প্লেটোর বিখ্যাত উক্তি সমূহ: ১৫৯টি+ সেরা সংগ্রহ
গ্রিক দর্শনের কথা উঠলে যার নাম সবার আগে আসে, তিনি হলেন প্লেটো। হাজার বছর পার হয়ে গেলেও তাঁর দর্শন আজও আমাদের চিন্তার জগতকে প্রসারিত করে। আপনাদের জন্য আমরা সাজিয়েছি প্লেটোর বিখ্যাত উক্তি সমূহ এবং বাছাই করা সব বানী, যা জীবনকে নতুন করে বুঝতে শেখাবে। চলুন, জ্ঞানের এই রাজ্যে প্রবেশ করা যাক।
প্লেটোর বিখ্যাত উক্তি
সক্রেটিসের প্রিয় শিষ্য এবং অ্যারিস্টটলের গুরু—এই পরিচয়টাই তাঁর ওজনের প্রমাণ দেয়। প্লেটোর বিখ্যাত উক্তি গুলো বইয়ের পাতা ছাড়িয়ে বাস্তবিক জীবনের এক একটা জ্বলন্ত মশাল হয়ে ওঠে। সত্য ও সুন্দরের সন্ধানে যারা আছেন, তাদের জন্য এই কথাগুলো অমূল্য রত্ন।
জ্ঞানী লোকেরা কথা বলে কারণ তাদের কিছু বলার আছে; আর বোকারা কথা বলে কারণ তাদের কিছু একটা বলতে হবে। — প্লেটো
দয়া প্রদর্শন করো, কারণ তুমি যার সাথেই দেখা করো না কেন, সে হয়তো তোমার চেয়েও কঠিন কোনো যুদ্ধের মোকাবেলা করছে। — প্লেটো
ভালোবাসার স্পর্শে এলে সবাই কবি হয়ে যায়। — প্লেটো
শুরু করাটাই হলো কাজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। — প্লেটো
চিন্তার প্রতিফলন হলো মানুষের আসল চরিত্র; মানুষ যা ভাবে, সে তাই করে। — প্লেটো
সাহস হলো সেটা জানা যে কিসে ভয় পাওয়া উচিত না। — প্লেটো
মানুষের তিনটি প্রধান উৎস আছে—আকাঙ্ক্ষা, আবেগ এবং জ্ঞান। — প্লেটো
ভালো কাজ করার শক্তি থাকার নামই হলো পুণ্য। — প্লেটো
যে ছোটখাটো বিষয়ে সত্যকে অবহেলা করে, তাকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়েও বিশ্বাস করা যায় না। — প্লেটো
অন্ধকারকে ভয় পাওয়া শিশুর জন্য স্বাভাবিক, কিন্তু মানুষ হয়ে যদি আলোর ভয় পায়, তবে সেটাই ট্র্যাজেডি। — প্লেটো
মানুষের আচরণ হলো তার আবেগের প্রতিচ্ছবি, যা সে লুকাতে পারে না। — প্লেটো
ভালো ভৃত্য না হলে ভালো মনিব হওয়া যায় না। — প্লেটো
নিজেকে জয় করাই হলো সব বিজয়ের মধ্যে শ্রেষ্ঠ বিজয়। — প্লেটো
দর্শন হলো বিস্ময় থেকে জন্ম নেওয়া এক বোধ। — প্লেটো
প্লেটোর রাষ্ট্রদর্শন ও উক্তি
একটি আদর্শ রাষ্ট্র কেমন হওয়া উচিত, তা নিয়ে তাঁর ভাবনা আজও রাষ্ট্রবিজ্ঞানীদের ভাবায়। ‘দ্য রিপাবলিক’ গ্রন্থে তিনি যে রূপরেখা দিয়েছেন, তার নির্যাসটুকু পাবেন প্লেটোর রাষ্ট্রদর্শন ও উক্তি অংশে। শাসক আর শাসিতের সম্পর্ক এবং ন্যায়বিচার নিয়ে তাঁর ভাবনাগুলো জানলে অবাক হতে হয়।
ভালো মানুষ রাজনীতিতে অংশগ্রহণ না করার শাস্তি হলো, অযোগ্য মানুষের দ্বারা শাসিত হওয়া। — প্লেটো
ন্যায়বিচার মানে হলো প্রত্যেকে তার নিজের কাজ করবে এবং অন্যের কাজে হস্তক্ষেপ করবে না। — প্লেটো
গণতন্ত্র হলো এক ধরণের শাসন ব্যবস্থা, যেখানে জ্ঞানীদের চেয়ে সংখ্যাগুরুদের মতামত বেশি গুরুত্ব পায়। — প্লেটো
রাষ্ট্র তখনই আদর্শ হয়, যখন শাসকরা দার্শনিক হয় অথবা দার্শনিকরা শাসক হয়। — প্লেটো
আইন মাকড়সার জালের মতো; দুর্বলরা এতে আটকা পড়ে, আর শক্তিশালীরা ছিঁড়ে বেরিয়ে যায়। — প্লেটো
একনায়কতন্ত্র স্বাভাবিকভাবেই গণতন্ত্র থেকে উদ্ভূত হয়, আর সবচেয়ে তীব্র দাসত্ব আসে চরম স্বাধীনতা থেকে। — প্লেটো
রাষ্ট্র হলো মানুষেরই এক বর্ধিত রূপ; মানুষ যেমন হবে, রাষ্ট্রও তেমনই হবে। — প্লেটো
আইনের প্রয়োজন ভালো মানুষের জন্য হয় না, কারণ তারা এমনিতেই দায়িত্বশীল; আইন খারাপ মানুষের জন্য। — প্লেটো
শিক্ষাই হলো রাষ্ট্রের ভিত্তি; নাগরিক সুশিক্ষিত হলে রাষ্ট্রের আইন শৃঙ্খলা এমনিতেই বজায় থাকে। — প্লেটো
দারিদ্র্য এবং সম্পদ—দুটোই মানুষকে এবং রাষ্ট্রকে নষ্ট করে; একটি অলসতা আনে, অন্যটি অসন্তোষ। — প্লেটো
শাসকের প্রধান গুণ হওয়া উচিত প্রজ্ঞা এবং ত্যাগের মানসিকতা। — প্লেটো
যে সমাজে ন্যায়বিচার নেই, সেই সমাজ বেশিদিন টিকতে পারে না। — প্লেটো
প্লেটোর সঙ্গীত হলো আত্মার জ্যামিতি উক্তি
সুরের সাথে আত্মার যে এক নিবিড় সম্পর্ক আছে, তা তিনি খুব সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করেছেন। প্লেটোর সঙ্গীত হলো আত্মার জ্যামিতি উক্তি টি প্রমাণ করে যে, তিনি যুক্তির পাশাপাশি শিল্পের নান্দনিকতাকেও কতটা গুরুত্ব দিতেন। সুর কীভাবে মানুষকে পরিশুদ্ধ করে, তা জানাটা জরুরি।
সঙ্গীত হলো মহাবিশ্বের আত্মা, যা মনের ডানা মেলে দেয় এবং কল্পনাকে ওড়াতে শেখায়। — প্লেটো
সঙ্গীত এবং ছন্দ আত্মার গোপন জায়গাগুলোতে প্রবেশ করার ক্ষমতা রাখে। — প্লেটো
শরীরের জন্য যেমন ব্যায়াম, আত্মার জন্য তেমনি সঙ্গীত। — প্লেটো
রাষ্ট্র কেমন হবে তা নির্ভর করে সেই রাষ্ট্রের সঙ্গীত কেমন তার ওপর। — প্লেটো
গানের সুরে যদি বিশৃঙ্খলা থাকে, তবে মানুষের জীবনেও বিশৃঙ্খলা দেখা দেবে। — প্লেটো
সঙ্গীত হলো নৈতিক আইনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। — প্লেটো
শিক্ষার প্রথম ধাপ হওয়া উচিত সঙ্গীত, কারণ এটি মনের ভেতর শৃঙ্খলা তৈরি করে। — প্লেটো
যে শিশু সঙ্গীতের মাঝে বেড়ে ওঠে, তার মন সব সময় সুন্দর এবং পবিত্র থাকে। — প্লেটো
সুরের জাদুতে মানুষ তার দুঃখ ভুলে যেতে পারে এবং নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখে। — প্লেটো
সঙ্গীত হলো আত্মার জ্যামিতি, যা আমাদের ভেতরকার সব কিছুকে সঠিক মাপে সাজিয়ে দেয়। — প্লেটো
ছন্দের তালে তালে মানুষ নিজের অজান্তেই শৃঙ্খল হতে শেখে। — প্লেটো
সঙ্গীতের পরিবর্তন মানেই রাষ্ট্রের আইনের পরিবর্তন, তাই এ বিষয়ে সতর্ক থাকা উচিত। — প্লেটো
সুরের মূর্ছনা মানুষকে পশুত্ব থেকে মুক্তি দিয়ে দেবত্ব দান করে। — প্লেটো
প্লেটোর অজ্ঞতা হলো সব মন্দের মূল উক্তি
অন্ধকার যেমন আলোর অভাব, তেমনি সব পাপ কাজের উৎস হলো না জানা বা ভুল জানা। প্লেটোর অজ্ঞতা হলো সব মন্দের মূল উক্তি টি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, জ্ঞানার্জনই হলো মুক্তির একমাত্র পথ। নিজেকে চেনার মাধ্যমেই এই অজ্ঞতা দূর করা সম্ভব।
অজ্ঞতা হলো সব মন্দের মূল এবং কান্ড। — প্লেটো
জ্ঞান হলো আত্মার খাদ্য, আর অজ্ঞতা হলো আত্মার বিষ। — প্লেটো
আমরা শিশুদের ভয় পাওয়া নিয়ে হাসাহাসি করি, কিন্তু একজন বয়স্ক মানুষ যখন সত্য জানতে ভয় পায়, তখন তা লজ্জাজনক। — প্লেটো
যে জানে না এবং জানে না যে সে জানে না, সে হলো মূর্খ। — প্লেটো
অজ্ঞ থাকার চেয়ে না জন্মানো ভালো, কারণ অজ্ঞতা হলো দুর্ভাগ্যের মূল কারণ। — প্লেটো
মতবাদ হলো জ্ঞান এবং অজ্ঞতার মাঝখানের অবস্থা। — প্লেটো
শিক্ষার অভাব মানুষকে পশুর স্তরে নামিয়ে আনে। — প্লেটো
সত্য জানার পরেও তা অস্বীকার করা হলো সবচেয়ে বড় অজ্ঞতা। — প্লেটো
জ্ঞানের আলো ছাড়া মানুষ অন্ধের মতো পথ চলে। — প্লেটো
অজ্ঞতা থেকে জন্ম নেয় ভয়, আর ভয় থেকে জন্ম নেয় ঘৃণা। — প্লেটো
নিজেকে না চেনাটাই হলো সবচেয়ে বড় অজ্ঞতা। — প্লেটো
মানুষ যখন শিখতে চায় না, তখন সে নিজের পতনের পথ নিজেই তৈরি করে। — প্লেটো
জ্ঞান মানুষকে বিনয়ী করে, আর অজ্ঞতা মানুষকে অহংকারী করে। — প্লেটো
মিথ্যা বিশ্বাস আঁকড়ে ধরে থাকার নামই হলো চরম অজ্ঞতা। — প্লেটো
প্লেটোর বিখ্যাত বাণী
সময় বদলায়, কিন্তু সত্য কখনো বদলায় না। ঠিক তেমনি প্লেটোর বিখ্যাত বাণী গুলো আজও আমাদের জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। সত্য, ন্যায় এবং ভালোবাসার এক অদ্ভুত সংমিশ্রণ পাবেন নিচের কথাগুলোতে, যা আপনাকে নতুন করে ভাবাবে।
“উত্তম কাজ করার জন্য দর্শকরা জরুরি না, নিজের বিবেকের স্বীকৃতিই যথেষ্ট।” — প্লেটো
“চিন্তা করা মানে নিজের আত্মার সাথে নিজেরই নিরব কথোপকথন চালিয়ে যাওয়া।” — প্লেটো
“মানুষের মন যখন সত্যের সন্ধানে ব্রত থাকে, তখনই সে প্রকৃত সৌন্দর্যের দেখা পায়।” — প্লেটো
“ভালোবাসা হলো এক ধরণের গভীর মানসিক ব্যাধি, যা মানুষকে অন্ধ করে দেয় আবার কখনো নতুন দৃষ্টি দান করে।” — প্লেটো
“ন্যায়বিচার হলো সেই গুণ যা অন্য সব গুণকে সুশৃঙ্খল রাখে।” — প্লেটো
প্লেটোর শিক্ষামূলক বাণী
শিক্ষা মানে কেবল তথ্য গেলা নয়, বরং মনের চোখ খুলে দেওয়া। পৃথিবীর প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় ‘একাডেমি’র প্রতিষ্ঠাতার মুখ থেকে শোনা প্লেটোর শিক্ষামূলক বাণী গুলো ছাত্র-শিক্ষক সবার জন্যই পাথেয়। মানুষ গড়ার কারিগরদের এই কথাগুলো জানা খুব দরকার।
“জোর করে কোনো বিদ্যা মগজে ঢোকানো যায় না; শরীরের ওপর জোর খাটানো গেলেও মনের ওপর তা খাটে না।” — প্লেটো
“শিশুদের জোর করে না শিখিয়ে খেলার ছলে শেখাও; এতে তাদের সুপ্ত প্রতিভাগুলো দ্রুত বিকশিত হবে।” — প্লেটো
“শিক্ষার লক্ষ্য হলো শিশুদের সঠিক জিনিসগুলো চাইতে শেখানো এবং ভালোকে ভালোবাসতে শেখানো।” — প্লেটো
“চোখ যেমন আলো ছাড়া দেখতে পায় না, আত্মাও তেমনি জ্ঞান ছাড়া সত্যকে দেখতে পায় না।” — প্লেটো
“প্রকৃত শিক্ষা তাকেই বলে, যা মানুষকে বিজয়ী হওয়ার চেয়ে ন্যায়পরায়ণ হতে বেশি উৎসাহিত করে।” — প্লেটো
“বই ছাড়া ঘর অনেকটা আত্মা ছাড়া শরীরের মতো, যেখানে প্রাণের কোনো স্পন্দন নেই।” — প্লেটো
“যে শিক্ষা মানুষকে ভালো মানুষ হতে সাহায্য করে না, তা আসলে কোনো শিক্ষাই না।” — প্লেটো
“সঙ্গীত হলো আত্মার শিক্ষা; এটি হৃদয়কে কোমল করে এবং চরিত্রকে উন্নত করে।” — প্লেটো
প্লেটোর মোটিভেশনাল স্ট্যাটাস
“দয়ালু হও, কারণ যার সাথেই তোমার দেখা হবে, সে-ই কোনো না কোনো কঠিন যুদ্ধ করছে”—এমন কথার জাদুতে মন ভালো হতে বাধ্য। হতাশা কাটাতে প্লেটোর মোটিভেশনাল স্ট্যাটাস গুলো আপনার সঙ্গী হতে পারে। প্রাচীন এই কথাগুলোই আপনাকে নতুন করে বাঁচার শক্তি জোগাবে।
সংখ্যার জোর দেখে না, বরং জ্ঞানের গভীরতা দেখেই সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।
ভালো কাজ করলে নিজের ভেতর শক্তি বাড়ে, আবার অন্যরাও উৎসাহ পায়।
জ্ঞান ও প্রজ্ঞা নিয়ে প্লেটোর স্ট্যাটাস
জানার আগ্রহই মানুষকে অন্য প্রাণীদের থেকে আলাদা করে। আপনার টাইমলাইনে বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চা ধরে রাখতে জ্ঞান ও প্রজ্ঞা নিয়ে প্লেটোর স্ট্যাটাস গুলো শেয়ার করুন। চিন্তাশীল মানুষের কাছে আপনার কদর বাড়বে নিশ্চিত।
আত্মার আসল খোরাক তো জ্ঞান অর্জন করা।
সব দুর্ভাগ্যের মূলে থাকে মানুষের অজ্ঞতা।
জ্ঞান আর অজ্ঞতার মাঝখানের অবস্থাই হলো মতামত।
মূর্খ হয়ে বেঁচে থাকার চেয়ে জন্ম না নেওয়াই ভালো।
সৎ উদ্দেশ্য ছাড়া অর্জিত বিদ্যা পাপের নামান্তর।
জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমেই আত্মার মুক্তি মেলে।
রাজনীতি ও সমাজ নিয়ে প্লেটোর সেরা ক্যাপশন
ভালো মানুষ রাজনীতিতে না আসলে কী হয়, তা তিনি হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছিলেন। বর্তমান সমাজব্যবস্থা আর ক্ষমতার পালাবদল নিয়ে কিছু লিখতে চাইলে রাজনীতি ও সমাজ নিয়ে সেরা ক্যাপশন গুলো দেখতে পারেন। সচেতন নাগরিক হিসেবে এই বার্তাগুলো ছড়িয়ে দেওয়া আপনার দায়িত্ব।
রাষ্ট্রের পতন তখনই শুরু হয় যখন জ্ঞানীরা চুপ থাকে আর মূর্খরা আসর জমায়।
জনগণের চরিত্র যেমন হবে, রাষ্ট্রের চেহারাটাও ঠিক তেমনই ফুটে উঠবে।
জ্ঞানহীন মানুষের হাতে ক্ষমতা গেলে সমাজটা নরকে পরিণত হতে সময় লাগে না।
অতিরিক্ত স্বাধীনতা অনেক সময় আমাদের শৃঙ্খলহীন জীবনের দিকে ঠেলে দেয়।
নিজের স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে রাষ্ট্রের কথা ভাবাটাই হলো প্রকৃত বীরের ধর্ম।
অজ্ঞতাই হলো সমাজের সব বিশৃঙ্খলার মূল শিকড়, যা উপড়ে ফেলা বড্ড জরুরি।
শাসকের কাজ হলো নিজের পকেট না ভরে জনগণের মঙ্গলের কথা ভাবা।
সমাজ পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখার আগে নিজেকে যোগ্য মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা চাই।
যারা সত্যকে ভালোবাসে, তারাই প্রকৃতপক্ষে রাজনীতি করার যোগ্যতা রাখে।
ক্ষমতার চেয়ারে বসার আগে নিজের জ্ঞান আর প্রজ্ঞার পরীক্ষা দেওয়া উচিত।
