স্বামীর প্রতি স্ত্রীর কর্তব্য নিয়ে ক্যাপশন: সেরা ২৫২+ স্ট্যাটাস আইডিয়া

দাম্পত্য জীবন হলো পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ আর দায়িত্ব পালনের এক পবিত্র বন্ধন। ইসলাম ধর্মে এবং সামাজিক রীতিতে স্বামীর প্রতি স্ত্রীর কিছু বিশেষ কর্তব্য রয়েছে, যা পালন করলে সংসার সুখের হয়। আপনি কি সেই দায়িত্ববোধ ও ভালোবাসার কথাগুলো সোশ্যাল মিডিয়ায় তুলে ধরার জন্য স্বামীর প্রতি স্ত্রীর কর্তব্য নিয়ে ক্যাপশন খুঁজছেন? তাহলে এই আর্টিকেলটি আপনার জন্যই সাজানো হয়েছে। এখানে আমরা দায়িত্বশীল স্ত্রীদের জন্য সেরা সব স্ট্যাটাস ও ক্যাপশন একত্রিত করেছি। পুরো লেখাটি মনোযোগ দিয়ে শেষ পর্যন্ত দেখুন, আপনার মনের কথার সাথে মিলে যাওয়া সেরা লাইনটি হয়তো এখানেই অপেক্ষা করছে।

এখানে আপনি পাবেন

স্বামীর প্রতি স্ত্রীর কর্তব্য নিয়ে উক্তি

স্বামীর সেবা করার মাধ্যমে স্ত্রী যে সম্মান ও ভালোবাসা অর্জন করে, তা পৃথিবীর অন্য কোনো কাজ দিয়ে পাওয়া সম্ভব না। — চাণক্য

একজন পুরুষের সফলতার নেপথ্যে সব সময় একজন ধৈর্যশীল ও বুদ্ধিমতী স্ত্রীর অবদান থাকে। — নেপোলিয়ন হিল

স্ত্রী হলেন স্বামীর শক্তির উৎস, যিনি দুঃসময়ে ঢাল হয়ে তাকে রক্ষা করেন। — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

স্বামীর সম্মান রক্ষা করা মানে নিজের সংসারের সম্মান রক্ষা করা, এটা স্ত্রীর নৈতিক দায়িত্ব। — সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

যে নারী ঘরকে শান্তির নীড় বানাতে পারে, সে-ই প্রকৃত গুণবতী স্ত্রী। — সমরেশ মজুমদার

স্বামীর মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া দুর্বলতা না, বরং তা দাম্পত্য সম্পর্কের ভিত মজবুত করে। — ডেল কার্নেগি

ছোটখাটো ভুল ক্ষমা করে দিয়ে স্বামীর পাশে থাকার নামই হলো আদর্শ স্ত্রীর ধর্ম। — শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

স্ত্রী কেবল অর্ধাঙ্গিনী নন, তিনি স্বামীর জীবনের যাত্রাপথের শ্রেষ্ঠ বন্ধু ও পরামর্শদাতা। — বুদ্ধদেব গুহ

সংসারের হাল ধরার পাশাপাশি স্বামীর মন রক্ষা করে চলা স্ত্রীর এক বড় গুণ। — ইমদাদুল হক মিলন

স্বামীর ক্লান্ত মুখ দেখে যে স্ত্রী হাসিমুখে এক গ্লাস পানি এগিয়ে দেয়, তার চেয়ে সুন্দরী আর কেউ নেই। — মহাদেব সাহা

যুক্তিপূর্ণ কাজে স্বামীর অনুগত থাকা এবং তাকে সমর্থন করা দাম্পত্য সুখের চাবিকাঠি। — আনিসুল হক

স্বামীর অপছন্দনীয় কাজ থেকে বিরত থাকা স্ত্রীর ভালোবাসারই প্রমাণ। — সেলিনা হোসেন

যে স্ত্রী স্বামীর রোজগারের বরকত বাড়ানোর জন্য মিতব্যয়ী হয়, সে লক্ষ্মী স্বরূপা। — নির্মলেন্দু গুণ

স্বামীর রাগের সময় চুপ থাকা এবং পরে বুঝিয়ে বলা বুদ্ধিমতী স্ত্রীর লক্ষণ। — রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

অভাবের সময় স্বামীর হাত শক্ত করে ধরে রাখাই স্ত্রীর প্রধান পরীক্ষা। — তসলিমা নাসরিন

স্বামীর প্রতি স্ত্রীর দায়িত্ব নিয়ে রাসুল (সা.) এর হাদিস ও উক্তি

আমি যদি আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে সেজদা করার নির্দেশ দিতাম, তবে নারীদের বলতাম তাদের স্বামীকে সেজদা করতে। — তিরমিজি শরিফ

যে নারী এমন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে যে তার স্বামী তার ওপর সন্তুষ্ট, জান্নাত তার জন্য অবধারিত। — ইবনে মাজাহ

দুনিয়াটা ক্ষণস্থায়ী সম্পদের জায়গা, আর এই সম্পদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হলো একজন নেককার ও অনুগত স্ত্রী। — সহীহ মুসলিম

তোমাদের মধ্যে সেই নারী উত্তম, যার দিকে তাকালে স্বামী আনন্দিত হয় এবং আদেশ করলে তা পালন করে। — সুনানে নাসাঈ

স্বামীর অপছন্দ এমন কাউকে ঘরে প্রবেশ করতে না দেওয়া স্ত্রীর ঈমানি দায়িত্ব। — সহীহ বুখারী

যে নারী স্বামীর অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে, আল্লাহ তার দিকে রহমতের নজরে তাকান না। — সুনানে নাসাঈ

পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, রমজানের রোজা, সতীত্বের হেফাজত ও স্বামীর আনুগত্য—এই চারটি কাজ করলেই নারী জান্নাতের যেকোনো দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে। — সহীহ ইবনে হিব্বান

দুনিয়াতে কোনো নারী যখন তার স্বামীকে অকারণে কষ্ট দেয়, তখন জান্নাতের হুরেরা তাকে অভিশাপ দিতে থাকে। — তিরমিজি শরিফ

বিনা কারণে স্বামীর কাছে বিচ্ছেদ চাওয়া নারীর জন্য জান্নাতের সুঘ্রাণও হারাম। — আবু দাউদ

স্বামীর সন্তুষ্টিতেই আল্লাহর সন্তুষ্টি নিহিত থাকে, তাই তাকে খুশি রাখা স্ত্রীর কর্তব্য। — ইসলামিক ফিকাহ

স্বামীর অনুপস্থিতিতে তার সম্পদ ও নিজের সতীত্ব রক্ষা করা স্ত্রীর প্রধান আমানত। — আল-কুরআনের শিক্ষা

স্বামীর রাগ বা অভাবের সময় ধৈর্য ধারণ করা স্ত্রীর জান্নাত লাভের বড় উসিলা। — ইমাম গাজ্জালী

নেককার স্ত্রী স্বামীর দ্বীনের অর্ধেক পূর্ণ করে দেয়। — আল-হাদিস

স্বামীর প্রতি স্ত্রীর কর্তব্য নিয়ে ফেসবুক পোস্ট

স্বামী যখন সারা দিনের যুদ্ধ শেষে ক্লান্ত হয়ে ঘরে ফেরে, তখন স্ত্রীর এক চিলতে হাসিমুখ তার সব ক্লান্তি ভুলিয়ে দেয়। তাকে প্রশ্নবাণে জর্জরিত না করে এক গ্লাস পানি এগিয়ে দেওয়া বা একটু মাথায় হাত বুলিয়ে দেওয়া—এগুলোই তো ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ। টাকা দিয়ে সুখ কেনা যায় না, কিন্তু স্ত্রীর এই ছোট ছোট যত্ন দিয়ে স্বামীর মন কেনা যায়। ঘরটাকে প্রশান্তির নীড় বানানোর চাবিটা আসলে স্ত্রীর হাতেই থাকে।

সংসার সুখের হয় রমণীর গুণে—কথাটা পুরোনো হলেও সত্য। স্বামীর আয়ের ওপর ভিত্তি করেই সংসার সাজানো উচিত। তার সাধ্যের বাইরে গিয়ে বিলাসিতা চাওয়াটা বোকামি। বরং অল্পতেই তুষ্ট থেকে স্বামীকে মানসিক চাপমুক্ত রাখা একজন আদর্শ স্ত্রীর বৈশিষ্ট্য। স্বামীর কষ্টের টাকার কদর করলে সে আরও বেশি পরিশ্রম করার উৎসাহ পায়। মিতব্যয়ী হওয়াটা সংসারের শ্রীবৃদ্ধির জন্য খুব জরুরি।

সম্মান জিনিসটা দেওয়া-নেওয়ার বিষয়। স্বামীকে সবার সামনে ছোট করে কথা বললে নিজের ব্যক্তিত্বই নষ্ট হয়। মতের অমিল থাকতেই পারে, কিন্তু তা চার দেয়ালের ভেতরেই মিটিয়ে ফেলা বুদ্ধিমানের কাজ। স্বামীর মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া বা কোনো সিদ্ধান্তে তার পরামর্শ নেওয়া—এতে সে নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ ভাবে। দিনশেষে স্বামী তো আপনারই লোক, তাকে সম্মান দিলে সেই সম্মান দ্বিগুণ হয়ে ফিরে আসবে।

বিপদের সময় যখন সবাই মুখ ফিরিয়ে নেয়, তখন স্ত্রীই ঢাল হয়ে পাশে দাঁড়ায়। স্বামীর ব্যর্থতায় তাকে খোঁটা না দিয়ে বরং সাহস যোগানো উচিত। “চিন্তা করো না, আমি আছি”—এই একটা বাক্য স্বামীকে নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তি দেয়। সুসময়ের সঙ্গী তো সবাই হতে পারে, কিন্তু দুঃসময়ে হাতটা শক্ত করে ধরে রাখাই স্ত্রীর আসল পরীক্ষা।

স্বামীর মা-বাবাকে নিজের বাবা-মায়ের মতো দেখাটা একটা বড় গুণ। শ্বশুর-শাশুড়িকে সম্মান করলে স্বামীর চোখে স্ত্রীর মর্যাদা আকাশছোঁয়া হয়। স্বামীর পরিবারকে আপন করে নিতে পারলে সংসারে আর কোনো অশান্তি থাকে না। মনে রাখা দরকার, আপনি তার পরিবারকে ভালোবাসলে সে-ও আপনার পরিবারকে মাথায় করে রাখবে। ভালোবাসা তো একতরফা হয় না।

স্বামীর আমানত রক্ষা করা স্ত্রীর ঈমানি দায়িত্ব। তার অনুপস্থিতিতে ঘর ও সম্পদের হেফাজত করা এবং নিজের সতীত্ব বজায় রাখা—এগুলো ছাড়া সংসার টেকে না। বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করেই সম্পর্ক দাঁড়িয়ে থাকে। সন্দেহ বা লুকোচুরি থাকলে সেখানে ভালোবাসা বাঁচে না। স্বচ্ছ কাঁচের মতো সম্পর্ক গড়ে তোলাই স্ত্রীর লক্ষ্য হওয়া উচিত।

স্বামীকে সুন্দর পথে ডাকার দায়িত্বও স্ত্রীর। সে যদি ভুল পথে পা বাড়ায়, তবে তাকে বুঝিয়ে সঠিক পথে ফিরিয়ে আনা দরকার। শাসন করে না, বরং ভালোবাসা দিয়ে তাকে শুধরে দিতে হয়। একজন নেককার স্ত্রী স্বামীর জন্য দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ সম্পদ। তার সঙ্গ পেয়ে স্বামী যেন জান্নাতের পথে এগিয়ে যেতে পারে, সেই চেষ্টাই করা চাই।

স্বামীর প্রতি স্ত্রীর কর্তব্য নিয়ে ক্যাপশন

তোমার ভালো থাকাই আমার ভালো থাকার একমাত্র চাবিকাঠি।

সংসারের হাল ধরতে গিয়ে তোমার কাঁধটা যখন ভারী হয়, আমি তখন হাতটা বাড়িয়ে দিই।

আমার সবটুকু ভালোবাসা আর যত্ন দিয়ে তোমাকে আগলে রাখার নামই সংসার।

তোমার হাসিমুখ দেখার জন্য আমি হাজারটা কষ্ট সহ্য করতে রাজি।

কর্তব্য মনে করি না, তোমাকে ভালো রাখাটা আমার অন্তরের টান।

দিনশেষে তোমার প্রশান্তির কারণ হতে পারাই আমার সার্থকতা।

বিপদে ছায়ার মতো পাশে থাকার শপথ নিয়েছি সাতপাকে।

তোমার সেবা করার মাঝেই আমি আমার সুখের সন্ধান করি।

স্ত্রী হিসেবে আমার প্রথম কাজ হলো তোমার মনের খবর রাখা।

সংসারের চাকাটা সচল রাখতে তোমার পাশে আমিও সমান অংশীদার।

তোমার ক্লান্তি দূর করার জাদুকরী ক্ষমতা আমার হাতেই আছে।

শ্রদ্ধা আর ভালোবাসার মিশ্রণেই গড়ে তুলেছি আমাদের এই সুখের নীড়।

তোমার যেকোনো প্রয়োজনে সবার আগে আমাকেই পাবে পাশে।

আমার জান্নাত আমার স্বামী ইসলামিক ক্যাপশন

তোমার সন্তুষ্টির মাঝেই আমি আমার রবের সন্তুষ্টি খুঁজে ফিরি।

ইহকালের জীবনসঙ্গী হয়ে পরকালেও তোমার হাত ধরেই জান্নাতে যেতে চাই।

আল্লাহর কাছে হাজারো শুকরিয়া, তিনি আমাকে দ্বীনদার একজন স্বামী দিয়েছেন।

স্বামীর খেদমত করাটা আমার কাছে নফল ইবাদতের চেয়ে কম কিছু না।

তোমার মুখের হাসি দেখলে মনে হয় আল্লাহ আমার ওপর খুশি আছেন।

জান্নাতের চাবি আমার হাতে, কারণ আমি আমার স্বামীর অনুগত।

আমাদের ভালোবাসা হোক আল্লাহর জন্য, যা কখনো ফুরোবে না।

তোমার দিকে তাকালে আমার ঈমান আরও তাজা ও মজবুত হয়।

দ্বীনের পথে চলতে গিয়ে তুমি আমার সবচেয়ে বড় সহায়।

স্বামীর মনে কষ্ট দিয়ে কোনো ইবাদত কবুল হওয়ার আশা করি না।

আল্লাহর হুকুম মেনেই তোমাকে ভালোবেসেছি, তোমাতেই সমর্পিত আমি।

তোমার দোয়াই আমার পরকালের পাথেয় হয়ে থাকবে।

আমাদের এই পবিত্র বন্ধন জান্নাত পর্যন্ত অটুট থাকুক।

অর্ধাঙ্গিনী হিসেবে স্বামীর পাশে থাকার ক্যাপশন

তোমার জীবনের অর্ধেকটা জুড়ে আমার বসবাস, সুখে দুঃখে আমি আছি।

আমরা দুজন মিলে এক পরিপূর্ণ সত্তা, একে ছাড়া অন্য অচল।

তোমার চোখের জল মোছানো আর ঠোঁটে হাসি ফোটানোই আমার কাজ।

জীবনের এই দীর্ঘ পথচলায় আমি তোমার ছায়াসঙ্গী হয়ে থাকব।

তোমার সফলতার পেছনের গল্পে আমার নামটা থাকলেই আমি খুশি।

ঝড় এলেও হাত ছাড়ব না, শক্ত করে ধরে রাখব শেষ পর্যন্ত।

অর্ধাঙ্গিনী হিসেবে তোমার সব স্বপ্ন পূরণের সারথি হতে চাই।

তোমার দুঃখগুলো আমার, আর আমার সুখগুলো তোমার।

আমরা একে অপরের পরিপূরক, আলাদা করে ভাবার সুযোগ নেই।

জীবনের ক্যানভাসে আমরা দুজন একই রঙের আঁচড়ে আঁকা।

তোমার হোঁচট খাওয়া পথে আমিই হব তোমার লাঠি।

বাকিটা জীবন এভাবেই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে পার করে দিতে চাই।

তুমি আছ বলেই আমি পূর্ণ, আমি আছি বলেই তুমি নিশ্চিন্ত।

সংসারের রানী ও স্বামীর সেবিকা গর্বিত ক্যাপশন

আমার সাজানো সংসারে আমিই রানী, আর আমার স্বামীই রাজা।

স্বামীর সেবা করে যে শান্তি পাই, তা রাজপ্রাসাদেও মিলবে না।

ঘরকন্নার কাজে আমার কোনো ক্লান্তি নেই, আছে অফুরন্ত ভালোবাসা।

নিজের হাতে সংসার গুছিয়ে রাখার গর্বটা আমি তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করি।

সেবিকা হয়েও রানীর সম্মান পাই, এটাই আমার স্বামীর ভালোবাসা।

আমার হাতের রান্নায় তৃপ্তি পেলে তোমার মুখের হাসিটাই আমার পুরস্কার।

সংসারের প্রতিটি কোণায় আমার হাতের ছোঁয়া আর মমতা মিশে আছে।

নিজেকে সেবিকা ভাবতে লজ্জা পাই না, বরং অহংকার বোধ করি।

রানীর মতো শাসন করি, আবার দাসীর মতো সেবাও করি।

আমার ঘরটাই আমার সাম্রাজ্য, এখানে আমিই সর্বেসর্বা।

স্বামী আর সংসারের যত্ন নেওয়াটাই এখন আমার প্রধান ক্যারিয়ার।

তোমার পরিপাটি জামাকাপড় আর গুছানো ঘর আমারই কৃতিত্ব।

সেবা দিয়েই মন জয় করেছি, তাই তো আজ আমি এই হৃদয়ের রানী।

স্বামীর প্রতি স্ত্রীর কর্তব্য নিয়ে স্ট্যাটাস আইডিয়া

স্বামীর প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা আমার কাছে ভালোবাসার আরেক নাম।

দিনশেষে তার ক্লান্ত মুখটা মুছিয়ে দেওয়ার মাঝেই আমার সুখ নিহিত।

তার ভালো-মন্দ খেয়াল রাখাটা আমার কাছে বোঝা না, বরং তৃপ্তি।

স্বামীর সম্মানের চাদর আগলে রাখাই একজন স্ত্রীর প্রধান ব্রত।

তার হাসিমুখ দেখার জন্য নিজের ছোটখাটো শখ বিসর্জন দিতেও দ্বিধা নেই।

ভালোবাসার মানুষটার যত্ন নেওয়া আমার প্রতিদিনের রুটিন।

সংসার সুখের হয় যখন স্ত্রী তার স্বামীর ছায়া হয়ে থাকে।

স্বামীর সন্তুষ্টিতে স্ত্রীর জান্নাত ইসলামিক স্ট্যাটাস

ইহকালের সঙ্গী এবং পরকালের জান্নাত—আমার স্বামী।

স্বামীর আনুগত্য করার মাধ্যমেই আমি আল্লাহর নৈকট্য খুঁজি।

আমার জান্নাতের চাবিকাঠি লুকিয়ে আছে স্বামীর হাসিমুখের আড়ালে।

রাসূল (সা.) এর শিক্ষা মেনে স্বামীর সেবা করাই আমার ধর্ম।

স্বামীর পায়ের নিচে জান্নাত না থাকলেও, তার সন্তুষ্টিতে জান্নাত নিশ্চিত।

স্বামীর বিপদে পাশে থাকা স্ত্রীর প্রধান কর্তব্য স্ট্যাটাস

ঝড়ের দিনে স্বামীর হাতটা শক্ত করে ধরাই স্ত্রীর আসল পরীক্ষা।

সুদিনে তার রানী হয়েছি, দুর্দিনে তার ঢাল হব—এটাই প্রতিজ্ঞা।

পৃথিবী বিমুখ হলেও আমি তার পাশে ছায়ার মতো থাকব।

স্বামীর অসুস্থতায় সেবা করার সুযোগ পাওয়াটাও ভাগ্যের ব্যাপার।

বিপদ এলে ভয় না দেখিয়ে সাহস দেওয়াই আমার কাজ।

সব হারানো দিনেও আমি তার সবচেয়ে বড় শক্তি হয়ে থাকব।

স্বামীর চোখের জল মুছিয়ে দেওয়ার অধিকার একান্তই আমার।

স্বামীর মা-বাবাকে আপন করে নেওয়া স্ত্রীর দায়িত্ব স্ট্যাটাস

স্বামীর মা-বাবাকে নিজের করে নেওয়ার মাঝেই সংসারের আসল সৌন্দর্য।

শ্বশুর-শাশুড়ির সেবা করে স্বামীর মন জয় করা খুব সহজ।

অন্য বাড়ি থেকে এসেও এই মানুষগুলোকে নিজের মা-বাবার আসন দিলাম।

বৃদ্ধ বয়সে তাদের লাঠি হতে পারাটা আমার সৌভাগ্য।

স্বামীকে ভালোবাসলে তার জন্মদাতাদের ভালোবাসা আবশ্যিক।

যৌথ পরিবারের শান্তি বজায় রাখতে সবাইকে আপন করে নিলাম।

শাশুড়ি মায়ের মুখে হাসি ফোটালে আমার স্বামীর মনও ভরে ওঠে।

স্বামীর প্রতি স্ত্রীর কর্তব্য নিয়ে ছন্দ

দিন শেষে ফিরলে ঘরে হাসি মুখে রবো
তোমার ক্লান্তি ভুলিয়ে দিয়ে পাশে আমি হবো।

বিপদ আপদ আসলে পরে ঢাল হয়ে রবো
তোমার সুখের তরে আমি সব কিছু সবো।

স্বামীর সেবা করলে নাকি জান্নাত মেলে পায়
ইহকালে সুখ পরকালে শান্তি পাওয়া যায়।

রাগ অভিমান থাকলেও মনে মুখে দেবো হাসি
কাজের ফাঁকে বুঝিয়ে দেবো তোমায় ভালোবাসি।

তোমার মা বাবা আমারও তো আপনজন
তাঁদের সেবা করেই আমি জুড়াবো জীবন।

অসুখ হলে শিয়রে রই মাথায় বুলাই হাত
তোমার সুস্থতাতেই আমার কাটে কাল রাত।

আয় রোজগার যেমনই হোক তুষ্ট থাকাই ধর্ম
স্বামীর খুশিতেই আমার সকল পুণ্য কর্ম।

বাইরের জগৎ সামলে তুমি ঘরে ফিরো যখন
আমার আঁচল বিছিয়ে দেবো তোমার তরে তখন।

কটু কথা বলবো না তো নরম সুরে কই
তোর মনের মাঝেই আমি সারা জীবন রই।

পর্দা মেনে চলবো আমি রাখবো তোমার মান
আমার কাজেই বাড়বে দেখো সমাজের সম্মান।

সংসারের হাল ধরেছি দুজনে মিলে
সুখের তরী ভাসবে দেখো শান্তির ঝিলে।

ধৈর্য ধরে থাকবো পাশে সুদিন যেদিন আসবে
আমাদের এই ছোট্ট ঘরে সুখের পায়রা ভাসবে।

তোমার হুকুম শিরোধার্য দ্বিমত আমি করবো না
তোমাকে ছেড়ে অন্য কোথাও স্বর্গ আমি খুঁজবো না।

স্বামীর পায়ের নিচে নাকি স্ত্রীর বেহেশত রয়
এই কথাটি মেনেই আমার জীবন যেন হয়।

স্বামীর প্রতি স্ত্রীর কর্তব্য নিয়ে কবিতা

বাইরের ঝড় সামলে যখন ফিরবে তুমি ঘরে,
দেখবে আমি দাঁড়িয়ে আছি শান্তির দীপ ধরে;
ক্লান্তিগুলো ধুয়ে দেবো এক গ্লাস জলে,
স্বামীর সুখেই স্ত্রীর জীবন পূর্ণ হয়ে ফলে।

রাজা হতে চাই না আমি, চাই না হীরের হার,
তোমার সম্মানটুকু আগলে রাখাই আমার অলংকার;
বিপদ এলেই ঢাল হবো, থাকবো পাশে ছায়ার মত,
তোমার হাসিতেই শুকিয়ে যাক আমার বুকের সব ক্ষত।

সংসারের এই রথ চালাতে দুজনই তো চাকা,
একলা আমি নই তো কিছু, তুমি বিনে ফাঁকা;
তোমার কথায় সায় দিয়ে পথ চলি রোজ,
কর্তব্য তো ওটাই, রাখি তোমার মনের খোঁজ।

রাগ হলে চুপ করে রই, বাড়াই না আর কথা,
শান্ত হলে বুঝিয়ে বলি মনের যত ব্যথা;
ধৈর্য ধরাই নারীর ভূষণ, শিখিয়েছে মা আমার,
ঝগড়া করে কি লাভ বলো? প্রেমেই তো সংসার।

তোমার ঘামে ভিজে থাকা শার্ট যখন ধুই,
পরিশ্রমের গন্ধ পেয়ে শ্রদ্ধাতে মাথা নুই;
আমার জন্য খাটো তুমি, ঝরাও গায়ের রক্ত,
তোমার প্রতি ভালোবাসা তাই ইস্পাতের চেয়েও শক্ত।

সবার সামনে তোমার মান রাখব আমি উঁচুতে,
ভুল থাকলেও শুধরে দেবো আড়ালে, নিভৃতে;
স্ত্রী মানে তো অর্ধাঙ্গিনী, সম্মানেরই ভাগী,
তোমার জন্য সব ছাড়তে পারি আমি এক দাগি।

শুকনো রুটি জুটলে পাতে, ওটাই অমৃত মানি,
তোমার সাথে থাকলে আমার অভাব নেই তো জানি;
হাতটা ধরে রেখো শুধু শেষ বয়সের কালে,
বাকিটা পথ পাড়ি দেবো বিশ্বাসের এই পালে।

নামাজ শেষে হাত তুলে চাই তোমার দীর্ঘায়ু,
তুমি ছাড়া এই ভুবনে কে আছে আর বায়ু?
সেবা দিয়ে জয় করে নেবো তোমার ক্লান্ত মন,
স্ত্রী হিসেবে এটাই আমার জীবনের পন।

ঘরের কোণে প্রদীপ জ্বেলে অপেক্ষা করি রোজ,
তোমার পায়ের শব্দ পেলেই নিই খুশির খোঁজ;
কর্তব্য নয়, এটা যে আমার ভালোবাসার টান,
তুমি ভালো থাকলেই বাঁচে আমার এই প্রাণ।

স্বামীর প্রতি স্ত্রীর কর্তব্য ও কিছু কথা

সংসারের খুঁটি শক্ত রাখতে হলে স্বামীর ওপর বিশ্বাস রাখাটা সবচেয়ে বড় এবাদত।

তার রোজগারের টাকা কম হলেও বরকত আছে—এই ভরসা দিলে পুরুষ মানুষ পাহাড় ডিঙানোর সাহস পায়।

সবার সামনে তার দোষ না ধরে, আড়ালে বুঝিয়ে বলাটাই বুদ্ধিমতী স্ত্রীর লক্ষণ।

অহেতুক জেদ বা আবদার করে তাকে বিব্রত না করাও ভালোবাসার এক নীরব প্রকাশ।

বাইরের ঝগড়া ঘরে এনে পরিবেশ বিষাক্ত না করে, ঘরটাকে শান্তির নীড় বানানো উচিত।

তার পছন্দ-অপছন্দকে গুরুত্ব দিলে সম্পর্কটা আরও গভীর ও মায়াময় হয়ে ওঠে।

তুলনা করা বন্ধ করে তাকে তার মতো মেনে নিলেই সংসারে জান্নাতের সুখ মেলে।

রাগ সামলে হাসিমুখে কথা বলার অভ্যাস অনেক বড় ঝড় থামিয়ে দিতে পারে।

স্বামীর সাফল্যের পেছনে স্ত্রীর নীরব ত্যাগ ও অনুপ্রেরণা থাকে, যা দেখা যায় না।

Similar Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *