চরিত্রহীন পুরুষ নিয়ে ক্যাপশন: সেরা ২৩১+ স্ট্যাটাস আইডিয়া

একজন পুরুষের আসল সৌন্দর্য তার চেহারা বা পোশাকে নয়, বরং তার চরিত্রে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, আমাদের সমাজে এমন কিছু পুরুষ আছে যারা ভদ্রতার মুখোশ পরে থাকে, অথচ ভেতরটা কুৎসিত। এদের চিনে নেওয়া বড্ড কঠিন। আপনি কি বিশ্বাসভঙ্গকারী বা প্রতারক কোনো পুরুষকে নিয়ে মনের ক্ষোভ প্রকাশ করার জন্য চরিত্রহীন পুরুষ নিয়ে ক্যাপশন খুঁজছেন? তাহলে এই আর্টিকেলটি আপনার জন্যই। এখানে আমরা মুখোশধারী ও লম্পট পুরুষদের স্বরূপ উন্মোচন করার মতো সেরা সব স্ট্যাটাস ও ক্যাপশন সাজিয়েছি। পুরো লেখাটি শেষ পর্যন্ত দেখুন, আপনার মনের ঘৃণা ও বাস্তব অভিজ্ঞতার সাথে মিলে যাওয়া সেরা লাইনটি এখানেই অপেক্ষা করছে।

এখানে আপনি পাবেন

চরিত্রহীন পুরুষ নিয়ে উক্তি

অর্থ হারানো তুচ্ছ বিষয়, স্বাস্থ্য হারানো কিছুটা ক্ষতির কারণ; কিন্তু চরিত্র হারানো হলে জীবনের সবটুকু ধ্বংস হয়ে যায়। — বিলি গ্রাহাম

রূপ যৌবন থাকার পরেও যদি চরিত্র না থাকে, তবে সেই সৌন্দর্য বিষমিশ্রিত স্বর্ণের পাত্রের মতো—যা দেখতে সুন্দর হলেও প্রাণঘাতী। — চাণক্য

একজন পুরুষের প্রকৃত সৌন্দর্য তার চেহারায় থাকে না, বরং তার ব্যক্তিত্ব ও চরিত্রের মাঝেই আসল পরিচয় লুকিয়ে থাকে। — মহাত্মা গান্ধী

যে পুরুষ নারীর সম্মান দিতে জানে না, সে যত বড় বিত্তবানই হোক না কেন, দিনশেষে সে একজন দরিদ্র সত্তা। — সংগৃহীত

চরিত্রহীন মানুষ আর শিংহীন পশু—উভয়ের মাঝে কোনো পার্থক্য থাকে না। পশু স্বভাবের ঊর্ধ্বে উঠতে পারলেই মানুষ হওয়া যায়। — কনফুসিয়াস (ভাবার্থ)

একজন মানুষ হাসতে পারে, আবার হাসতে হাসতেই বিশ্বাসঘাতকতা করতে পারে। মুখের হাসি দেখে চরিত্র চেনা বড় দায়। — উইলিয়াম শেক্সপিয়ার

লোভ আর লালসা যে পুরুষের মজ্জাগত, তার কাছে বিশ্বাস বা ভালোবাসার আশা করা মরুভূমিতে জল খোঁজার সমান। — সংগৃহীত

কাচের আয়না ভেঙে গেলে যেমন জোড়া লাগে না, তেমনি চরিত্র একবার কলঙ্কিত হলে তা আর আগের মতো স্বচ্ছ করা যায় না। — লোকনাথ ব্রহ্মচারী

পাখি যেমন ডানা ছাড়া উড়তে পারে না, পুরুষও তেমনি চরিত্র ছাড়া সমাজে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে না। — সংগৃহীত

পুরুষের অলংকার হলো তার লজ্জাশীলতা ও সংযম। যার মাঝে এই গুণের অভাব, তার অন্য কোনো গুণই ধোপে টেকে না। — আল-হাদিস (ভাবার্থ)

চরিত্রহীনতাকে কেউ কেউ আধুনিকতা বলে চালিয়ে দিতে চায়। কিন্তু আবর্জনা সুগন্ধি মাখলেও তা আবর্জনাই থেকে যায়। — সংগৃহীত

যে পুরুষ নিজের প্রবৃত্তিকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না, সে পৃথিবীর কোনো কিছুকেই জয় করতে পারে না। — সক্রেটিস

ভালো বংশে জন্ম নেওয়া বড় কথা না, নিজের চরিত্রকে উন্নত রাখাই আভিজাত্যের আসল পরিচয়। — হযরত আলী (রা.)

আগুনে পুড়লে সোনা খাঁটি হয়, কিন্তু প্রলোভনে পড়লে পুরুষের আসল চরিত্র বেরিয়ে আসে। — সংগৃহীত

চরিত্রহীন পুরুষ নিয়ে ফেসবুক পোস্ট

মুখে মধু আর অন্তরে বিষ—এদের চেনা বড় দায়। শুরুতে এরা এমনভাবে মিশবে, যেন পৃথিবীতে আপনার চেয়ে আপন তাদের আর কেউ নেই। অথচ আড়ালে চলে আরেক খেলা। চরিত্রহীন পুরুষদের প্রধান অস্ত্র হলো মিথ্যা আশ্বাস। এরা স্বপ্নের দালান কোঠা বানায়, বিশ্বাস অর্জন করে, তারপর সুযোগ বুঝে সবকিছু ভেঙে চুরমার করে দেয়। এদের কাছে সম্পর্ক হলো সময়ের প্রয়োজন মেটানোর মাধ্যম। সাবধান হোন, চটকদার কথায় গলে যাওয়ার আগে মানুষটাকে যাচাই করুন।

একজন প্রকৃত পুরুষ কখনো একাধিক নারীর সাথে সম্পর্কে জড়ায় না। কিন্তু যাদের চরিত্রের ঠিক নেই, তারা এটাকে স্মার্টনেস ভাবে। পকেটে টাকা আর মুখে মিষ্টি কথা থাকলে নাকি সব জয় করা যায়—এই নোংরা মানসিকতা এদের মজ্জাগত। এরা ভুলে যায়, কারো বিশ্বাস নিয়ে খেলা করে সাময়িক আনন্দ পাওয়া গেলেও, দিনশেষে আয়নার সামনে নিজের নোংরা চেহারাটা ঠিকই ভেসে ওঠে। প্রকৃতির বিচার বড় নির্মম, অন্যের চোখের জল নিজের জীবনে অভিশাপ হয়ে ফিরে আসবেই।

নারীর সরলতার সুযোগ নেওয়া এদের পুরনো অভ্যাস। ‘আমার স্ত্রী আমাকে বোঝে না’ বা ‘আমি খুব একা’—এই ধরনের ডায়লগ দিয়ে এরা সহানুভূতি আদায় করে। অথচ খোঁজ নিলে দেখা যাবে, দিব্যি সংসার করছে অথবা একাধিক সম্পর্ক চালিয়ে যাচ্ছে। এই সহানুভূতি আদায়ের ফাঁদে পা দিলেই সর্বনাশ। মনে রাখবেন, যে পুরুষ নিজের বর্তমান সঙ্গীর বদনাম আপনার কাছে করে, সে নিশ্চিতভাবে আপনার বদনামও অন্যের কাছে করবে।

সৌন্দর্য বা বিত্তবৈভব দেখে মানুষ চেনা যায় না, মানুষ চিনতে হয় তার ব্যবহার আর সততা দিয়ে। চরিত্রহীনরা সাধারণত খুব পরিপাটি হয়, কথায় থাকে সম্মোহনী শক্তি। কিন্তু এদের চোখের দিকে তাকালে এক ধরনের ধূর্ততা নজরে পড়ে। এরা নারীর শরীর চেনে, কিন্তু মন চেনে না। এদের থেকে হাজার হাত দূরে থাকাই শ্রেয়। কারণ এরা আপনার জীবন থেকে শান্তি কেড়ে নিয়ে আপনাকে জীবন্ত লাশ বানিয়ে ছাড়বে।

বিশ্বাস একবার ভাঙলে তা আর জোড়া লাগে না, কাঁচের মতো চুরমার হয়ে যায়। চরিত্রহীন পুরুষরা সেই কাঁচের টুকরো দিয়ে নারীর হৃদয় ক্ষতবিক্ষত করে। এরা সম্পর্কের পবিত্রতা বোঝে না, বোঝে ভোগের নেশা। এক নারী থেকে অন্য নারীতে আসক্ত হওয়াই এদের স্বভাব। এদের জন্য কেঁদে লাভ নেই, বরং এদের জীবন থেকে ঝেড়ে ফেলে দেওয়াই সত্যিকারের প্রতিশোধ। নিজেকে ভালোবাসুন, এমন সস্তা মানুষের জন্য নিজের দামী জীবন নষ্ট করবেন না।

সমাজ সবসময় মেয়েদের দিকেই আঙুল তোলে, ছেলেদের দোষগুলো এড়িয়ে যায়। কিন্তু একটা নষ্ট চরিত্রের পুরুষ যে কতগুলো মেয়ের জীবন ধ্বংস করতে পারে, তার হিসাব কেউ রাখে না। এরা সমাজের পোকা। এদের মুখোশ খুলে দেওয়া দরকার। চুপ থেকে এদের সাহস না বাড়িয়ে বরং প্রতিবাদ করুন। আপনার নীরবতা এদের আরও বেপরোয়া করে তোলে।

ভালোবাসা কোনো খেলা না, কিন্তু চরিত্রহীনদের কাছে এটাই সবচেয়ে প্রিয় খেলা। এরা বাজি ধরে প্রেম করে, জেতার পর ছুড়ে ফেলে দেয়। এদের কাছে নারীর আবেগের কোনো মূল্য নেই। এরা সব সময় নিজেদের স্বার্থ বোঝে। এদের চিনতে ভুল করলে সারা জীবন পস্তাতে হবে। তাই অন্ধের মতো বিশ্বাস না করে চোখ-কান খোলা রাখা জরুরি।

হাতের রেখায় ভাগ্য থাকে কি না জানি না, তবে কপালের লিখন খণ্ডানো দায়। ভুল মানুষের পাল্লায় পড়লে জীবনটা নরক হতে সময় লাগে না। চরিত্রহীন পুরুষরা নরকের দূত হয়ে জীবনে আসে। শুরুতে স্বর্গীয় সুখের প্রলোভন দেখায়, শেষে নরকের আগুনে পোড়ায়। এদের থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় হলো নিজের আত্মসম্মানবোধ বজায় রাখা এবং সন্দেহজনক আচরণ দেখলেই সরে আসা।

পুরুষের চরিত্র তার বংশের পরিচয় বহন করে। যে ছেলে নারীকে সম্মান দিতে জানে না, সে আর যা-ই হোক, ভালো মানুষ হতে পারে না। চরিত্রহীনরা নারীদের পণ্য মনে করে। এদের সংসর্গ বিষাক্ত সাপের চেয়েও ভয়ঙ্কর। সাপ তো ছোবল মারার আগে ফণা তোলে, কিন্তু এরা হাসতে হাসতে ছোবল মারে। তাই এদের মিষ্টি কথায় ভুলবেন না।

কিছু পুরুষ আছে যারা শিকারি মানসিকতার। নতুন নতুন সম্পর্ক তৈরি করা এদের নেশা। এক ঘাটের জল খেয়ে তৃষ্ণা মেটে না এদের। এরা মানসিক বিকারগ্রস্ত। এদের চিকিৎসা হওয়া দরকার, প্রেম নয়। এদের পাল্লায় পড়ে যারা নিজেদের শেষ করে দিচ্ছেন, তাদের বলছি—এরা কারো হওয়ার যোগ্যতা রাখে না। এদের জন্য চোখের জল ফেলা মানে নিজের অস্তিত্ব অপমান করা।

ধর্ম বা ভদ্রতার মুখোশ পরে এরা সমাজে ঘুরে বেড়ায়। অথচ আড়ালে এদের রূপ ভয়ংকর। সোশ্যাল মিডিয়ায় জ্ঞানগর্ভ স্ট্যাটাস দেয়, আর ইনবক্সে নোংরা প্রস্তাব পাঠায়। এই ভণ্ডদের চিনে রাখা দরকার। ভার্চুয়াল জগতের চটকদার প্রোফাইল দেখে প্রেমে পড়বেন না। বাস্তবতা আর ভার্চুয়াল জগত এক না-ও হতে পারে।

চরিত্রহীন পুরুষদের জীবনে কোনো স্থায়িত্ব নেই। এরা যাযাবরের মতো এক মন থেকে অন্য মনে ঘুরে বেড়ায়। এদের শেষ পরিণতি কখনোই ভালো হয় না। একাকীত্ব আর গ্লানি এদের শেষ বয়সের সঙ্গী হয়। তাই এদের দেখে ঈর্ষা বা কষ্ট পাওয়ার কিছু নেই। বরং আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করুন যে, এমন মানুষের হাত থেকে আপনি রক্ষা পেয়েছেন।

নারীর দুর্বল মুহূর্তের সুযোগ নেওয়া কাপুরুষের কাজ। অথচ চরিত্রহীনরা এটাকে নিজেদের বিজয় ভাবে। এরা ভুলে যায়, পাপ কখনো চাপা থাকে না। আজ আপনি যাকে ঠকিয়ে হাসছেন, কাল সেই কান্না আপনার দরজায় কড়া নাড়বে। প্রকৃতির আদালত থেকে কেউ রেহাই পায় না।

‘আমি তোমাকে ছাড়া বাঁচব না’—এই কথাটা এরা ডজনখানেক মেয়েকে বলে। কপি-পেস্ট করা আবেগ আর মেকি কান্না এদের প্রধান হাতিয়ার। এদের নাটুকেপনা অস্কার পাওয়ার যোগ্য। সরল মনে এদের বিশ্বাস করলেই ঠকবেন। বুদ্ধিমান নারী কখনো আবেগের বশবর্তী হয়ে সিদ্ধান্ত নেয় না, বরং যুক্তি দিয়ে মানুষ বিচার করে।

চরিত্রহীন মানুষগুলো কখনো ভালো স্বামী বা বাবা হতে পারে না। এরা পরিবারের জন্যও অভিশাপ। বাইরের মানুষের কাছে ভালো সাজলেও ঘরের মানুষ এদের আসল রূপ জানে। তাই বিয়ের আগে পাত্রের খোঁজখবর নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। টাকা বা চাকরি দেখে মেয়ে বিয়ে দেবেন না, আগে ছেলে মানুষ হিসেবে কেমন তা যাচাই করুন।

চরিত্রহীন পুরুষ নিয়ে ক্যাপশন

চরিত্র জিনিসটা দামী, সস্তা পুরুষের সাধ্যের বাইরে।

যে পুরুষ সবার হতে চায়, তাকে আমার দরকার নেই।

সুন্দর চেহারার আড়ালে কুৎসিত মন নিয়ে চলাফেরা করাটাই এদের স্বভাব।

বিশ্বস্ততা এদের রক্তে নেই, আছে কেবল বিশ্বাসঘাতকতা।

পুরুষের সৌন্দর্য তার চরিত্রে, চেহারায় না।

এক নারীতে আসক্ত থাকাটা পুরুষের আভিজাত্য, যা তোমার নেই।

লোভী পুরুষ কখনো কারো আপন হতে পারে না।

যার চরিত্র ঠিক নেই, তার কোনো কিছুই ঠিক নেই।

ভদ্রতার মুখোশ পরে আসলে তুমি একটা জানোয়ার।

নারীর সম্মান যারা বোঝে না, তারা পুরুষ নামের কলঙ্ক।

তোমার মতো পুরুষের জন্য ঘৃণা ছাড়া আর কিছুই অবশিষ্ট নেই।

চরিত্রহীনতা কোনো ভুল না, এটা একটা নিচু মানসিকতা।

যে ডালে ডালে ঘোরে, তার জন্য আমার দরজা চিরতরে বন্ধ।

তোমার আসল রূপ দেখার পর নিজেকে বড্ড অপরাধী মনে হয়।

চরিত্রহীন পুরুষ কখনো ভালো প্রেমিক বা স্বামী হতে পারে না।

চরিত্রহীন পুরুষের জন্য ঘৃণা ও অবহেলার ক্যাপশন

তোমাকে ঘৃণা করাও আমার সময়ের অপচয় ছাড়া আর কিছু না।

আমার অবহেলাই তোমার প্রাপ্য, ভালোবাসা না।

তোমার নামটা মনে করলেই ঘৃণায় গা গুলিয়ে ওঠে।

জীবন থেকে আবর্জনা পরিষ্কার করে এখন বেশ ভালো আছি।

তোমার মতো মানুষের ছায়াও মাড়াতে চাই না আর।

ঘৃণা করার যোগ্যতাও তুমি হারিয়ে ফেলেছ।

বিশ্বাসঘাতকের জন্য মনে কোনো দয়া রাখা বোকামি।

তোমার অস্তিত্ব আমার কাছে এখন মৃতপ্রায়।

আমার নীরবতাই তোমার প্রতি সবচেয়ে বড় চড়।

তোমার দিকে তাকানোর রুচিও আমার হারিয়ে গেছে।

যে মানুষটা ঠকাতে জানে, তাকে ঘৃণা ভরে প্রত্যাখ্যান করলাম।

তোমার স্মৃতিগুলো ডাস্টবিনে ফেলার মতো আবর্জনা।

বেইমান কখনো ক্ষমার যোগ্য হতে পারে না।

তোমার জন্য এক ফোঁটা চোখের জল ফেলাও পাপ।

আমার ঘৃণার আগুনেই তোমার অহংকার পুড়ে ছাই হবে।

মিথ্যে ভালোবাসার অভিনয় করা পুরুষের ক্যাপশন

সেরা অভিনেতার পুরস্কারটা নিঃসন্দেহে তোমারই পাওয়া উচিত।

ভালোবাসা তোমার কাছে শুধুই সময় কাটানোর মাধ্যম ছিল।

নাটক শেষ, এখন মঞ্চ ছেড়ে বেরিয়ে যাও।

তোমার মিথ্যে মায়ার জালে আর ধরা দেব না।

বিশ্বাস নিয়ে খেলা করাটা তোমার পুরনো অভ্যাস।

মন নিয়ে খেলার শাস্তিটা প্রকৃতিই তোমাকে দেবে।

প্রেমের নামে প্রতারণা করাটা তোমার পেশা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তোমার চোখে যে ভালোবাসা দেখেছি, সেটা আসলে ছলনা ছিল।

অভিনয় করতে করতে নিজের আসল সত্তাটাই হারিয়ে ফেলেছ।

আমার সরলতাকে তুমি দুর্বলতা ভেবে ভুল করেছ।

মিথ্যে স্বপ্ন দেখিয়ে মাঝপথে হাত ছেড়ে দেওয়া তোমার ধর্ম।

ভালোবাসার অপমান করে তুমি নিজেকেই ছোট করেছ।

তোমার এই সস্তা প্রেমের নাটকে আমি আর নেই।

ঠকিয়ে তুমি জিততে পারোনি, বরং আমাকে চিনিয়ে দিয়েছ।

তোমার মিথ্যে প্রতিশ্রুতির মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে।

মুখোশধারী ভদ্রলোক ও তার আসল চরিত্রের ক্যাপশন

দিনে সাধু আর রাতে শয়তান, এটাই তোমার আসল পরিচয়।

ভদ্রতার মুখোশ খুলে গেলেই বেরিয়ে আসে এক কুৎসিত চেহারা।

বাইরে ফিটফাট, ভেতরে সদরঘাট—কথাটা তোমার জন্যই প্রযোজ্য।

সমাজ তোমাকে ভদ্রলোক ভাবলেও আমি তোমার আসল রূপ জানি।

তোমার মতো ভণ্ড সাধুদের থেকে দূরে থাকাই নিরাপদ।

মিষ্টি কথার আড়ালে লুকিয়ে রাখা বিষটা এখন স্পষ্ট।

ভদ্রবেশী শয়তানগুলো সমাজের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর।

মানুষ ঠকিয়ে সাধু সাজার চেষ্টা করো না।

তোমার দ্বিমুখী আচরণ দেখলে রুচিতে বাধে।

সত্যিটা প্রকাশ পেলেই তোমার ভদ্রতার বেলুন ফুটো হয়ে যাবে।

শয়তানেরও লজ্জা হবে তোমার ভণ্ডামি দেখলে।

বাইরের চাকচিক্য দিয়ে ভেতরের নোংরামি ঢাকা যায় না।

তোমার মতো মুখোশধারী মানুষ বিষাক্ত সাপের চেয়েও ভয়ঙ্কর।

সাধু সেজে পাপ কাজ করাটা তোমার পুরনো স্বভাব।

চরিত্রহীন পুরুষ নিয়ে স্ট্যাটাস আইডিয়া

পুরুষ হয়ে জন্মানো সহজ, কিন্তু চরিত্রবান পুরুষ হওয়া কঠিন সাধ্যের ব্যাপার।

পকেটের টাকা দিয়ে আভিজাত্য কেনা যায়, কিন্তু চরিত্র কেনা অসম্ভব।

রাস্তার কুকুরও মালিকের প্রতি বিশ্বস্ত থাকে, কিন্তু কিছু পুরুষ কুকুরের চেয়েও অধম।

চরিত্র যার ঠিক নেই, তাকে সম্মান করা আর ড্রেনের জলে স্নান করা একই কথা।

সমাজের আবর্জনা পরিষ্কার করা যায়, কিন্তু নোংরা মানসিকতার পুরুষদের পরিষ্কার করা অসম্ভব।

যাদের রক্তের দোষ আছে, তাদের কাছে বিশ্বস্ততা আশা করা বোকামি।

চরিত্রহীন পুরুষ মানুষ নামের কলঙ্ক, এদের ছায়া মাড়াতেও ঘৃণা লাগে।

লোভী আর লম্পট পুরুষদের স্থান ডাস্টবিনে হওয়াই বাঞ্ছনীয়।

যার চরিত্র নেই, তার বেঁচে থাকা আর মরে যাওয়া সমান কথা।

নিজের চরিত্র ঠিক নেই, অথচ নারীর চরিত্র নিয়ে কথা বলতে লজ্জা করে না।

শিক্ষা মানুষকে ভদ্র করে, কিন্তু চরিত্রহীনদের মানুষ করতে পারে না।

পুরুষ নামের নরপিশাচদের চিনে রাখুন, এরা সমাজের বিষফোড়া।

সুন্দর চেহারার আড়ালে চরিত্রহীন পুরুষের আসল রূপ নিয়ে স্ট্যাটাস

দেখতে রাজপুত্রের মতো হলেও ভেতরটা যে আস্ত শয়তানের কারখানা।

দামী পোশাকের আড়ালে নোংরা মনটা ঢেকে রাখা যায় না বেশিদিন।

চেহারার চাকচিক্য দেখে গলে যেও না, বিষাক্ত সাপের গায়ের রঙও সুন্দর হয়।

সুন্দর চেহারা ধুয়ে কি জল খাব, যদি চরিত্রের ঠিক না থাকে?

বাইরে ফেরেশতার রূপ ধরে থাকলেও ভেতরে শয়তানের বসবাস।

মেকআপ দিয়ে চেহারা সুন্দর করা যায়, কিন্তু নোংরা চরিত্র ঢাকার মেকআপ নেই।

সুন্দর চেহারার আড়ালে লুকিয়ে থাকা পিশাচগুলোই সবচেয়ে বেশি ভয়ঙ্কর।

রূপের বড়াই করে লাভ নেই, যদি মনের ভেতরটা কুৎসিত হয়।

গোলাপ দেখতে সুন্দর হলেও তার গায়ে কাঁটা থাকে, আর এদের গায়ে থাকে বিষ।

চকচকে হীরা ভেবে কাঁচের টুকরো কুড়িয়েছিলাম, হাত কেটে রক্ত বের হলো।

চেহারা সুন্দর হওয়ার চেয়ে মন সুন্দর হওয়া হাজার গুণ জরুরি।

সুন্দর মুখের জয়গান সবাই গায়, কিন্তু কুৎসিত মনের খবর কেউ রাখে না।

চরিত্রহীন পুরুষের মিষ্টি কথার ফাঁদ ও বাস্তবতা নিয়ে স্ট্যাটাস

মুখে মধুর হাড়ি আর অন্তরে বিষের খনি, এদের থেকে সাবধান।

মিথ্যে কসম খেতে এদের জিভ একটুও কাঁপে না।

মিষ্টি কথার ফাঁদে ফেলে সর্বস্ব লুটে নেওয়াই এদের পেশা।

কথার জাদুতে বিশ্বাস স্থাপন করে কত নারী যে সর্বস্বান্ত হয়েছে!

সাপের বিষের চেয়েও ভয়ঙ্কর হলো চরিত্রহীন পুরুষের মিষ্টি কথা।

মুখে মধু অন্তরে বিষ, এদের চিনে রাখা খুব জরুরি।

ভালোবাসার নাটক করে শরীর ভোগ করাই এদের আসল উদ্দেশ্য।

মিষ্টি কথায় ভুলে যেও না, কারণ বাঘও শিকার করার আগে চুপ থাকে।

এদের মুখের কথা আর কাজের মধ্যে আকাশ পাতাল তফাৎ।

জাদুকর যেমন চোখের পলকে ধোঁকা দেয়, এরাও কথার প্যাঁচে ধোঁকা দেয়।

বিশ্বাস অর্জন করে পিঠে ছুরি মারতে এদের হাত কাঁপে না।

শয়তানও এদের কাছে মিথ্যা বলা আর অভিনয় করার ট্রেনিং নেয়।

এক নারী তে সন্তুষ্ট না থাকা পুরুষদের নিয়ে কড়া স্ট্যাটাস

এক ফুলে যাদের মন ভরে না, তারা মানুষ নামের কলঙ্ক।

সস্তা মানসিকতার পুরুষরাই নারীদের পণ্য মনে করে।

বিশ্বস্ততা খুব দামী জিনিস, সস্তা চরিত্রের পুরুষদের কাছে তা আশা করা বোকামি।

আজ একে ভালো লাগে তো কাল ওকে, এদের স্বভাব কোনোদিন বদলায় না।

যাযাবরের মতো মন বদলানো পুরুষদের প্রেমিক হওয়ার যোগ্যতা নেই।

লম্পট স্বভাবের পুরুষরাই একাধিক নারীর সঙ্গ খোঁজে।

এক নারীতে আসক্ত থাকাটা পুরুষত্বের পরিচয়, দুর্বলতা না।

যাদের চরিত্র ঘাটের নৌকার মতো, সবার জন্য উন্মুক্ত।

বহুগামী পুরুষদের ঘৃণা করাটাও সময়ের অপচয়।

নিজের স্ত্রীর প্রতি বিশ্বস্ত থাকতে পারে না যারা, তারা কাপুরুষ।

লোভী চোখের পুরুষদের কাছে নারী হলো ভোগের বস্তু।

নদীতে যেমন অনেক ঘাট থাকে, এদের মনেও থাকে অনেক নারীর আনাগোনা।

একজন নারীকে সম্মান দিতে পারে না যে, সে হাজার নারীর সঙ্গ পেলেও অতৃপ্ত থাকে।

একাধিক প্রেমিকা রাখাটা এখনকার যুগে কিছু পুরুষের ফ্যাশন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিশ্বাসভঙ্গকারী ও চরিত্রহীন প্রেমিকের মুখোশ খোলার স্ট্যাটাস

বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে পিঠে ছুরি মারা কাপুরুষের কাজ।

মুখোশ খুলে গেছে, এখন তোমার আসল রূপ দেখে ঘৃণা হচ্ছে।

তোমাকে বিশ্বাস করেছিলাম বলেই আজ ঠকতে হলো।

আজ আমাকে কাঁদিয়েছ, প্রকৃতির বিচার থেকে তুমিও রেহাই পাবে না।

প্রতারক প্রেমিক হওয়ার চেয়ে আজীবন একা থাকা অনেক সম্মানের।

তোমার মতো বেইমানকে ভালোবাসাটা ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল।

বিশ্বাস ভেঙে প্রমাণ করলে, তুমি ভালোবাসার যোগ্য ছিলে না।

অভিনয় শেষ হলো, এবার বিদায় নাও আমার জীবন থেকে।

ঠকিয়ে নিজেকে চালাক ভেবো না, ওপরওয়ালা সব দেখছেন।

তোমার দেওয়া আঘাতগুলো আমাকে মানুষ চিনতে শিখিয়েছে।

বেইমান কখনো কারো আপন হতে পারে না, তুমিও পারনি।

ভালোবাসার নামে নোংরামি করেছ, এর শাস্তি তোমাকেই পেতে হবে।

তোমার স্মৃতির প্রতিও এখন আর কোনো মায়া অবশিষ্ট নেই।

চরিত্রহীন পুরুষ নিয়ে ছন্দ

ভদ্র সাজো সমাজের চোখে আড়ালেতে পাপ
তোমার মতো পুরুষের ভাই বাড়ুক মনস্তাপ।

নারীর মন নিয়ে খেলা এটাই তোমার কাজ
চরিত্রহীন পুরুষ তুমি নাই তো কোনো লাজ।

ঘরে বউ রেখে বাইরে খুঁজছ নতুন রস
তোমার পাপের ঘড়া পূর্ণ হবে একদিন ধস।

এক ঘাটেতে জল খেয়ে ভাই আরেক ঘাটে যাও
তোমার মতো লম্পটকে ধিক্কার দিয়ে দাও।

মুখে মধু অন্তরে বিষ চিনবে তোমায় কে?
তোমার পাপের বিচার হবে দেখবে সেদিন সে।

বিশ্বাসটা পণ্য ভেবে করছ কেনাবেচা
তোমার চরিত্রটা ভাই নর্দমাতেই যাচা।

রূপের মোহে অন্ধ হয়ে ঘুরছ দ্বারে দ্বারে
চরিত্রহীন তকমাটা ভাই জুটবে বারে বারে।

সতী সাধ্বী নারী খোঁজো নিজে তো শয়তান
তোমার মতো পুরুষের ভাই নাই তো কোনো মান।

প্রেমের নাটক করে তুমি ভাঙছ কত ঘর
দিন শেষে ভাই তুমিও তো হবে কারোর পর।

লুকিয়ে চুরিয়ে পাপের কাজ করছ অবিরাম
তোমার কপালে জুটবে শেষে কলঙ্কিত নাম।

নারী দেহ ভোগপণ্য এটাই তোমার মত
তোমার বুকে বিঁধবে একদিন অভিশাপের ক্ষত।

টাকার গরমে চরিত্রটা দিলে বিসর্জন
ঘৃণা ছাড়া পাবে না ভাই আর তো কিছু ধন।

ভণ্ডামির ওই মুখোশ খুলে দাঁড়াও দেখি আজ
সমাজ তোমায় থুতু দেবে বন্ধ হবে সাজ।

পরনারীতে আসক্ত মন ঘরে জ্বালায় আগুন
তোমার বিচার করবে বিধি ওরে পাপিষ্ঠ গুণ।

চরিত্র যার ঠিক নাই ভাই সে কিসের পুরুষ?
তোমার ছায়াও বিষাক্ত খুব যেন কালপুরুষ।

চরিত্রহীন পুরুষ ও কিছু কথা

সুন্দর চেহারার আড়ালে কুৎসিত মন নিয়ে চলা মানুষগুলোই সমাজের সবচেয়ে বড় মুখোশধারী।

এরা নারীর সম্মানকে খেলনা মনে করে, প্রয়োজন ফুরোলে ছুড়ে ফেলতেও হাত কাঁপে না।

ভালোবাসার দোহাই দিয়ে এরা আসলে নিজের ভোগের লালসা চরিতার্থ করতে ব্যস্ত থাকে।

ভুল স্বীকার করার সৎ সাহস এদের থাকে না, উল্টো সঙ্গীর ওপর দোষ চাপিয়ে নিজেকে সাধু সাজায়।

এদের শোধরানোর আশা করা আর বিষধর সাপকে বিশ্বাস করে কোলে তুলে নেওয়া একই বোকামি।

প্রতারণা এদের কাছে কোনো অপরাধ না, বরং ওটা তাদের মজ্জাগত অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।

আত্মসম্মান বিসর্জন দিয়ে এদের সাথে সংসার করার চেয়ে একা থাকা ঢের স্বস্তির।

নারীর দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে তাকে মানসিকভাবে পঙ্গু করে দিতে এরা ওস্তাদ।

এদের চোখের দিকে তাকালে ভালোবাসার গভীরতা না, ছলনার ছায়া স্পষ্ট দেখা যায়।

ধরা পড়ার পর এদের কান্না বা অনুশোচনা আসলে নতুন কোনো নাটকের মহড়া ছাড়া আর কিছু না।

দেরিতে হলেও এদের চিনতে পারাটা আসলে বড় কোনো বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার ইঙ্গিত।

বিষাক্ত সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসাটাই এদের গালে দেওয়া সবচেয়ে বড় চড়।

প্রকৃতি কাউকে ছাড়ে না, অন্যের জীবন নষ্ট করার মাশুল এদের একদিন কড়ায়-গণ্ডায় দিতেই হয়।

Similar Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *