কনফুসিয়াসের বিখ্যাত উক্তি সমূহ: ২৫৭টি+ সেরা সংগ্রহ
চীনা সমাজব্যবস্থা ও দর্শনের মূল ভিত্তিই গড়ে উঠেছে তাঁর চিন্তাধারার ওপর। হাজার বছর পরেও তাঁর কথাগুলো যেন এক একটা দিকদর্শন যন্ত্র। জীবনকে শৃঙ্খল ও সুন্দরভাবে সাজাতে আমাদের এই বিশাল আয়োজন কনফুসিয়াসের বিখ্যাত উক্তি সমূহ, যেখানে পাবেন জ্ঞানের অফুরন্ত ভাণ্ডার।
কনফুসিয়াসের বিখ্যাত উক্তি
খুব সহজ কথায় জীবনের কঠিন সত্যগুলো বলে যাওয়ার ক্ষমতা তাঁর ছিল অসামান্য। পারিবারিক বন্ধন থেকে রাষ্ট্র পরিচালনা—সব ক্ষেত্রেই কনফুসিয়াসের বিখ্যাত উক্তি গুলো আজও সমানভাবে কার্যকর। চলুন, প্রাচীন এই ঋষির অমৃতবাণীগুলো জেনে নেওয়া যাক।
তুমি কত ধীরে চলছ তা মুখ্য না, আসল কথা হলো তুমি থামোনি। — কনফুসিয়াস
সব কিছুর মাঝেই সৌন্দর্য আছে, কিন্তু সবাই তা দেখতে পায় না। — কনফুসিয়াস
জীবন আসলে খুব সহজ, আমরাই একে জটিল করে ফেলি। — কনফুসিয়াস
প্রতিশোধের পথে নামার আগে দুটি কবর খুঁড়ে রেখো—একটি শত্রুর জন্য, অন্যটি নিজের জন্য। — কনফুসিয়াস
অজ্ঞতা হলো মনের রাত, কিন্তু এই রাতে চাঁদ বা তারা নেই। — কনফুসিয়াস
যে ব্যক্তি নিজেকে জয় করতে পারে, সে-ই সবচাইতে শক্তিশালী যোদ্ধা। — কনফুসিয়াস
নিজের ওপর কঠোর হও এবং অন্যের প্রতি কোমল হও; তাহলে শত্রুতা কমে যাবে। — কনফুসিয়াস
একটি ভালো কাজ করার পর প্রচারের আশা করো না, কাজটাই তোমার পুরস্কার। — কনফুসিয়াস
মানুষকে সম্মান করলে তুমি নিজেও সম্মানিত হবে। — কনফুসিয়াস
ভুল করা কোনো দোষের না, কিন্তু ভুল শুধরে না নেওয়াটাই বড় দোষ। — কনফুসিয়াস
রাগ বা ক্ষোভ পুষে রাখা হলো জ্বলন্ত কয়লা হাতে ধরে রাখার মতো, যেখানে হাত তোমারই পুড়বে। — কনফুসিয়াস
ভবিষ্যৎকে সংজ্ঞায়িত করতে চাইলে অতীতকে ভালো করে জানো। — কনফুসিয়াস
যেখানেই যাও, সমস্ত হৃদয় দিয়ে যাও। — কনফুসিয়াস
অ্যানালেক্টস (Analects) থেকে সেরা উক্তি
তাঁর মৃত্যুর পর শিষ্যরা গুরুর মুখনিঃসৃত কথাগুলো লিপিবদ্ধ করেছিলেন এই গ্রন্থে। জ্ঞানপিপাসু মানুষের কাছে এই গ্রন্থ এক পবিত্র দলিল। অ্যানালেক্টস (Analects) থেকে সেরা উক্তি গুলো পড়লে মনে হবে আপনি সরাসরি গুরুর সামনে বসে জীবনপাঠ নিচ্ছেন।
যা তুমি নিজের জন্য পছন্দ করো না, তা অন্যের ওপর চাপিয়ে দিও না। — কনফুসিয়াস
গুণী ব্যক্তিরা সব সময় ন্যায়বিচারের কথা ভাবেন, আর সাধারণ মানুষ ভাবে লাভের কথা। — কনফুসিয়াস
পনেরো বছর বয়সে আমি শিক্ষার প্রতি মন দিয়েছিলাম, আর ত্রিশে এসে আমি শক্ত হয়ে দাঁড়িয়েছি। — কনফুসিয়াস
জানা এবং না জানা—উভয় সম্পর্কে সচেতন থাকাই হলো প্রকৃত জ্ঞান। — কনফুসিয়াস
তিনজন মানুষ যখন একসঙ্গে হাঁটে, তখন তাদের মধ্যে অন্তত একজন আমার শিক্ষক হতে পারে। — কনফুসিয়াস
পুরোনো জ্ঞান ঝালিয়ে নেওয়া এবং নতুন জ্ঞান অর্জন করাই হলো শিক্ষকের কাজ। — কনফুসিয়াস
কথা বলার সময় বিনয়ী হওয়া এবং কাজে তৎপর হওয়া মহৎ ব্যক্তির লক্ষণ। — কনফুসিয়াস
একজন ভদ্রলোক খাওয়ার সময় তৃপ্তির কথা ভাবে না, সে ভাবে কীভাবে সঠিক পথে চলা যায়। — কনফুসিয়াস
জ্ঞান অর্জন করে তা বাস্তবে প্রয়োগ না করা লজ্জাজনক। — কনফুসিয়াস
যে নিজের ভুল স্বীকার করতে জানে না, তার উন্নতি করার কোনো আশা নেই। — কনফুসিয়াস
শাসন করার সময় যদি তুমি সঠিক হও, তবে আদেশ না দিলেও কাজ হবে। — কনফুসিয়াস
বুদ্ধিমান মানুষ পানির মতো, সে সব বাধা অতিক্রম করে নিজের পথ খুঁজে নেয়। — কনফুসিয়াস
সত্য জানার পরেও তা পালন না করা ভীরুতার লক্ষণ। — কনফুসিয়াস
কনফুসিয়াসের বন্ধুত্ব ও বিশ্বাস নিয়ে উক্তি
যার ওপর ভরসা করা যায় না, তার সাথে বন্ধুত্ব করা আর বালির ওপর ঘর বাঁধা একই কথা। সম্পর্কের ভিত্তি মজবুত করতে কনফুসিয়াসের বন্ধুত্ব ও বিশ্বাস নিয়ে উক্তি গুলো জানা খুব জরুরি। সৎ সঙ্গ যে কতটা দামী, তা তিনি বারবার মনে করিয়ে দিয়েছেন।
নিজের চেয়ে অধম কারো সাথে বন্ধুত্ব করো না। — কনফুসিয়াস
বিশ্বাসযোগ্যতা এবং সততা হলো বন্ধুত্বের প্রথম শর্ত। — কনফুসিয়াস
রাষ্ট্র চালানোর জন্য তিনটি জিনিস দরকার—অস্ত্র, খাদ্য এবং বিশ্বাস। এদের মধ্যে বিশ্বাস হারালে রাষ্ট্র টেকে না। — কনফুসিয়াস
যে বন্ধু তোমার ভুল ধরিয়ে দেয়, সে-ই তোমার প্রকৃত শুভাকাঙ্ক্ষী। — কনফুসিয়াস
চরিত্রহীন মানুষের সাথে বন্ধুত্ব করার চেয়ে একা থাকা হাজার গুণে ভালো। — কনফুসিয়াস
বন্ধুদের সাথে মেলামেশায় বিনয়ী হও, কিন্তু নিজের নীতিতে অটল থাকো। — কনফুসিয়াস
বিশ্বাস ছাড়া কোনো সম্পর্কই দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে না। — কনফুসিয়াস
ভদ্রলোক সাহিত্যের মাধ্যমে বন্ধু তৈরি করে এবং বন্ধুর মাধ্যমে নিজের চরিত্র উন্নত করে। — কনফুসিয়াস
বন্ধুকে সব সময় গোপনে উপদেশ দাও এবং প্রকাশ্যে প্রশংসা করো। — কনফুসিয়াস
যার কথার কোনো দাম নেই, তার ভালোবাসারও কোনো মূল্য নেই। — কনফুসিয়াস
বন্ধুত্ব হলো দুটি শরীরে বসবাসকারী একটি আত্মা। — কনফুসিয়াস
যে ব্যক্তি প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে জানে না, তার ওপর নির্ভর করা বোকামি। — কনফুসিয়াস
নীরবতা ও জ্ঞান নিয়ে ছোট উক্তি
বাচালতা সবসময় জ্ঞানের পরিচয় দেয় না, বরং মাঝে মাঝে চুপ থাকাটাই বড় বুদ্ধিমত্তার কাজ। নীরবতা ও জ্ঞান নিয়ে ছোট উক্তি গুলো আমাদের শেখায় কখন কথা বলতে হবে আর কখন মৌনতা পালন করতে হবে। সত্যিকারের জ্ঞানীরা যে শব্দ অপচয় করেন না, তার প্রমাণ মিলবে এখানে।
নীরবতা হলো এমন এক বন্ধু, যে কখনো বিশ্বাসঘাতকতা করে না। — কনফুসিয়াস
জ্ঞানী ব্যক্তিরা লজ্জাবোধ করেন যদি তাদের কথা কাজের চেয়ে বেশি হয়। — কনফুসিয়াস
যে ব্যক্তি সব প্রশ্নের উত্তর দিতে চায়, সে আসলে কিছুই জানে না। — কনফুসিয়াস
কথা বলার আগে ভাবো, কারণ তোমার কথা তোমার চেয়ে বেশি শক্তিশালী হতে পারে। — কনফুসিয়াস
বেশি কথা বলা বুদ্ধিমত্তার লক্ষণ না, সঠিক সময়ে সঠিক কথা বলাই বুদ্ধিমত্তা। — কনফুসিয়াস
মূর্খরা অভিযোগ করে, আর জ্ঞানীরা সমাধান খোঁজে। — কনফুসিয়াস
মানুষের মুখ বন্ধ রাখার ক্ষমতা তার কথা বলার ক্ষমতার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। — কনফুসিয়াস
যে নিজের অজ্ঞতা সম্পর্কে জানে, সে-ই প্রকৃত জ্ঞানী। — কনফুসিয়াস
চুপ থাকা মানেই না জানা না, অনেক সময় চুপ থাকা মানে সব জেনেও এড়িয়ে যাওয়া। — কনফুসিয়াস
শব্দের অপচয় করো না, কারণ শব্দ একবার বের হলে আর ফেরানো যায় না। — কনফুসিয়াস
শোনার অভ্যাস করো, কারণ কান তোমাকে অনেক কিছু শেখাবে যা মুখ শেখাতে পারে না। — কনফুসিয়াস
বিনয় ছাড়া জ্ঞান হলো অহংকারের নামান্তর। — কনফুসিয়াস
জ্ঞানের পরিধি অসীম, তাই নিজেকে সবজান্তা ভেবো না। — কনফুসিয়াস
চীনা দার্শনিক কনফুসিয়াসের বাণী
পূর্ব এশিয়ার সংস্কৃতি ও নৈতিকতার মেরুদণ্ড বলা হয় তাঁকে। একজন মানুষ কীভাবে ‘পরিপূর্ণ মানুষ’ হয়ে উঠতে পারে, তার নির্দেশনা রয়েছে চীনা দার্শনিক কনফুসিয়াসের বাণী গুলোর মধ্যে। নিজেকে শুধরে নেওয়ার পাঠ এখান থেকেই শুরু হোক।
“এমন পেশা বেছে নাও যা তুমি ভালোবাসো, তাহলে জীবনে একটি দিনও কাজ করতে হবে না।”
“কখনো পড়ে না যাওয়ার মাঝে কোনো বীরত্ব নেই, বরং প্রতিবার পড়ে গিয়ে উঠে দাঁড়ানোর মাঝেই সার্থকতা।”
“যে নিজেকে দমন করতে পারে না, সে অন্যকে শাসন করবে কীভাবে?”
“রাগ উঠলে এর পরিণতির কথা একবার চিন্তা করো।”
“তিনটি পথ দিয়ে জ্ঞান অর্জন করা যায়: চিন্তার মাধ্যমে যা মহৎ, অনুকরণের মাধ্যমে যা সহজ, আর অভিজ্ঞতার মাধ্যমে যা তিক্ত।”
“জ্ঞানী মানুষ নিজের ওপর নির্ভর করে, আর মূর্খ নির্ভর করে অন্যের ওপর।”
মানুষ চেনার উপায় নিয়ে কনফুসিয়াসের বাণী
মুখের মিষ্টি কথায় তো সবাই ভোলে, কিন্তু আসল রূপটা লুকিয়ে থাকে কাজের মাঝে। মানুষের ভেতর ও বাহির চিনে নেওয়ার কৌশল শিখতে মানুষ চেনার উপায় নিয়ে কনফুসিয়াসের বাণী গুলো আপনার চোখ খুলে দেবে। মুখোশের আড়ালের মুখটা চিনে নিন এখনই।
“মহান মানুষেরা নিজেদের দোষ খোঁজে, আর ছোট লোক অন্যের দোষ ধরে বেড়ায়।”
“মানুষ কী বলে সেদিকে কান না দিয়ে সে কী করে তা লক্ষ্য করো, তবেই তার আসল রূপ দেখবে।”
“সঠিক পথ জেনেও সে পথে না হাঁটা হলো কাপুরুষতা।”
“যে ব্যক্তি নিজের ভুল সংশোধন করে না, সে আসলে আরেকটি ভুল করল।”
“নিজেকে শ্রদ্ধা করো, তাহলে অন্যরাও তোমাকে শ্রদ্ধা করবে।”
“ভালো মানুষ হওয়ার প্রথম শর্ত হলো সত্যবাদী হওয়া; মিথ্যার ওপর ভিত্তি করে কোনো সম্পর্ক বা সম্মান টেকে না।”
“যার কথার চেয়ে কাজের পরিমাণ বেশি, সেই প্রকৃত বিশ্বাসযোগ্য মানুষ।”
“হীন মানুষেরা দল পাকায় কিন্তু ঐক্যবদ্ধ হতে পারে না, আর মহান মানুষেরা একতাবদ্ধ থাকে কিন্তু দলাদলি করে না।”
“মানুষের গুণাবলী প্রকাশ পায় তার বিপদের সময়; সুসময়ে তো সবাই বন্ধু হতে চায়।”
কনফুসিয়াসের নীতিমূলক স্ট্যাটাস
বর্তমান সময়ে নীতি-নৈতিকতার বড়ই অভাব। এই অবক্ষয়ের যুগে আপনার টাইমলাইনে কনফুসিয়াসের নীতিমূলক স্ট্যাটাস শেয়ার করাটা একটা দায়িত্বের মতো। সততা আর নিষ্ঠার বার্তা ছড়িয়ে পড়ুক আপনার হাত ধরে।
সঠিক জেনেও চুপ করে থাকাটা এক ধরণের ভীরুতা।
ভালো মানুষ দেখলে তার গুণগুলো নিজের মধ্যে ধারণ করো।
গুণী মানুষ কাজ করে বেশি, কথা বলে কম।
রাগ ও প্রতিশোধ নিয়ে কনফুসিয়াসের শিক্ষামূলক স্ট্যাটাস
রাগের মাথায় নেওয়া সিদ্ধান্ত যে কত বড় বিপদ ডেকে আনতে পারে, তা আমরা হাড়ে হাড়ে টের পাই। প্রতিশোধের নেশা থেকে নিজেকে দূরে রাখতে রাগ ও প্রতিশোধ নিয়ে কনফুসিয়াসের শিক্ষামূলক স্ট্যাটাস গুলো পড়ুন। ক্ষমা করার মহান গুণটি এখান থেকেই অর্জন করা সম্ভব।
অপমান মনে না রাখলে তা তোমার কোনো ক্ষতিই করতে পারবে না।
আঘাত ভুলে যাওয়া ভালো, কিন্তু উপকার কখনোই ভুলো না।
শত্রুকে জয় করার চেয়ে রাগ সামলানো অনেক বেশি জরুরি।
অন্যায়ের জবাব ন্যায়বিচার দিয়ে দাও, প্রতিহিংসা দিয়ে না।
রাগের মুহূর্তে ধৈর্য ধরলে একশ দিনের অনুশোচনা থেকে বাঁচা যায়।
চরিত্র গঠন নিয়ে কনফুসিয়াসের সেরা ক্যাপশন
হীরে যেমন ঘষেমেজে উজ্জ্বল করতে হয়, ঠিক তেমনি নিজেকেও গড়ে তুলতে হয় তিলে তিলে। ব্যক্তিত্ব ও চরিত্র গঠন নিয়ে কনফুসিয়াসের সেরা ক্যাপশন গুলো আপনাকে সেই পথ দেখাবে। একজন আদর্শ মানুষ হওয়ার গাইডলাইন পাবেন এই কথাগুলোয়।
হীরা যেমন ঘষা ছাড়া উজ্জ্বল হয় না, মানুষও তেমনি কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি না হয়ে খাঁটি হতে পারে না।
মহান মানুষ কাজে বেশি বিশ্বাসী, কথায় কম, এটাই তাদের চরিত্রের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
ভুল করাতে কোনো দোষ নেই, কিন্তু সেই ভুল শুধরে না নেওয়াটাই জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল।
জ্ঞানী মানুষ নিজের ভুল খোঁজে, আর বোকারা সারাজীবন অন্যের দোষ খুঁজতে ব্যস্ত থাকে।
সম্মান পেতে চাইলে আগে অন্যকে সম্মান দিতে জানতে হবে, এটাই প্রকৃতির নিয়ম।
যেখানে গুণী মানুষের কদর নেই, সেখানে বেশিক্ষণ সময় নষ্ট না করাই বুদ্ধিমানের কাজ।
জীবনের সবচেয়ে বড় গৌরব কখনো না পড়ে যাওয়াতে নেই, বরং পড়ে গিয়ে উঠে দাঁড়ানোতে।
চরিত্রহীন মেধার কোনো মূল্য নেই সমাজে, সৎ চরিত্রই মানুষের আসল অলংকার।
হাজার মাইলের যাত্রাও একটি ছোট পদক্ষেপ দিয়েই শুরু করতে হয়, তাই থেমে থাকার সুযোগ নেই।
নিজের যা নেই তা নিয়ে দুঃখ করার চেয়ে যা আছে তা নিয়ে সন্তুষ্ট থাকাই মহৎ গুণ।
অজ্ঞতা বা না জানাটা লজ্জার বিষয় হতে পারে না, কিন্তু জানার চেষ্টা না করাটাই লজ্জার।
ভালো মানুষের সঙ্গ ছাড়া চরিত্র গঠন করা অসম্ভব, তাই বন্ধু নির্বাচনে সর্বদা সতর্ক থাকা চাই।
নিজেকে অন্যের চেয়ে শ্রেষ্ঠ প্রমাণ করার চেয়ে নিজেকে গতকালের চেয়ে উন্নত করাটাই আসল চ্যালেঞ্জ।
কনফুসিয়াসের শিক্ষামূলক উপদেশ
শেখার কোনো বয়স নেই, জানার কোনো শেষ নেই। আপনি যদি জীবনের ছাত্র হতে চান, তবে কনফুসিয়াসের শিক্ষামূলক উপদেশ গুলো আপনার জন্য পাঠ্যবইয়ের চেয়েও দামী। নিজেকে সমৃদ্ধ করার এই সুযোগ হাতছাড়া করবেন না।
শোনা কথা ভুলে যাওয়া স্বাভাবিক, দেখা জিনিস মনে থাকে, কিন্তু নিজের হাতে করা কাজ মানুষ কখনো ভোলে না।
একজন মানুষ তার ভুলগুলো দিয়েই নিজের পরিচয় গড়ে তোলে; ভুল দেখলেই মানুষ চেনা যায়।
যে প্রশ্ন করে সে পাঁচ মিনিটের জন্য বোকা থাকে, আর যে লজ্জায় প্রশ্ন করে না সে সারাজীবন বোকা হয়েই থাকে।
