শশুর বাড়ি নিয়ে ফানি ক্যাপশন: সেরা ১৯৯+ স্ট্যাটাস আইডিয়া
বাঙালি ছেলেদের জীবনে বিয়ের পর সবচেয়ে বড় অ্যাডভেঞ্চারের নাম হলো ‘শশুর বাড়ি’। সেখানে গেলে একদিকে যেমন জামাই আদরের বন্যায় ভেসে যাওয়ার সুযোগ থাকে, অন্যদিকে মানিব্যাগ হালকা হওয়ার প্রবল আশঙ্কাও থাকে। আপনি কি সদ্য শশুর বাড়ি ফেরত কোনো ভুক্তভোগী জামাই, নাকি যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন? যাই হোন না কেন, ফেসবুকে একটু রসিকতা করার জন্য শশুর বাড়ি নিয়ে ফানি ক্যাপশন খুঁজছেন নিশ্চয়ই? তাহলে এই আর্টিকেলটি আপনার জন্যই। এখানে আমরা জামাই জীবনের টক-ঝাল-মিষ্টি ও হাস্যকর অভিজ্ঞতা নিয়ে সেরা সব স্ট্যাটাস সাজিয়েছি। পুরো লেখাটি পড়ুন, হাসতে হাসতে পেটে খিল ধরবে গ্যারান্টি!
শশুর বাড়ি নিয়ে ফানি স্ট্যাটাস আইডিয়া
শশুর বাড়িতে গেলে নিজেকে জামাই কম, বরং কোনো রাজদরবারের অতিথি বেশি মনে হয়।
সারা বছর বখাটেপনা করলেও শশুর বাড়িতে আমি পৃথিবীর সবচেয়ে শান্তশিষ্ট ছেলে।
শশুর মশাই যখন গম্ভীর মুখে রাজনীতির আলাপ শুরু করেন, তখন মাথা নাড়ানো ছাড়া উপায় থাকে না।
জামাই মানেই হলো শশুর বাড়ির অফিশিয়াল এটিএম বুথ, কার্ড ঘষলেই টাকা বের হয়।
ঢোকার সময় রাজা বাদশাহর মতো ঢুকি, বের হওয়ার সময় ফকির হয়ে বের হই।
শশুর বাড়িতে ফ্রি ওয়াইফাই থাকলেও পাসওয়ার্ড চাইতে লজ্জা লাগে।
বিয়ে করে বউ আনলাম, নাকি শশুর বাড়ির সাথে সাবস্ক্রিপশন কিনলাম, বুঝলাম না।
জামাই আদর খেতে গিয়ে পেটের বারোটা – হাসির স্ট্যাটাস
শাশুড়ি মা ভাবেন জামাইয়ের পেটে কোনো তলা নেই, তাই ঢালতেই থাকেন।
খাবার টেবিলে বসার আগে প্যান্টের বেল্ট দুই ঘর লুজ করে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।
না খেয়েও উপায় নেই, শাশুড়ির ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইলে পেট ফেটে যাওয়ার দশা।
টেবিলে এত পদের খাবার থাকে যে কোনটা রেখে কোনটা খাব ভাবতে ভাবতেই খিদে মরে যায়।
খাওয়া শেষে সোডা বা কোল্ড ড্রিংকস ছাড়া জামাইয়ের বাঁচার কোনো উপায় থাকে না।
শাশুড়ি মা, আপনার জামাই মানুষ, কোনো দানব না—এটা কে বোঝাবে!
শ্বশুর বাড়িতে খেতে বসলে মনে হয় ফুড চ্যালেঞ্জে অংশ নিয়েছি।
বউয়ের বাপের বাড়ি যাওয়া মানেই স্বামীর পকেট ফাঁকা – স্ট্যাটাস
বউ বাপের বাড়ি যাওয়ার প্ল্যান করলে আমার মানিব্যাগ আগে থেকেই আইসিইউতে চলে যায়।
মিষ্টির দোকানের বিল দিতে গিয়ে মনে হয় কিডনিটা বন্ধক রেখে আসি।
বউ খুশি, শশুর বাড়ির লোক খুশি, মাঝখান দিয়ে আমার পকেট গড়ের মাঠ।
শালিদের জন্য গিফট কিনতে কিনতে আমি এখন পথের ভিখারি।
শশুর বাড়িতে যাওয়ার চেয়ে ব্যাংক ডাকাতি করা সহজ মনে হয় মাঝে মাঝে।
বউয়ের আবদার মেটাতে গিয়ে আমার ব্যাংক ব্যালেন্স এখন মাইনাসে চলছে।
বউকে বাপের বাড়ি পাঠানোর খরচ দিয়ে একটা ছোটখাটো বিদেশ ট্যুর দেওয়া যেত।
শশুর বাড়ি নিয়ে ফানি ফেসবুক পোস্ট
শশুর বাড়িতে গেলে নিজেকে মাঝে মাঝে এলিয়েন মনে হয়। আমি সাধারণত তিন প্লেট ভাত খাওয়া পাবলিক, অথচ ওখানে গিয়ে অর্ধেক প্লেট খেয়েই বলতে হয়—‘আর পারছি না’। এই ভদ্র সাজার অভিনয় করতে গিয়ে পেটের ইঁদুরগুলো যে কী পরিমাণ গালি দেয়, তা কাউকে বোঝানো সম্ভব না। ভাবছি পরের বার পকেটে করে বিস্কুট নিয়ে যাব, ভদ্রতা দেখাতে গিয়ে না খেয়ে মরার শখ আমার নেই।
নতুন জামাইয়ের কদর দেখে নিজেই কনফিউজড হয়ে যাই—আমি কি জামাই নাকি কোনো ভিআইপি মিনিস্টার! শাশুড়ি আম্মা প্লেটে এমনভাবে মাংস তুলে দেন, যেন আমি জীবনেও মাংস দেখিনি। না করাও যায় না, আবার গেলাও যায় না। হাসিমুখে সব খেয়ে হজম করতে গিয়ে পরে যে অবস্থা হয়, তা আর পাবলিকলি বললাম না। জামাই আদরের ঠেলায় এখন আমার গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খাওয়ার দশা।
জামাই হিসেবে শশুর বাড়িতে প্রথম দিনটা ছিল ইতিহাসের পাতায় লিখে রাখার মতো। সবাই তাকিয়ে আছে কখন আমি মুখ খুলব, আর আমি ভয়ে আছি কখন ভুল কিছু বলে ফেলি। সবচেয়ে ভয়ের ব্যাপার হলো শ্যালক-শ্যালিকা বাহিনীর সাথে ডিল করা। ওরা এমন সব প্রশ্ন করে, যার উত্তর সিলেবাসের বাইরে। মনে হয় বিসিএস ভাইভা বোর্ডে বসে আছি। ইজ্জত বাঁচাতে মুচকি হাসি দিয়েই কাজ চালাতে হয়।
শশুর মশাই যখন গম্ভীর মুখে রাজনীতির আলাপ শুরু করেন, তখন ‘হুম’ আর ‘জি’ বলা ছাড়া আমার কোনো উপায় থাকে না। উনি যা বলেন, তাতেই সায় দিয়ে যাই, পাছে দ্বিমত করলেই যদি মেয়ের জামাই হিসেবে নম্বর কমে যায়! অথচ মনে মনে ভাবি, কবে যে এই আলোচনা শেষ হবে আর আমি একটু শান্তি পাব। জামাই জীবন বড়ই কষ্টের, সব বুঝেও বোবা সেজে থাকতে হয়।
প্রথমবার শশুর বাড়িতে গিয়ে লুঙ্গি খোলার ফানি অভিজ্ঞতা – পোস্ট
জিন্স আর প্যান্ট পরা পাবলিক আমি, শশুর বাড়িতে গিয়ে লুঙ্গি পরতে গিয়েই খেলাম ধরা। লুঙ্গির গিঁট যে এত বিশ্বাসঘাতক হতে পারে, জানা ছিল না। শাশুড়ি আম্মা নাস্তা দিতে এসেছেন, আর ঠিক তখনই টের পেলাম কোমর থেকে লুঙ্গি নামতে শুরু করেছে। এক হাতে লুঙ্গি আর অন্য হাতে চায়ের কাপ—সে এক দেখার মতো দৃশ্য! ইজ্জত বাঁচাতে সেদিন যে কসরত করেছিলাম, তা সার্কাসের জোকরকেও হার মানাবে।
লুঙ্গি পরে হাঁটা আর মাইনফিল্ডে হাঁটা আমার কাছে সমান মনে হয়। শশুর বাড়িতে প্রথম রাতে লুঙ্গি পরে বাথরুমে যাওয়ার সময় দরজার হুকে লেগে লুঙ্গি খুলে যাওয়ার উপক্রম। ভাগ্যিস আশেপাশে কেউ ছিল না, নইলে পরদিন আর মুখ দেখাতে পারতাম না। এখন লুঙ্গি পরলেই মনে হয় কোমরে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখি, রিস্ক নেওয়ার কোনো মানে হয় না।
সবচেয়ে বিপদে পড়েছিলাম যখন শ্যালক বলল, “দুলাভাই চলেন লুঙ্গি পরে ক্রিকেট খেলি।” আরে ভাই, আমি তো লুঙ্গি সামলাতেই হিমশিম খাচ্ছি, তার ওপর দৌড়াদৌড়ি! ব্যাট করতে গিয়ে রান নেওয়ার সময় মনে হলো লুঙ্গিটা আর সাথে নেই। মাঠের মাঝখানে দাঁড়িয়ে লুঙ্গি ঠিক করার সেই লজ্জা আমি আজও ভুলতে পারিনি। লুঙ্গি ড্যান্স গানটা শুনলেই এখন আমার সেই বিভীষিকার কথা মনে পড়ে।
রাতের বেলা লুঙ্গি পরে ঘুমানো মানেই হলো টেনশন। সকালে উঠে যদি দেখি লুঙ্গি মাথায় আর আমি… থাক, বিস্তারিত না বলাই ভালো। শশুর বাড়িতে গিয়ে প্রথম দিন সকালে ঘুম ভাঙার পর লুঙ্গি খুঁজতে খুঁজতে খাটের নিচে তাকালাম। এই লুঙ্গি বিভ্রাটের ভয়ে এখন প্যান্ট পরেই ঘুমানোর চিন্তা করছি। জামাইগিরি করতে গিয়ে ইজ্জত পাংচার করার কোনো ইচ্ছা আমার নেই।
লুঙ্গি পরাটা একটা শিল্প, আর আমি সেই শিল্পের সবচেয়ে বাজে ছাত্র। শশুর আব্বা যখন লুঙ্গি পরে স্টাইল করে হাঁটেন, আমি তাকিয়ে থাকি। আমার লুঙ্গি কেন পাঁচ মিনিট পর পর ঢিলা হয়ে যায়, সেই রহস্য আজও উদ্ধার করতে পারলাম না। মনে হয় লুঙ্গির সাথে আমার পূর্বজন্মে কোনো শত্রুতা ছিল। গিঁট দিতে গিয়ে আঙুলে ব্যথা বানিয়ে ফেলি, তবুও লুঙ্গি ঠিক থাকে না।
শালী ও দুলাভাইয়ের খুনসুটি ও পকেট খসার গল্প পোস্ট
শালী যখন মিষ্টি হেসে বলে “দুলাভাই”, তখনই বুঝে যাই আমার মানিব্যাগের ওপর বড়সড় কোনো দুর্যোগ আসছে। এদের আবদারের কোনো শেষ নেই—আইসক্রিম থেকে শুরু করে শপিং, সব বিল নাকি দুলাভাইকেই দিতে হবে। শশুর বাড়িতে যাওয়ার আগে এখন এটিএম বুথ থেকে টাকা তুলে নিই, কারণ জানি পকেট খালি হওয়া সময়ের ব্যাপার মাত্র। শালি নয়, যেন একেকটা পকেটমার!
দুলাভাই হওয়া মানেই হলো বিনা বেতনের এটিএম মেশিন। শ্যালিকারা দলবেঁধে যখন ঘিরে ধরে, তখন মনে হয় ডাকাতের কবলে পড়েছি। তাদের চকোলেট আর ফুচকা খাওয়ার বিল দিতে দিতে আমি ফতুর। তবুও তাদের মুখের ওই হাসিটা দেখলে না করতে পারি না। পকেট গড়ের মাঠ হলেও নিজেকে সান্ত্বনা দিই—যাক, জামাই হিসেবে তো একটু নাম হলো!
শালীর সাথে খুনসুটি করতে গিয়ে নিজেই যে কখন ট্র্যাপে পড়ে যাই, টেরই পাই না। বাজি ধরে হারলে তো কথাই নেই, জিতলেও নাকি আমাকেই খাওয়াতে হবে। এই অদ্ভুত নিয়ম একমাত্র শালিদের ডিকশনারিতেই আছে। দুলাভাইয়ের পকেট হালকা করাই যেন তাদের জীবনের একমাত্র ব্রত। মাঝে মাঝে ভাবি, শালিদের জন্য আলাদা একটা বাজেট রাখা দরকার।
ফোন রিসিভ করেই যখন শুনি “দুলাভাই, একটা গিফট দাও না”, তখন কলিজাটা শুকিয়ে যায়। না দিলে মানসম্মান থাকে না, দিলে মাসের খরচ চলে না। শালিদের আবদার মেটাতে গিয়ে আমি এখন ঋণের দায়ে জর্জরিত। বউয়ের চেয়ে শালিদের মেইনটেইন করা দেখি আরও বেশি খরুচে। দুলাভাই ডাকটা শুনলেই এখন পকেটে হাত চলে যায় অটোমেটিক।
শশুর বাড়িতে ঢুকতেই শালিদের ওই চাউনি দেখলেই বুকটা ধড়ফড় করে। জানি না আজ কী ফন্দি এঁটেছে। জুতা লুকানো থেকে শুরু করে গেট ধরা—সব জায়গাতেই টাকা গুনতে হয়। টাকা না দিলে নাকি ঘরে ঢুকতে দেবে না। এমন মিষ্টি অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়েও কিছু বলা যায় না। দিনশেষে শালিরাই তো শশুর বাড়ির প্রাণ, যদিও আমার পকেটের জন্য তারা সাক্ষাৎ আজরাইল।
শশুর বাড়ি নিয়ে ফানি ক্যাপশন
শশুর বাড়িতে এলে নিজেকে ভিনগ্রহের ভিআইপি মনে হয়।
এখানে মশাগুলোও জামাইকে কামড়ানোর আগে অনুমতি নেয়।
শশুর বাড়ির বারান্দায় বসে চা খাওয়ার ভাবটাই আলাদা।
রাজার হালে আছি, কিন্তু রাজত্বটা আসলে আমার না।
শালিদের জ্বালায় শান্তিতে দুপুরের ভাতঘুমটাও দিতে পারি না।
এখানে এলে পানির গ্লাসটাও এগিয়ে দেয়, নিজেকে লাট সাহেব লাগে।
ভদ্র ছেলের মুখোশ পরে বসে থাকাটা বড্ড কষ্টের।
মনে হচ্ছে আমি কোনো ফাইভ স্টার হোটেলে বিনা পয়সায় থাকছি।
বউ যখন বাপের বাড়ি আসে, তখন তার পাওয়ার দ্বিগুণ বেড়ে যায়।
জামাই আদর খাচ্ছি, কিন্তু বিল দিতে হবে – ক্যাপশন
টেবিলের খাবার দেখে খুশি হচ্ছি, নাকি পকেটের কথা ভেবে কাঁদছি বুঝছি না।
জামাই আদর খাচ্ছি ঠিকই, কিন্তু এর পেছনের ইনভেস্টমেন্ট আমারই।
যত বেশি আদর, তত বেশি খরচা—এটাই এখানকার অলিখিত নিয়ম।
বিদায় বেলার সালামি দিতে গিয়েই তো সব খাওয়া উসুল হয়ে যাবে।
শশুর বাড়ির দাওয়াত মানেই মাস শেষে পকেট ফাঁকা।
বড় মাছের মাথাটা আমার পাতে, আর বিলের রসিদটা আমার হাতে।
বাজারের লিস্টটা মেন্যু কার্ডের চেয়েও লম্বা ছিল।
হাসিমুখে খাচ্ছি, কিন্তু কলিজাটা বিলের চিন্তায় শুকিয়ে যাচ্ছে।
শশুর বাড়ির রাজভোগ আর আমার ডায়েট – ফানি ক্যাপশন
শাশুড়ির হাতের রান্না দেখলে ডায়েট চার্ট জানালা দিয়ে পালায়।
এক বেলা খেয়ে যা ওজন বাড়ালাম, জিম করে কমাতে এক মাস লাগবে।
পেট বলছে “থাম”, কিন্তু মন বলছে “আর একটু নে”।
শার্টের বোতাম ছিঁড়ে যাওয়ার উপক্রম, তবুও খাওয়া থামছে না।
পোলাও মাংসের গন্ধে সিক্স প্যাকের স্বপ্ন সব ধুয়ে মুছে গেল।
শাশুড়ি আম্মা পাতে তুলে দিলে “না” করার সাহস আমার নেই।
ডায়েট কাল থেকে করব, আজ শুধু শশুর বাড়ির খাসি খাব।
বিয়ে করেছি কি ডায়েট করার জন্য? ধুমিয়ে খেতে এসেছি।
শশুর বাড়ি নিয়ে ফানি কিছু কথা
শ্বশুর বাড়ি মধুর হাঁড়ি, শুনতেই লাগে বেশ,
যাওয়ার পরে বুঝবেন ভাই, পকেটের দিন শেষ।
মিষ্টির প্যাকেট হাতে নিয়ে ঢুকতে হবে গেটে,
একটুখানি ভুল হলে মান-সম্মান যাবে ফেটে।
শালিরা সব ওঁত পেতে রয়, কখন আসবে দুলাভাই,
পকেটে যা আছে সব, সালামিতেই হওয়া চাই।
হাসিমুখে টাকা ঢালেন, ভেতরে জ্বলছে আগুন,
জামাই হওয়া মানেই ভাই, খরচের এক ফাগুন।
তেল চপচপে পোলাও আর আস্ত মুরগির রান,
খেতে খেতে পেট ফাটলেও, রাখতে হবে মান।
“আর একটু নিন” বলে শাশুড়ি দেবেন পাতে,
না বলতে পারবেন না, হাসতে হবে সাথে।
জুতো চুরির ধান্দা করে ছোট শালার দল,
টাকা ছাড়া জুতো মেলে না, এ এক দারুণ কল।
মানিব্যাগটা সামলে রাখুন, লুকাও গোপন স্থানে,
শ্বশুর বাড়ি মানেই ডাকাতি, ভদ্রলোকের ভানে।
বউ তখন মহারানী, বাপের বাড়ি পেয়ে,
আপনার দিকে তাকাবে না, থাকবে শুধু খেয়ে।
জামাই তখন বোকার মতো বসে থাকে কোণে,
হিসেব কষে ফিরতে হবে রিক্ত পকেট সনে।
বাজার করার লিস্টি ধরে শ্বশুর মশাই হাসেন,
বড় মাছটা না আনলে, জামাই নাকি ভাসেন!
ইলিশ-খাসি আনলে পরে খাতির বাড়ে খুব,
নইলে কিন্তু ভাতের পাতে ডাল-আলুরই ডুব।
শ্বশুর বাড়ির আদর মানেই পকেটে পড়ে টান,
টাকা গেলে যাক না উড়ে, বাঁচুক শুধু জান।
বিদায় বেলায় রিক্সাভাড়া সেটাও যাবে গচ্চা,
শ্বশুর বাড়ি গিয়ে ভাই, হলো কি হাল সাচ্চা?
জামাই মানেই গিনিপিগ, এক্সপেরিমেন্ট চলে,
রান্না ভালো না হলেও, দারুণ হয়েছে বলে।
মিথ্যে বলা শিখতে হলে শ্বশুর বাড়ি যান,
তিক্ত খাবার মুখে নিয়েও গাইতে হবে গান।
