হরে কৃষ্ণ ক্যাপশন: সেরা ৪৭৮+ স্ট্যাটাস আইডিয়া
হরে কৃষ্ণ নাম জপ করলে হৃদয়ের দর্পণ পরিষ্কার হয়, আর তখনই মানুষ নিজের স্বরূপ দেখতে পায়। — শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু
কৃষ্ণের নাম আর কৃষ্ণ অভিন্ন; নাম জপ করা আর কৃষ্ণের সঙ্গ লাভ করা একই কথা। — শ্রীল প্রভুপাদ
জিহ্বা দিয়ে কৃষ্ণ নাম উচ্চারণ করাই হলো জিহ্বার সার্থকতা, বাকি সব ব্যর্থ প্রলাপ। — ভক্তিবিনোদ ঠাকুর
সংসার দাবানলে দগ্ধ জীবের একমাত্র শান্তি হলো হরিনাম সংকীর্তন। — নরোত্তম দাস ঠাকুর
ধনসম্পদ বা জনবল মানুষকে বাঁচাতে পারে না, অন্তিম সময়ে কৃষ্ণ নামই একমাত্র ভরসা। — শ্রীল ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুর
হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র হলো গোলক ধামের প্রেমধন, যা বিনে পয়সায় পৃথিবীতে বিলিয়ে দেওয়া হয়েছে। — লোচন দাস ঠাকুর
সূর্য উদয় হলে যেমন অন্ধকার থাকে না, কৃষ্ণ নাম হৃদয়ে প্রবেশ করলে অজ্ঞানতা থাকে না। — শ্রীমদভাগবত
নাম জপ করার সময় মনকে স্থির রাখাই হলো সাধনা, আর এই সাধনাই ভগবানের কাছে পৌঁছানোর সিড়ি। — সনাতন গোস্বামী
কৃষ্ণ নাম চিন্তামণির মতো, ভক্ত যা চায় নাম তাকে তাই প্রদান করে। — রূপ গোস্বামী
মুখের কথায় নয়, হৃদয়ের আকুলতা মিশিয়ে কৃষ্ণকে ডাকলে তিনি সাড়া দেবেনই। — জগন্নাথ দাস বাবাজী
হরিনাম হলো এমন এক ওষুধ, যা জন্ম-মৃত্যুর চক্র থেকে জীবকে চিরতরে রোগমুক্ত করে। — বৃন্দাবন দাস ঠাকুর
হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র হলো কলিযুগের একমাত্র তারক ব্রহ্ম নাম উক্তি
সত্য, ত্রেতা বা দ্বাপরের মতো কঠোর সাধনা এখন আর সম্ভব না, তাই তো কলিযুগের মানুষের উদ্ধারের জন্য সহজ পথ হলো নাম সংকীর্তন। শাস্ত্র বলে, এই ষোল নাম বত্রিশ অক্ষর জপ করলেই জীবের মুক্তি সুনিশ্চিত।
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে, হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে—এই ষোল নাম কলুষনাশক। — কলিসন্তরন উপনিষদ
কলিযুগে নামযজ্ঞই হলো শ্রেষ্ঠ যজ্ঞ, এর চেয়ে বড় কোনো ধর্ম নেই। — শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু
বেদ, পুরাণ আর উপনিষদ মন্থন করে ঋষিরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে, হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্রই কলির জীবের একমাত্র গতি। — ব্যাসদেব
হাজারটা অশ্বমেধ যজ্ঞ করেও যে ফল পাওয়া যায় না, একবার ভক্তিভরে মহামন্ত্র জপ করলে তার চেয়ে বেশি ফল মেলে। — স্কন্দ পুরাণ
কলিযুগের দোষ সমুদ্রের মতো বিশাল, কিন্তু এর একটি মহান গুণ হলো—কীর্তনেই মুক্তি লাভ হয়। — শুকদেব গোস্বামী
সত্য যুগে ধ্যানে, ত্রেতায় যজ্ঞে এবং দ্বাপরে পূজায় যা মিলত, কলিতে তা কেবল হরিনাম জপেই মেলে। — বিষ্ণু পুরাণ
অন্য কোনো মন্ত্র বা তন্ত্র কলিযুগের মানুষের পাপ মোচন করতে সক্ষম না, একমাত্র হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্রই পারে। — ব্রহ্মনারদীয় পুরাণ
যিনি কৃষ্ণ নাম জপেন তিনি সর্বদা আনন্দে থাকেন উক্তি
দুঃখের সাগরে ভাসতে ভাসতে আমরা সুখ খুঁজি, অথচ আসল সুখ যে নামগানের ভেতরেই লুকিয়ে আছে তা বুঝিনা। ভক্তের হৃদয়ে যখন নামের ধ্বনি বাজে, তখন দুনিয়ার কোনো অভাব বা অভিযোগ তাকে স্পর্শ করতে পারে না।
যে ব্যক্তি হরিনাম আশ্রয় করেছে, শোক বা ভয় তাকে স্পর্শ করতে পারে না। — প্রহ্লাদ মহারাজ
কৃষ্ণ নাম জপে যে আনন্দ পাওয়া যায়, ব্রহ্মানন্দ তার কাছে এক বিন্দু জলের সমান। — শ্রীচৈতন্য চরিতামৃত
ভক্তের আনন্দ কোনো জাগতিক পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে না, তার আনন্দ নামের ভেতরেই থাকে। — শ্রীল প্রভুপাদ
মুখে কৃষ্ণ নাম আর চোখে আনন্দাশ্রু—এর চেয়ে বড় ঐশ্বর্য ত্রিভুবনে আর নেই। — ভক্তিবিনোদ ঠাকুর
দুঃখের সাগরে থেকেও পদ্মপাতার মতো ভেসে থাকার শক্তি দেয় এই কৃষ্ণ নাম। — রঘুনাথ দাস গোস্বামী
নামের অমৃত যে পান করেছে, বিষের মতো বিষয়-বাসনা তার কাছে তুচ্ছ লাগে। — নরোত্তম দাস ঠাকুর
কৃষ্ণ ভক্ত কখনো দরিদ্র হতে পারে না, কারণ তার কাছে নামের অমূল্য রত্ন আছে। — শ্রীনিবাস আচার্য
যে জিহ্বায় কৃষ্ণ নাম থাকে, সেই জিহ্বা সর্বদা অমৃতের স্বাদ পায়। — বিশ্বনাথ চক্রবর্তী ঠাকুর
প্রকৃত সুখ ইন্দ্রিয় তৃপ্তিতে নেই, প্রকৃত সুখ আছে গোবিন্দ নাম সংকীর্তনে। — গৌরাঙ্গ মহাপ্রভু
হরে কৃষ্ণ স্ট্যাটাস ও ক্যাপশন
কৃষ্ণ নামের সুধা পানেই মেটে অন্তরের তৃষ্ণা।
হৃদয়ের মন্দিরে গোবিন্দকে বসিয়েছি, আর কোনো চিন্তা নেই।
পাখির ডাকের আগেই কৃষ্ণ নাম নিয়ে ঘুম ভাঙুক।
ভোরের স্নিগ্ধতা আর হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র—দিনটা ভালো যাবেই।
গলার এই তুলসী মালাই আমার রক্ষাকবচ, আমার অহংকার।
ললাটে তিলক আর মুখে নাম—এটাই বৈষ্ণবের সিগনেচার।
হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্রই আমার মানসিক প্রশান্তির চাবিকাঠি।
চারপাশের এই জগতটা ভোজবাজি, কৃষ্ণ নামই ধ্রুব।
ইসকনের পতাকাতলে আমরা সবাই এক পরিবারের সদস্য।
লজ্জা ভুলে দুহাত তুলে বলো হরে কৃষ্ণ।
খোল আর করতালের ছন্দে নাচলে মনের সব দুঃখ ধুয়ে মুছে যায়।
জপমালার প্রতিটি দানা সাক্ষী থাকুক আমার কৃষ্ণপ্রেমের।
তিলক পরলে নিজেকে কৃষ্ণের চরণে সঁপে দিয়েছি বলে মনে হয়।
হরে কৃষ্ণ ফেসবুক পোস্ট কালেকশন
আধুনিক বিজ্ঞানও ইদানীং স্বীকার করছে, মহামন্ত্রের ধ্বনি মস্তিষ্কের স্নায়ুগুলোকে শান্ত রাখতে জাদুর মতো কাজ করে। দুশ্চিন্তা আর নেতিবাচক ভাবনা ঝেড়ে ফেলে মনকে স্থির রাখতে এই জপের কোনো বিকল্প নেই। ভেতরের প্রশান্তি ওই হরিনামেই মিলবে।
কলিযুগে যজ্ঞের ধরণটা আলাদা—এখানে দরকার ভক্তির চোখের জল। শাস্ত্র মতে, স্বল্প আয়ু আর চঞ্চল মনের মানুষের জন্য নাম সংকীর্তনই একমাত্র পথ। হাজারো ব্যাস্ততার ভিড়ে এই নামই আমাদের আত্মার খোরাক।
যারা একসময় কৃষ্ণকে চিনত না—তারাই আজ ধুতি-শাড়ি পরে রাজপথে নাচছে। ভক্তির আসলে কোনো দেশ নেই, ভাষা নেই। লন্ডনের রাস্তা থেকে রাশিয়ার অলিগলি, সবখানেই আজ সেই একই সুর। বিদেশিদের এই ভক্তি দেখেও আমাদের শিক্ষা নেওয়া দরকার।
শরীর আর আত্মাকে শুদ্ধ করার সেরা দিন এই মাধব তিথি। একাদশীর উপবাসে নাম জপ করলে তার ফল বহুগুণ বেড়ে যায়। পরম করুণাময়ের বিশেষ উপহার এই দিনটা হেলায় হারানো উচিত না। একটু কষ্ট করে উপবাস আর বেশি করে নাম জপ—এটুকুই তো তিনি চান।
আমরা সুখের খোঁজে কত কিছুই না করি, অথচ আসল সুখ তো হাতের কাছেই। হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্রের প্রতিটি শব্দে যে আনন্দ লুকিয়ে আছে, তা জাগতিক কোনো বস্তুতে পাওয়া সম্ভব না। একবার মন থেকে ডেকে দেখুন, সাড়া পাবেনই।
হরে কৃষ্ণ কিছু কথা ও উপলব্ধি
কৃষ্ণকে ভালোবাসলে হারাবার ভয় থাকে না, বরং যা হাতছাড়া হয়েছে, তাও দ্বিগুণ হয়ে ফিরে আসে।
বিপদ যখন চারিদিক থেকে ঘিরে ধরে, তখন হাত দুটো আকাশের দিকে না বাড়িয়ে গোবিন্দের চরণে সঁপে দিও।
চোখের জল যদি কৃষ্ণের জন্য ঝরে, তবে সেই অশ্রুবিন্দু মুক্তোর চেয়েও দামী।
যার কেউ নেই, তার একজন গোবিন্দ আছেন; এই বিশ্বাস থাকলে একাকিত্ব ছোঁবে না।
অহংকার পতনের মূল কারণ, আর বিনয় কৃষ্ণের কাছে যাওয়ার সবচেয়ে সহজ সিঁড়ি।
মনের ময়লা দূর করার অদ্বিতীয় সাবান হলো হরিনাম, যা ঘষলে ভেতরটা চকচক করে ওঠে।
যমরাজ তাঁর দূতের কানে কানে বলে দেন—যাদের গলায় তুলসী মালা আর মুখে হরিনাম, তাদের ছায়াও মাড়াবে না।
শরীর ছাড়ার সময় যার মুখে হরিধ্বনি ওঠে, তার আর পুনর্জন্মের যন্ত্রণা সইতে হয় না।
হরে কৃষ্ণ ছন্দ
হরে কৃষ্ণ নাম জপলে ভাই, জুড়ায় পোড়া প্রাণ
ভবের মায়া কাটিয়ে দিয়ে, ধরো নামের গান।
দুই বাহু সব তুলে বলো, হরে কৃষ্ণ নাম
এই নামেই তো মিলবে শেষে, আসল সুখের ধাম।
খোল করতাল বাজছে দেখো, নগর সংকীর্তনে
রাধা কৃণের প্রেম জাগাও, তোমার এই মনে।
ভোর প্রভাতে পাখির ডাকে, কৃষ্ণ নামই শুনি
এই নামেরই মালা আমি, সারা দিনই গুনি।
হরে কৃষ্ণ হরে রাম, জপলো যেই জন
বিনা মূল্যে বিকিয়ে দিল, তার ওই জীবন।
মাটির দেহ মাটিতে রবে, সঙ্গে যাবে নাম
হরে কৃষ্ণ জপলে ওভাই, পূর্ণ হবে কাম।
হরে কৃষ্ণ কবিতা
হরিনাম জপলে পরে জুড়ায় দগ্ধ প্রাণ,
সংসারের সব জ্বালা মুছে গায় শান্তির গান;
দুই বাহু তুলে বলো হরে কৃষ্ণ নাম,
এই নামেই লুকিয়ে আছে গোলকের ধাম।যমুনার তীরে কে বাজায় ওই মোহন বাঁশি?
রাধারানীর মন যে হারায়, ঝরে প্রেমের রাশি;
শ্যাম বরণ অঙ্গে তার পীত ধড়া সাজে,
ত্রিভুবন মোহিত হয় ওই নূপুর বাজে।তর্কে কি আর মিলবে দেখা, ভক্তি বড় ধন,
অশ্রুজলে ধুয়ে ফেলো মলিন এ মন;
জগন্নাথের রথ চলে দেখো ভক্তের টানে,
ঈশ্বর ধরা দেন প্রেমের উজানে।মাথায় যার ময়ূর পালক, হাতে মোহন বাঁশি,
তার চরণে সঁপে দিলাম আমার সকল হাসি;
ননী চোরা গোপাল আমার বড়ই মায়াবী,
ভক্তের হৃদয়ে আঁকে প্রেমের ছবি।সকাল-সন্ধ্যা যেখানে বাজে শঙ্খ আর উলুধ্বনি,
সেখানেই তো বাস করেন আমার হৃদয়ের মণি;
তীর্থের খোঁজে দূরে যাওয়ার প্রয়োজন কি আর?
গ্রামের ওই জরাজীর্ণ মন্দিরেই আমার বিশ্ব-সংসার।
