বাবার ৫ম মৃত্যু বার্ষিকী নিয়ে ক্যাপশন: সেরা ২৪৫+ স্ট্যাটাস আইডিয়া

ক্যালেন্ডারের পাতা উল্টাতে উল্টাতে দীর্ঘ পাঁচটি বছর পার হয়ে গেল, অথচ মনে হয় এই তো সেদিন বাবা আমাদের মাঝে ছিলেন। বাবার ৫ম মৃত্যুবার্ষিকীর এই দিনটি যখন ফিরে আসে, তখন মনের ভেতর জমে থাকা কষ্টগুলো শেয়ার করার ভাষা পাওয়া যায় না। আপনি কি সোশ্যাল মিডিয়ায় বাবার মাগফিরাত কামনা ও স্মৃতিচারণের জন্য বাবার ৫ম মৃত্যু বার্ষিকী নিয়ে ক্যাপশন খুঁজে থাকেন? তাহলে এই আর্টিকেলটি আপনার জন্য। এখানে আমরা সাজিয়েছি হৃদয়স্পর্শী সব স্ট্যাটাস ও দোয়া। পুরো লেখাটি পড়ুন, আপনার মনের কথার সাথে মিলে যাওয়া সেরা লাইনটি এখানেই রয়েছে যা আপনার শোকাহত হৃদয়ের কথা বলবে।

বাবার ৫ম মৃত্যু বার্ষিকী নিয়ে স্ট্যাটাস আইডিয়া

আজ পাঁচটি বছর পূর্ণ হলো বাবাকে ছাড়া। ক্যালেন্ডারের পাতা উল্টালেও বুকের ভেতরের ক্ষতটা আজও দগদগে।

যাকে ছাড়া এক মুহূর্ত কল্পনাও করা যেত না, তাকে ছাড়াই ১৮২৫ দিন পার করে দিলাম। জীবন বড়ই অদ্ভুত।

বাবার স্মৃতিগুলো ধুলোমাখা অ্যালবামে বন্দি হলেও হৃদয়ের গহীনে তা চিরসবুজ।

পাঁচ বছর আগে এই দিনে আমার মাথার ওপর থেকে বটগাছটা সরে গিয়েছিল। সেই রোদের তাপ আজও আমাকে পোড়ায়।

বাবা, তোমাকে ছাড়া পাঁচটি বছর কাটিয়ে দেওয়া আমার জীবনের সবচেয়ে বড় যুদ্ধ।

সময় নাকি সব ভুলিয়ে দেয়, কিন্তু এই পাঁচ বছরে তোমার অভাব আরও তীব্র হয়েছে বাবা।

চোখের সামনে সব বদলে যাচ্ছে, অথচ তোমার স্মৃতিগুলো আজও নতুনের মতোই উজ্জ্বল।

আজকের এই দিনটি আমার জন্য বড্ড ভারী। পাঁচ বছর আগের সেই কান্নার শব্দ আজও কানে বাজে।

বাবার গায়ের গন্ধটা ভোলার আপ্রাণ চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছি। বাতাসে আজও তাঁর অস্তিত্ব পাই।

যাদের বাবা আছে তারা জানে না তারা কত বড় সম্পদের মালিক। পাঁচ বছর ধরে আমি সেই সম্পদ হারিয়ে নিঃস্ব।

মনে হয় এই তো সেদিন বাবা মাথায় হাত বুলিয়ে দিলেন। অথচ মাঝখানে পাঁচ বছরের বিশাল দেয়াল।

বাবা নামের ডাকটা দেওয়ার মানুষ নেই আজ পাঁচ বছর। এই শূন্যতা পূরণ হওয়ার সাধ্য নেই।

পৃথিবীর সব ভিড়ের মাঝেও বাবাকে খোঁজা আমার অবচেতন মনের অভ্যাস।

বাবাকে ছাড়া ৫টি বছর পার করার কঠিন বাস্তবতা নিয়ে স্ট্যাটাস

বাবা নেই, তাই পৃথিবীর কঠিন রূপটা গত পাঁচ বছরে হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছি। ছায়া ছাড়া পথ চলা বড্ড কঠিন।

১৮২৫ দিন ধরে আমি বাবার শাসনহীন এক স্বাধীন অথচ ছন্নছাড়া জীবন পার করছি।

বাবার মৃত্যু আমাকে বয়সের আগেই অনেকটা বড় করে দিয়েছে। গত পাঁচ বছরে আমি দায়িত্ব নিতে শিখেছি।

বাইরে থেকে মানুষ আমার হাসি দেখে, কিন্তু গত পাঁচ বছর ধরে ভেতরে যে ঝড় চলছে, তার খবর কেউ রাখে না।

বাবা ছিলেন ঢালের মতো, সেই ঢাল সরে যাওয়ার পর প্রতিটি আঘাত সোজাসুজি বুকে এসে বিঁধছে।

সবাই বলে সময় সব ঠিক করে দেয়, কিন্তু বাবার অভাব কোনো মলম দিয়েই সারানো সম্ভব না।

পাঁচ বছর ধরে নিজের সমস্যাগুলো একাই সমাধান করছি। বাবার পরামর্শ শোনার জন্য কানটা বড্ড আকুল হয়ে থাকে।

বাবার অবর্তমানে বুঝলাম, তিনি আসলে সংসারের কত বড় খুঁটি ছিলেন। এখন সব দায়িত্ব একাই বইতে হয়।

দিন মাস বছর গড়িয়ে যায়, কিন্তু বাবার শূন্য চেয়ারটা আমাকে প্রতিনিয়ত উপহাস করে।

বাবা ছাড়া ঈদ বা উৎসবগুলো গত পাঁচ বছর ধরে আমার কাছে পানসে মনে হয়। আনন্দগুলো আর আগের মতো নেই।

বাস্তবতা যে কতটা নির্মম হতে পারে, তা বাবাকে কবরে রেখে আসার পরই বুঝেছিলাম। এই শিক্ষাটা গত পাঁচ বছর ধরে পাচ্ছি।

বাবা নামক ছাদটা নেই, তাই রোদ-বৃষ্টি-ঝড় সব এখন সরাসরি গায়ে মাখতে হয়।

আমার আবদার করার মানুষটা গত পাঁচ বছর ধরে মাটির নিচে। এখন প্রয়োজনগুলো মনে মনেই দাফন করি।

বাবার ৫ম প্রয়াণ দিবসে মাগফিরাত কামনায় ইসলামিক স্ট্যাটাস

আজ আমার বাবার ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী। আল্লাহ আমার বাবাকে কবরের আজাব থেকে হেফাজত করুন এবং জান্নাতবাসী করুন।

হে দয়াময় আল্লাহ, গত পাঁচ বছর আমার বাবা কবরের বাসিন্দা। তাঁর কবরকে আপনি জান্নাতের বাগান বানিয়ে দিন।

আমার বাবার রুহের মাগফিরাতের জন্য আপনাদের সবার কাছে খাস দোয়া চাইছি। আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করুন।

হে আরশের মালিক, আমার বাবাকে আপনি আপনার রহমতের চাদরে আবৃত রাখুন। আজকের এই দিনে তাঁর ওপর শান্তি বর্ষিত হোক।

পাঁচ বছর আগে বাবাকে আপনার জিম্মায় দিয়েছি আল্লাহ। তাঁকে আপনি সর্বোচ্চ সম্মান দান করুন।

রাব্বির হামহুমা কামা রাব্বায়ানি সগিরা। আল্লাহ আমার বাবাকে জান্নাতুল ফেরদাউসের উচ্চ মাকাম দান করুন।

আজকের এই দিনে বাবার জন্য কুরআন তিলাওয়াত আর দোয়াই আমার একমাত্র উপহার। আল্লাহ কবুল করুন।

আমার বাবা দুনিয়াতে মানুষ হিসেবে যেমন ভালো ছিলেন, পরপারেও আল্লাহ তাঁকে তেমনই শান্তিতে রাখুন।

হে আল্লাহ, আমার বাবার সব ছোট-বড় গুনাহ মাফ করে দিন এবং তাঁকে বিনা হিসেবে জান্নাত দান করুন।

পাঁচ বছর ধরে বাবা মাটির বিছানায়। আল্লাহ, আপনি তাঁর একাকিত্ব দূর করে দিন এবং কবরে নূরের আলো ছড়িয়ে দিন।

আমার বাবার জন্য আপনারা সবাই একটু হাত তুলবেন। আপনাদের দোয়াই হয়তো তাঁর পরপারের সম্বল হবে।

ইয়া রব, বাবাকে হারানোর শোক আজও ভুলতে পারিনি। আপনি তাঁকে পরকালে উত্তম প্রতিদান দিন।

আজকের এই দিনে আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ, আমার বাবাকে কিয়ামতের দিন নবীজির শাফায়াত নসিব করুন।

বাবার ৫ম মৃত্যু বার্ষিকী নিয়ে ফেসবুক পোস্ট

দেখতে দেখতে পাঁচটি বছর পার হয়ে গেল বাবাকে ছাড়া। ক্যালেন্ডারের পাতায় ১৮২৫টি দিন যোগ হয়েছে, কিন্তু বাবার স্মৃতিগুলো আজও গতকালের মতো তাজা। সময় নাকি সব ভুলিয়ে দেয়, অথচ আমার ক্ষেত্রে বাবার অভাবটা সময়ের সাথে সাথে আরও গভীর শেকড় গেড়েছে। সাফল্যের চূড়ায় উঠে বা আনন্দের মুহূর্তে বাবাকে যখন পাশে পাই না, তখন বুকের ভেতরটা দুমড়ে মুচড়ে যায়। ওপারে তিনি কেমন আছেন জানি না, তবে মন বলে আল্লাহ তাঁকে নিশ্চয়ই ভালো রেখেছেন। আজকের দিনে বাবার জন্য সবার কাছে দোয়া চাই।

বাড়ির সেই ইজিচেয়ারটা আজও আছে, শুধু তাতে বসা মানুষটা নেই। গত পাঁচ বছর ধরে বাড়িটা বড্ড অভিভাবকহীন। বাবা নামক ছাদ সরে গেলে রোদ-বৃষ্টি যে কতটা গায়ে লাগে, তা হাড়হাড্ডিতে টের পাচ্ছি। বাবার শাসন, সেই গম্ভীর গলার ডাক—সব কিছু আজ স্মৃতির অ্যালবামে বন্দি। মহান রবের কাছে ফরিয়াদ, তিনি যেন বাবাকে কবরের নির্জনতায় একাকীত্ব অনুভব করতে না দেন এবং জান্নাতের সুশীতল ছায়ায় স্থান দেন।

অর্ধযুগ হতে চলল বাবার হাতটা ধরা হয় না। পাঁচটি বছর আগে আজকের এই দিনটিতেই আমার পৃথিবীটা অন্ধকার করে বাবা চলে গিয়েছিলেন না ফেরার দেশে। তখন মনে হয়েছিল বাঁচব কীভাবে? কিন্তু জীবন জীবনের নিয়মেই চলে, শুধু বুকের বাম পাশে একটা স্থায়ী ক্ষত থেকে যায়। বাবা, তোমাকে এক মুহূর্তের জন্যও ভুলিনি। তোমার শেখানো পথেই হাঁটছি। আল্লাহ তোমাকে ওপারে শান্তিতে রাখুন, এটাই আমার প্রাত্যহিক প্রার্থনা।

বাবার মৃত্যুর পর পাঁচটি বছর কেটে গেল, কিন্তু মনে হয় এই তো সেদিন তিনি বাজার থেকে ফিরে আমাকে ডাক দিলেন। মানুষের মৃত্যু হয়, কিন্তু সম্পর্কের মৃত্যু হয় না। বাবা আজও আমার অস্তিত্বের সাথে মিশে আছেন। তাঁর রক্ত আমার শরীরে বইছে, তাঁর আদর্শ আমার চিন্তায়। আজ বাবার ৫ম মৃত্যুবার্ষিকীতে পরিচিত-অপরিচিত সবার কাছে বিনীত অনুরোধ, আপনারা আমার বাবার রুহের মাগফিরাত কামনা করবেন। আপনাদের দোয়াই এখন তাঁর একমাত্র সম্বল।

বাবা যখন ছিলেন, তখন বুঝিনি তিনি আসলে কী ছিলেন। আজ পাঁচ বছর পর বুঝতে পারছি, তিনি ছিলেন আমার জীবনের মেরুদণ্ড। তাঁকে হারিয়ে আমি অনেকটা পঙ্গু হয়ে গেছি। বাইরের হাসি দিয়ে ভেতরের হাহাকার ঢাকা যায় না। মাটির নিচের অন্ধকার ঘরে বাবা আজ কত দিন ধরে একা! হে দয়াময় আল্লাহ, তুমি আমার বাবার কবরকে প্রশস্ত ও আলোকিত করে দাও। তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌসের উচ্চ মাকাম দান করো।

বাবার ৫ম মৃত্যু বার্ষিকীতে দোয়া চেয়ে আবেগঘন বড় পোস্ট

আসসালামু আলাইকুম। আজ আমার বাবার ইন্তেকালের ৫ম বছর পূর্ণ হলো। মানুষ মাত্রই ভুল করে, আমার বাবাও এর ঊর্ধ্বে ছিলেন না। চলাফেরা বা কথাবার্তায় তিনি যদি জীবদ্দশায় কাউকে কষ্ট দিয়ে থাকেন, আল্লাহর ওয়াস্তে তাঁকে ক্ষমা করে দেবেন। আপনাদের এই ক্ষমা তাঁর পরকালীন যাত্রাকে অনেক সহজ করবে। মহান আল্লাহর দরবারে আকুল আবেদন, তিনি যেন আমার বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌসের মেহমান হিসেবে কবুল করেন। কবরের কঠিন সওয়াল-জওয়াব সহজ করে দিয়ে তাঁকে শান্তিতে ঘুমানোর তৌফিক দিন।

মাটির বিছানায় বাবা আজ পাঁচ বছর ধরে শায়িত। দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে তিনি এখন আল্লাহর জিম্মায়। হে দয়াময় রব, আমার বাবার কবরকে তুমি জান্নাতের বাগান বানিয়ে দাও। জান্নাতের সুশীতল বাতাস তাঁর কবরে প্রবাহিত করো। আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও শুভাকাঙ্ক্ষী সবার কাছে বিনীত আর্জি, আপনারা আজকের দিনে আমার বাবার জন্য বিশেষ দোয়া করবেন। আল্লাহ যেন তাঁর জীবনের সমস্ত নেক আমল কবুল করেন এবং গুনাহখাতা মাফ করে দেন।

বাবা ছিলেন আমাদের পরিবারের খুঁটি, আমাদের আবদার আর ভরসার জায়গা। আজ পাঁচ বছর হলো সেই ভরসার জায়গাটা হারিয়েছি। এই দীর্ঘ সময়ে প্রতিটা মুহূর্তে বুঝেছি বাবা কী ছিলেন। আজ তিনি আমাদের দোয়ার কাঙাল। হে আল্লাহ, তুমি আমার বাবাকে দোজখের আগুন থেকে রক্ষা করো। রোজ হাশরে নবীজির শাফায়াত নসিব করো। আপনারা সবাই ‘আমিন’ বলে আমার বাবার মাগফিরাত কামনা করবেন, যেন তিনি ওপারে ভালো থাকেন।

পাঁচ বছর আগের এই দিনটি ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে অন্ধকার দিন। বাবাকে শেষবারের মতো বিদায় দেওয়ার সেই দৃশ্য আজও আমাকে তাড়া করে বেড়ায়। বুকভরা কষ্ট আর চোখের জল নিয়ে আজ আল্লাহর দরবারে হাত তুলেছি। হে আরশের মালিক, তুমি আমার বাবাকে ক্ষমা করো, তাঁর ওপর দয়া করো। যাঁদের বাবা আছে, তাঁরা বাবার কদর করুন। আর যাঁদের বাবা নেই, তাঁরা আমার মতো করে দোয়া করুন। আল্লাহ যেন সব মৃত বাবাকে জান্নাতবাসী করেন।

বাবার স্মৃতিগুলো বুকের ভেতর যত্ন করে রেখেছি, কিন্তু মানুষটাকে আর ছুঁয়ে দেখা যায় না। আজ তাঁর ৫ম মৃত্যুবার্ষিকীতে এতিমখানার বাচ্চাদের জন্য সামান্য আয়োজন করেছি এবং আপনাদের সবার কাছে দোয়া চাইছি। আমার বাবার রুহের শান্তির জন্য আপনারা মন খুলে দোয়া করবেন। আল্লাহ তায়ালা যেন তাঁর ভুলত্রুটিগুলো সংশোধন করে তাঁকে নিষ্পাপ হিসেবে কবুল করেন। আমাদের এই দোয়াটুকুই যেন তাঁর মুক্তির উসিলা হয়।

পৃথিবীর নিয়ম বড়ই নিষ্ঠুর, প্রিয় মানুষদের একদিন বিদায় নিতে হয়। আমার বাবাও চলে গেছেন পাঁচ বছর হলো। তিনি ছিলেন অত্যন্ত পরোপকারী ও সহজ-সরল মানুষ। তাঁর অনুপস্থিতি আমাদের প্রতি মুহূর্তে কাঁদায়। হে আল্লাহ, আমার বাবার কবরকে তুমি জান্নাতের বাগান বানিয়ে দাও। তাঁকে কেয়ামতের দিন ডান হাতে আমলনামা দিও। পরিচিত সবাই দয়া করে আমার বাবার জন্য সুরা ফাতেহা পাঠ করে দোয়া করবেন।

বাবার গলার আওয়াজটা শোনার জন্য গত পাঁচ বছর ধরে কান পেতে আছি। কিন্তু সেই পরিচিত ডাক আর শোনা হলো না। আল্লাহ যাকে নিয়ে যান, তাকে আর ফেরত দেন না। এই সত্যটা মেনে নিয়েছি, কিন্তু মনকে বোঝাতে পারি না। আজ বাবার মৃত্যুবার্ষিকীতে চোখের পানি ধরে রাখা দায়। হে মালিক, তুমি আমার বাবাকে ওপারে এতটাই সুখে রেখো যেন তিনি দুনিয়ার কষ্টগুলো ভুলে যান।

বাবা নেই—এই শব্দটা উচ্চারণ করতে আজও বুক কাঁপে। পাঁচ বছর কেটে গেলেও মনে হয় তিনি হয়তো কোনো কাজে বাইরে গেছেন, এখনই ফিরবেন। কিন্তু বাস্তবতা বড়ই নির্মম। তিনি আর ফিরবেন না। বাবার আত্মার শান্তির জন্য আজ আমি সবার কাছে হাত পাতছি। আপনাদের সামান্য দোয়া আমার বাবার পরকালকে সুন্দর করতে পারে। আল্লাহ যেন তাঁকে জান্নাতের সর্বোচ্চ সম্মান দান করেন।

বাবার ৫ম মৃত্যু বার্ষিকী নিয়ে ক্যাপশন

আধ-দশক পেরিয়ে গেল, বাবার ছায়া ছাড়াই জীবনের কঠিন পথ পাড়ি দিচ্ছি।

৫টি বছর কেটে গেল, অথচ বাবার সেই শেষ ডাকটা আজও কানে বাজে।

১৮২৫ দিন ধরে এক অদৃশ্য হাহাকার বুকে নিয়ে বেঁচে আছি।

ঘড়ির কাঁটা ৫ বছর ঘুরল, কিন্তু আমার অপেক্ষার প্রহর আর শেষ হলো না।

বাবা নেই ৫ বছর, অথচ তার রেখে যাওয়া আদর্শেই আমি আজও পথ চলি।

মাটির বিছানায় বাবা ঘুমাচ্ছেন ৫ বছর, আর আমি ঘুমাচ্ছি বাবার স্মৃতি বুকে নিয়ে।

বছরের পর বছর যায়, কিন্তু বাবার অভাবটা কোনোভাবেই পূরণ হওয়ার নয়।

বাবার শূন্যতা ঢাকতে গত ৫ বছর ধরে মিথ্যে হাসির অভিনয় করে যাচ্ছি।

যাকে ছাড়া এক মুহূর্ত চলত না, তাকে ছাড়াই ৫টি বছর কাটিয়ে দিলাম।

আমার পৃথিবীটা থমকে গিয়েছিল ঠিক ৫ বছর আগের এই দিনটিতেই।

বাবাকে হারানোর ৫ বছর পূর্ণ হলো, ক্ষতটা আজও দগদগে।

সময়ের সাথে নাকি কষ্ট কমে, কিন্তু গত ৫ বছরে বাবার জন্য কষ্টটা আরও বেড়েছে।

আজকের এই দিনটা ক্যালেন্ডারে না এলেই বোধহয় ভালো হতো।

বাবার শূন্যতা ও ৫ বছরের হিসাব নিকাশ নিয়ে ক্যাপশন

এই ৫ বছরে কত ঋতু বদলাল, আমার মনের আকাশ থেকে মেঘ আর সরল না।

সাফল্যের অনেক সিড়ি ভেঙেছি গত ৫ বছরে, কিন্তু বাবা দেখার জন্য ছিলেন না।

৫ বছরের জমানো অভিমানগুলো যদি বাবাকে একবার বলতে পারতাম।

আমার সব প্রাপ্তিই ম্লান হয়ে যায় যখন ভাবি বাবা নেই ৫ বছর হলো।

গত ৫ বছর ধরে নিজেকে সান্ত্বনা দিচ্ছি, বাবা আকাশের উজ্জ্বলতম তারা হয়ে আছেন।

হিসাবের খাতা খুলে দেখি, গত ৫ বছরে আমি শুধুই হারিয়েছি।

বাবাবিহীন ৫টি বছর আমাকে শিখিয়েছে বাস্তবতা কতটা নির্দয় হতে পারে।

৫ বছরের প্রতিটি দিন আমি বাবার ফিরে আসার মিথ্যা আশা বুনেছি।

আমার জীবনের গল্পে গত ৫ বছর ধরে ‘বাবা’ শব্দটি শুধুই স্মৃতি।

বাবার হাত ধরে হাঁটার দিনগুলো গত ৫ বছর ধরে খুব মিস করছি।

নিজেকে বড্ড অসহায় লাগে যখন ভাবি ৫ বছর ধরে ডাকার মতো কেউ নেই।

এই ৫ বছরে অনেক মানুষ চিনলাম, কিন্তু বাবার মতো নিঃস্বার্থ কাউকে পেলাম না।

বাবার আদর মাখা হাতটা মাথায় নেই ৫ বছর, ভাবলেই গা শিউরে ওঠে।

দোয়া চাই সকলের কাছে – বাবার ৫ম মৃত্যু বার্ষিকী ক্যাপশন

৫ বছর হলো বাবা কবরের বাসিন্দা, আল্লাহ তাকে জান্নাতের সুশীতল ছায়া দান করুন।

আমার বাবার মাগফিরাতের জন্য আপনাদের একটু দোয়াই যথেষ্ট।

আল্লাহ আমার বাবাকে কবরের আজাব থেকে রক্ষা করে শান্তিতে রাখুন।

৫ম মৃত্যুবার্ষিকীতে আপনাদের কাছে বাবার জন্য একটু দোয়ার ভিখারি হয়ে হাত পাতলাম।

হে রব, ৫ বছর ধরে শুয়ে থাকা আমার বাবার কবরকে জান্নাতের বাগান বানিয়ে দিন।

আপনাদের পবিত্র দোয়ায় আমার বাবা পরপারে ভালো থাকুক, এটাই চাই।

যাদের বাবা নেই, তারা বুঝবেন আমার ৫ বছরের হাহাকার, বাবার জন্য দোয়া করবেন।

আল্লাহ যেন আমার বাবাকে পরকালের সব পরীক্ষায় সহজ করে দেন।

আজকের এই দিনে বাবার জন্য সূরা ইখলাস পাঠ করে দোয়ার অনুরোধ রইল।

আমার বাবার সব গুনাহ মাফ করে আল্লাহ তাকে ফেরেশতাদের সঙ্গী করুন।

৫ বছর ধরে বাবা আপনাদের দোয়া আর ভালোবাসার কাঙাল।

হে আরশের মালিক, আমার বাবাকে আপনি আপনার রহমতের চাদরে মুড়িয়ে রাখুন।

আপনাদের ছোট্ট একটি দোয়া আমার বাবার পরকালের সম্বল হতে পারে।

বাবার মৃত্যু বার্ষিকী ও কিছু কথা

পাঁচটি বছর পেরিয়ে গেল, ক্যালেন্ডারের পাতা ঝরে, বাবার স্মৃতি আজও বুকে, চোখের কোণে জল ভরে। মাটির নিচে কেমন আছেন, মনটা আমার জানতে চায়, শূন্য ভিটায় হাহাকারটা প্রতি ক্ষণে উঁকি দেয়।

ভার্চুয়াল ওই দুনিয়াতে শোকের কোনো দাম তো নাই, বাস্তব কাজে প্রমাণ দিন, বাবার তরে মুক্তি চাই। লোক দেখানো কান্না মুছে, আসল কাজে নামতে হবে, তবেই বাবার আত্মাটা ওই পরপারে শান্তি পাবে।

সদকায়ে জারিয়া হলো পুন্যের এক অফুরান খনি, বাবার নামে গাছ লাগান, কিংবা দিন পানির কলও আনি। মসজিদে বা মাদ্রাসাতে দান করে দিন মনটা খুলে, কবরের ওই আঁধার ঘরে জ্বলবে বাতি নূরের ফুলে।

এতিম শিশুর মুখে যদি ফোটাতে পারেন একটু হাসি, বাবার আমলনামায় তবে জমবে পুন্য রাশি রাশি। ক্ষুধার্তকে অন্ন দিলে, তৃষ্ণার্তকে দিলে পানি, বাবার তরে এটাই হবে শ্রেষ্ঠ এক কুরবানি।

সন্তানের ওই দুহাত যখন ওঠে রবের দরবারে, রহমতের সব দুয়ার তখন খুলে যায় বারে বারে। “রাব্বির হামহুমা” বলে ঝরান চোখের নোনা জল, বাবার পাপ সব মুছে দিয়ে বাড়ান তার ওই মনবল।

কবর বড়ই ভয়ানক ঠাঁই, নেই কোনো বন্ধু স্বজন, আপনার পাঠানো দোয়াই হবে সেখানে তাঁর আপনজন। নামাজ পড়ে মোনাজাতে বাবাকে আর ভুলবেন না, তাঁর দেখানো পথটা ছেড়ে বিপথে পা ফেলবেন না।

মৃত মানুষ ফিরে আসে না, রেখে যায় তার কর্মফল, সুসন্তান হয়েই আপনি মুছুন তাঁর ওই চোখের জল। বাবার ঋণের বোঝা কমাতে বিলান অকাতরে দান, পরকালে তিনি যেন পান জান্নাতের ওই সম্মান।

পাঁচ বছরের এই দিনেতে শপথ নিন আজ মনে প্রাণে, বাবার আদর্শ রাখবেন ধরে জীবনের সব গানে। আল্লাহ তুমি মাফ করে দাও আমার বাবার সব গুনাহ, জান্নাতুল ফেরদাউস দিও, কবুল করো এই পানা।

Similar Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *