয়েছে।
মায়াবতী ও এলো চুল নিয়ে ক্যাপশন
বাতাসে ওড়া অবাধ্য চুলগুলো যখন বারবার তার মুখে এসে পড়ে, তখন সময় যেন থমকে দাঁড়ায়। পরিপাটি সাজের চেয়ে এই অগোছালো রূপটাই যে প্রেমিক মনে বেশি দাগ কাটে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। সেই এলোমেলো মুহূর্তের সৌন্দর্যের সাক্ষী এই ক্যাপশনগুলো।
বাতাসে ওড়া তোমার ওই এলো চুলে আমি বারবার পথ হারাই।
পরিপাটি সাজের চেয়ে অগোছালো চুলে তোমাকে বেশি মায়াবী লাগে।
উড়ো চুলগুলো যখন মুখে এসে পড়ে তখন সময়টা থমকে দাঁড়ায়।
তোমার অবাধ্য চুলগুলো সরানোর ছলে একটু ছুঁয়ে দেওয়ার লোভ সামলানো দায়।
এলো চুলে তোমাকে দেখলে মনে হয় যেন সদ্য ঘুম ভাঙা কোনো রাজকন্যা।
বাতাসের সাথে তোমার চুলের এই খুনসুটি দেখতে বড্ড ভালো লাগে।
তোমার এলোমেলো চুলগুলোই আমার মনের আকাশটা মেঘলা করে দেয়।
খোলা চুলে তুমি যখন হাঁটো, তখন মনে হয় যেন কালো মেঘ ভেসে বেড়াচ্ছে।
চুলের গন্ধে মাতাল হয়ে আমি তোমার পিছু নিতে বাধ্য হই।
তোমার ওই এলো চুলে আটকা পড়েই আমি আজীবন বন্দি থাকতে চাই।
বাতাসে চুল উড়ার দৃশ্যটা ফ্রেমে বন্দি করে রাখার মতো সুন্দর।
কপালের ওপর এসে পড়া চুলগুলো তোমার সৌন্দর্য বাড়িয়ে দেয় বহুগুণ।
অগোছালো রূপেই যে কাউকে ঘায়েল করা যায়, তা তোমাকে দেখলেই বোঝা যায়।
মায়াবতী নিয়ে স্ট্যাটাস আইডিয়
ফেসবুকে নিজের মনের অবস্থা বা দার্শনিক চিন্তা শেয়ার করতে চান? নারী রহস্য আর সৌন্দর্যের গোলকধাঁধায় আটকে পড়া মনের কথাগুলো এখানে খুব সুন্দরভাবে সাজানো আছে। এই আইডিয়াগুলো আপনাকে চিন্তার নতুন খোরাক জোগাবে।
তার চোখের গভীরতাই হলো এই শহরের সবচেয়ে বড় ধাঁধা।
সৌন্দর্যের সংজ্ঞা খুঁজতে যেও না, তার মায়ায় আটকা পড়লেই সব উত্তর মিলবে।
মায়াবতী নামটা যেন তার জন্যেই বরাদ্দ করা হয়েছে।
এই শহরের সব পথ শেষমেশ ওই মায়াবী চোখের আঙিনায় গিয়েই থামে।
রহস্যের জট খুলতে গিয়ে নিজেকেই হারিয়ে ফেলার নাম মায়াবতী।
সাধারণ সাজেও সে অসামান্যা, ঠিক যেন ভিনদেশী কোনো অপ্সরা।
তার হাসিতে আটকে আছে হাজারো তরুণের নির্ঘুম রাত।
মায়াবতীর প্রেমে পড়া নিয়ে স্ট্যাটাস
জাশেনে বিষপান করা আর মায়াবতীর প্রেমে পড়া—দুটো একই ব্যাপার। এই ফাঁদে পা দেওয়ার পর পালানোর পথ থাকে না, থাকে শুধু নিজেকে সমর্পণ করার এক তীব্র আকাঙ্ক্ষা। সেই মিষ্টি বিপদের সতর্কবার্তা শোনায় এই স্ট্যাটাসগুলো।
জেনেশুনে আগুনের প্রেমে পড়ার সাহস কজন রাখে?
পালানোর সব পথ বন্ধ করে দিয়েই সে মনের দখল নেয়।
নিজেকে বিলিয়ে দেওয়ার নামই তো মায়াবতীর প্রেম।
তার মায়ার বাঁধন ছিঁড়ে বের হওয়া অসম্ভব এক যুদ্ধ।
কপালে দুঃখ আছে জেনেও মানুষ মায়াবতীর প্রেমেই মজে।
তার প্রেমে পড়ার অর্থ হলো নিজের স্বাধীনতাকে বিদায় জানানো।
মায়াবতীর ফাঁদে একবার পা দিলে ফেরার পথ চিরতরে বন্ধ।
মায়াবী নারীর মায়াজাল ও বাস্তবতা – স্ট্যাটাস
সব চকচকে জিনিস যেমন সোনা নয়, তেমনি সব সুন্দর হাসির পেছনে সরলতা থাকে না। কল্পনার জগৎ আর বাস্তবের মাটিতে যে আকাশ-পাতাল তফাত, তা এখান থেকেই শেখা যায়। মোহভঙ্গ হওয়ার মুহূর্তগুলো মনে করিয়ে দেয় এই স্ট্যাটাসগুলো।
মরীচিকার পেছনে ছোটা আর মায়াবতীর পিছু নেওয়া একই কথা।
ওই মিষ্টি হাসির আড়ালে লুকিয়ে থাকে কঠিন এক বাস্তবতা।
কল্পনার জগতে সে রানী হতে পারে, কিন্তু বাস্তবে এক অধরা স্বপ্ন।
মায়ার মুখোশ খুললেই বেরিয়ে আসে আসল রূপ, যা বড়ই নিষ্ঠুর।
মোহ কেটে গেলে দেখা যায়, সবটাই ছিল চোখের ধোঁকা।
বাস্তবের মাটিতে মায়াবতীরা কখনোই কারো আপন হয় না।
দূর থেকে যাকে নক্ষত্র ভাবছ, কাছে গেলে দেখবে সে শুধুই পাথর।
মায়াবতীর অবহেলা নিয়ে কষ্টের স্ট্যাটাস
যাকে পাবার জন্য আপনি সব ছাড়লেন, দিনশেষে তার কাছেই আপনি হয়তো শুধুই ‘অপশন’। চোখের সামনে প্রিয় মানুষটিকে বদলে যেতে দেখার যন্ত্রণা সহ্য করা যে কতটা কঠিন, তা এই লাইনগুলো পড়লেই বোঝা যায়। উপেক্ষিত ভালোবাসার দীর্ঘশ্বাস এই স্ট্যাটাসগুলো।
যার জন্য সব ছাড়লাম, তার কাছে আমি নিতান্তই অপ্রয়োজনীয়।
চোখের সামনে বদলে যাওয়া মানুষটা বড্ড অচেনা লাগে এখন।
অবহেলার চাদরে মুড়িয়ে রাখা ভালোবাসা বড়ই যন্ত্রণার।
হীরের কদর জহুরি বুঝলেও, মায়াবতীরা কখনোই মনের কদর বোঝে না।
প্রয়োজনের সময় কাছে টেনে কাজ শেষে ছুড়ে ফেলাই তাদের স্বভাব।
আমার সবটুকু আবেগ তার কাছে তুচ্ছ এক পরিহাস মাত্র।
যাকে আগলে রাখতে চেয়েছি, সে-ই আজ অবহেলার বালি চাপা দিল।
আমার শহরের মায়াবতী – স্ট্যাটাস
প্রতিটি অলিতে-গলিতেই এমন কিছু গল্প লুকিয়ে থাকে, যার নায়িকা আমাদের চেনা। ভিনদেশী রাজকন্যা নয়, বরং আমাদের পাশের বাড়ির মেয়েটির মাঝেই যে আসল মায়া লুকিয়ে আছে, সেটাই এখানে মুখ্য। লোকাল বাসের ভিড়ে বা রিক্সার হুড তোলা সেই মুখগুলোর কথা বলে এই স্ট্যাটাসগুলো।
লোকাল বাসের ভিড়েও হঠাৎ চোখে পড়ে সেই মায়াবী মুখ।
ভিনদেশী রূপকথা না, পাশের ছাদেই আমার শহরের মায়াবতীর বাস।
ধুলোমাখা পথেই দেখা মেলে আসল মায়াবতীর, যার সাজে নেই কৃত্রিমতা।
সাধারণ শাড়িতেই সে অনন্য, আমার এই জরাজীর্ণ শহরের রানী।
রিক্সার হুড তোলা মুখেও আটকে থাকে একরাশ স্নিগ্ধতা।
আমাদের শহরের মায়াবতীরা বিলাসিতা বোঝে না, বোঝে মায়া।
জানালার গ্রিল ধরে দাঁড়িয়ে থাকা মেয়েটিও কোনো এক কবির মায়াবতী।
মায়াবতী ও মধ্যবিত্ত প্রেমিক – স্ট্যাটাস
পকেটে শূন্যতা থাকলেও বুকের ভেতর ভালোবাসার কমতি থাকে না। যেখানে ইচ্ছে থাকলেও সাধ্যে কুলায় না, আর মায়াবতীকে ধরে রাখার স্বপ্নগুলো বাস্তবতার আঘাতে চুরমার হয়ে যায়। সেই অসম প্রেমের করুণ আলেখ্য ফুটে ওঠে এই স্ট্যাটাসগুলোতে।
পকেটের দৈন্যদশা থাকলেও বুকে ভালোবাসার কমতি ছিল না।
মধ্যবিত্তের স্বপ্নে মায়াবতীরা কেবলই দীর্ঘশ্বাস হয়ে বেঁচে থাকে।
সাধ্যের গণ্ডিতে আটকে মরে সব ইচ্ছে, মায়াবতী তো এক বিলাসিতা।
অভাবের সংসারে মায়ার স্থান বড়ই নড়বড়ে, প্রেম সেখানে অসহায়।
মাসের শেষ তারিখের মতোই মায়াবতীর প্রেম দ্রুত ফুরিয়ে যায়।
বাইকের পেছনের সিট খালিই থাকে, কারণ পকেটে তেলের পয়সা আর মনে সাহস—দুটোরই অভাব।
স্বপ্নগুলো আকাশছোঁয়া, কিন্তু সামর্থ্য মাটির কাছাকাছি।
মায়াবতীর মন বোঝা দায় – স্ট্যাটাস
আকাশের রং বদলানো সহজ, কিন্তু নারীর মনের গতিবিধি বোঝা অসম্ভব। এই সে হাসছে, তো পরক্ষণেই মেঘ—এই অম্ল-মধুর খুনসুটি আর অনিশ্চয়তাই সম্পর্ককে বাঁচিয়ে রাখে। পুরুষ জাতির সেই চিরকালীন আক্ষেপের কথাই বলে এই স্ট্যাটাসগুলো।
আবহাওয়ার পূর্বাভাস পাওয়া যায়, কিন্তু মায়াবতীর মেজাজ বোঝা ভার।
গণিতের জটিল সূত্র মিললেও তার মনের হিসাব মেলা অসম্ভব।
এই রোদেলা হাসি, তো পরক্ষণেই মেঘলা আকাশ—বড়ই বিচিত্র।
পুরুষ জাতি চাঁদে পৌঁছালেও নারীর মন আজও এক রহস্য।
সে কি চায়, তা হয়তো সে নিজেও জানে না।
হাসির আড়ালে রাগ, নাকি রাগের আড়ালে প্রেম—বোঝা বড় দায়।
মায়াবতীর মনের নাগাল পাওয়া আর সমুদ্র সেচা একই কথা।
কিছু মানুষ ফিরে আসবে না জেনেও আমরা তাদের জন্য দরজা খোলা রাখি।
মায়াবী ভালোবাসা ও অপেক্ষা নিয়ে স্ট্যাটাস
মায়াবতীরা চলে যায় স্মৃতি রেখে, আর প্রেমিকরা থেকে যায় সেই স্মৃতি আঁকড়ে—এ এক অদ্ভুত চক্র। অনন্ত প্রহর গোনার এই গল্পগুলোই উঠে এসেছে এখানে।
সে আসবে না জেনেও দরজা খোলা রাখার নামই অপেক্ষা।
মায়াবতী চলে যায়, রেখে যায় একবুক স্মৃতি আর হাহাকার।
অনন্তকাল অপেক্ষায় থাকা যায়, যদি ওপাশ থেকে সাড়া মেলার আশ্বাস থাকে।
স্মৃতির পাতায় সে অমলিন, অথচ বাস্তবে যোজন যোজন দূর।
অপেক্ষার প্রহর ফুরোয়, কিন্তু মায়াবতীর ফেরার সময় হয় না।
একতরফা অপেক্ষার যন্ত্রণা সহ্য করেই টিকে থাকে মায়াবী ভালোবাসা।
চলে যাওয়া মানুষটা স্মৃতি হয়েই থেকে যায়, ফিরে আর আসে না।
মায়াবতী তোমায় নিয়ে ছন্দ
গদ্যের চেয়ে পদ্যে যখন কাউকে মায়াবতী ডাকা হয়, তখন তার ওজন বেড়ে যায়। প্রেয়সীকে মান ভাঙাতে বা চমকে দিতে এই ছন্দময় লাইনগুলো জাদুর মতো কাজ করে এবং ঠোঁটে হাসি ফোটায়। ছোট ছোট মিলযুক্ত কথার মালা।
মায়াবতী, তোমার চোখে কি আছে গো জাদু? তাকালেই হারিয়ে ফেলি আমি আমার দাদু।
রূপের মায়ায় বাঁধলে আমায়, ছিঁড়বে না তো ডোর? তোমায় ভেবেই কাটছে আমার নিঝুম রাতের ভোর।
কাজল কালো চোখের তারায় সর্বনাশা টান মায়াবতী, তুমিই আমার ভালোবাসার গান।
জাদুকরী ওই হাসিতে কার মন করেছো চুরি? তোমার পিছেই উড়ছে আমার রঙিন ঘুড়ি।
মায়াবতী নামটা তোমায় মানায় যেন বেশ তোমার প্রেমে হাবুডুবু, নেই তো কোনো শেষ।
ইচ্ছে করে হারিয়ে যাই তোমার মায়ার দেশে সারা জীবন থাকব আমি তোমায় ভালোবেসে।
চুলের ভাঁজে লুকিয়ে রাখো কোন সে মায়ার ফাঁদ? তোমায় দেখেই মিটল আমার জনম জনম সাধ।
মায়াবতী, তাকাও যখন আড়চোখে ওই লাজে বুকের ভেতর হাজারো ঢোল খুশিতে আজ বাজে।
তোমার মায়ায় আটকা পড়ে পথ ভুলেছি আমি আমার কাছে হীরে নয়, তোমার হাসিই দামি।
সবাই বলে পাগল আমি, আমি বলি মায়া রৌদ্রজলে তুমিই আমার স্নিগ্ধ শীতল ছায়া।
মায়ার বাঁধন দিও না গো, দিও ভালোবাসার হাত তোমার সাথেই কাটাতে চাই হাজারো এক রাত।
অচিন পুরের রাজকন্যা, মায়াবতী সাজে তোমার নুপুর নিক্কন আজ আমার বুকে বাজে।
চোখ ফেরালে মায়ায় পড়ি, না ফেরালে ক্ষতি তোমার প্রেমেই জ্বলছে আমার প্রাণের মোমবাতি।
মায়াবতী, শুনছো তুমি? একটু কাছে এসো জাদুর ছলে হলেও আমায় একটু ভালোবেসো।
মায়াবতী নিয়ে কবিতা
কবির কল্পনায় নারী কেবল রক্তমাংসের দেহ নয়, বরং এক বিমূর্ত শিল্প। মায়াবতী নিয়ে কবিতা পাঠ করলে মনে হয়, প্রতিটি শব্দ যেন তুলির আঁচড়ে আঁকা ছবি। সাহিত্যপ্রেমী মন এই পংক্তিগুলোর মাঝে খুঁজে পাবে এক আলাদা ভুবন, যেখানে শুধুই মুগ্ধতা আর আরাধনা।
তোমার ছায়াও নাকি মাটিকে স্পর্শ করে না,
হাঁটলে ঘাসের ডগা একটুও নুয়ে পড়ে না;
তুমি কি সত্যি মানবী, নাকি জাদুকরী কোনো ভুল?
তোমার ইশারায় অসময়েও ফাগুনে ফোটে ফুল।
মায়াবতী, তোমার আঁচলে কি লুকানো আছে রাত?
যেই ওড়াও, অমনি নামিয়ে দাও আঁধারের বরাত;
দিনের আলোয় তুমি সাধারণ, ভিড়ে মিশে থাকা কেউ,
সন্ধ্যা নামলেই হৃদয়ে তোলো সর্বনাশা এক ঢেউ।
বন্দী করতে চেয়েছিলাম তোমায় কবিতার ছন্দে,
কিন্তু তুমি মিলিয়ে গেলে ধূপের ধোঁয়া আর গন্ধে;
ধরা দিও না কভু, থেকো ওই অধরা হয়ে,
মরীচিকা হয়েই নাহয় বাঁচবো আমি এই মরুর ক্ষয়ে।
রূপকথার বই থেকে উঠে আসা কোনো চরিত্র নও,
তবু বাস্তবে থেকেও তুমি যেন কল্পনারই সও;
তাকালেই মনে হয়, হারিয়ে যাই ওই রহস্যের ভাঁজে,
যেখানে যুক্তি খাটে না, শুধুই সম্মোহন বাজে।
শুনলাম তুমি হাসলে নাকি পাথরও গলে জল,
পাথর তো নই, আমি এক রক্তমাংসের তল;
ডুবে গেছি কবেই তোমার মায়ার গভীর ফাঁদে,
এখন মুক্তির আশা ছেড়ে মন তোমাকেই শুধু সাধে।
কুয়াশার চাদর গায়ে জড়িয়ে যখন আসো ভোরবেলা,
প্রকৃতিও থমকে যায়, ভুলে যায় তার সব খেলা;
তুমি আসলে কি? দেবী নাকি মানবী, নাকি ছলনা?
উত্তর খুঁজি না আর, তুমিই আমার শেষ জল্পনা।
তোমার নামটা জপতে জপতে মালা ছিঁড়েছে কবে,
এই মায়ার বাঁধন কি কোনোদিনও ছিন্ন হবে?
জাদু জানো তুমি, জানো বশীকরণের সব মন্ত্র,
আমি তো স্বেচ্ছায় সঁপে দিয়েছি আমার হৃদয়তন্ত্র।
স্পর্শ করলেই মিলিয়ে যাবে, জানি তুমি আলেয়া,
তবুও পতঙ্গের মতো পুড়তে আসি, এ কেমন খেয়া?
মায়াবতী গো, তোমার মায়ায় অন্ধ আজ দুচোখ,
তুমি ছাড়া এই ভুবনে আর কে বা আছে শোক?
মায়াবী চোখ নিয়ে কবিতা
কথায় আছে, চোখ হলো মনের আয়না। মায়াবী চোখ নিয়ে কবিতা সেই আয়নার গভীরে ডুব দেওয়ার চেষ্টা করে। কাজলের কালো রেখা আর চোখের ভাষা নিয়ে লেখা এই কবিতাগুলো পড়লে মনে হয়, দৃষ্টি দিয়েও যে কত কথা বলা যায়, তা আগে জানা ছিল না।
কাজল কালো ওই চোখের তারায় হারিয়েছি পথঘাট,
যেন এক অতল সাগর, নেই কোনো কূল, নেই কোনো মাঠ;
তাকালেই মনে হয়, ডুবে যাই ওই গভীর নীল জলে,
উদ্ধারের আশা নেই, ভাসছি কেবল মায়ার ছলে।
মুখে কিছু বলো না, চুপ করে থাকো ঠোঁট কামড়ে,
কিন্তু তোমার ওই দুটি চোখ কথা বলে অনর্গল, নির্ভয়ে;
ভাষার কি বা দরকার, যদি দৃষ্টিতেই লেখা থাকে সব,
তোমার চোখের ভাষায় আমি বুঝে নিই নীরব কলরব।
হরিণের মতো চঞ্চল, আবার কখনো শান্ত দীঘি,
তোমার চোখের দিকে তাকালে ভুলে যাই সব বিধি;
পলক ফেলার আগেই চুরি করে নাও বুকের স্পন্দন,
কি জাদু আছে ওই চোখে? কেন এত ক্রন্দন?
অস্ত্র দিয়ে আঘাত করলে ক্ষত শুকিয়ে যায়,
কিন্তু চোখের আঘাঁত যে হৃদয়ের গভীরে রক্ত ঝরায়;
তোমার ওই তীক্ষ্ণ চাউনি, যেন এক বিষাক্ত তীর,
বিঁধেছে বুকে, এখন আমি এক পরাজিত বীর।
সুরমা আঁকা ওই আঁখিপল্লবে কি যে মায়া,
দুপুরের কড়া রোদেও ওখানে পাই স্নিগ্ধ ছায়া;
পৃথিবী দেখার আমার আর কোনো ইচ্ছে নেই বাকি,
তোমার চোখেই যে দেখেছি আমি আমার সব ফাঁকি।
ঈশ্বর হয়তো অবসর সময়ে গড়েছিলেন ওই চোখ,
তাই তো ওতে মিশিয়ে দিয়েছেন পৃথিবীর সব শোক;
আনন্দ আর বেদনার এক অদ্ভুত সহাবস্থান,
তোমার চোখেই খুঁজে পাই আমি আমার প্রস্থান।
চোখ তো নয়, যেন এক খোলা বইয়ের পাতা,
পড়তে গেলে হারিয়ে ফেলি নিজের সব খাতা;
রহস্যে ঘেরা ওই দৃষ্টির জালে আটকা পড়েছি,
বের হওয়ার পথ জানা নেই, তাই ওখানেই মরেছি।
সবাই বলে চাঁদ সুন্দর, আমি বলি তোমার চোখ,
চাঁদের আলোয় যা নেই, তা আছে ওই দৃষ্টির ঝোঁক;
একবার তাকালে আর ফেরানো যায় না নজর,
তোমার চোখের মায়ায় আমি বন্দী আজর।
নেশাতুর ওই চোখের দিকে তাকালে মাতাল হই,
মদের পেয়ালা দরকার নেই, আমি তো ওখানেই রই;
ডুবতে ডুবতে তলিয়ে গেছি, নেই কোনো আফসোস,
তোমার চোখের অতল গহ্বরেই আমার সব দোষ।
