কৃষি ও কৃষক নিয়ে ক্যাপশন: সেরা ২৩২+ স্ট্যাটাস আইডিয়া

সূর্য ওঠার আগে যাদের দিন শুরু হয় আর রোদে পুড়ে যারা আমাদের অন্ন জোগায়, সেই কৃষকদের ঋণ কি কখনো শোধ করা সম্ভব? মাটির সোঁদা গন্ধে যাদের জীবন মিশে আছে, তাদের নিয়ে দু-চার লাইন লেখার ভাষা অনেক সময় খুঁজে পাওয়া যায় না। আপনি কি বাংলার সেই লড়াকু মানুষগুলোকে সম্মান জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছু লিখতে চাইছেন? কিংবা খুঁজছেন কৃষি ও কৃষক নিয়ে ক্যাপশন? তাহলে এই আয়োজনটি আপনার জন্যই। এখানে কৃষকের ঘাম, শ্রম আর ত্যাগের গল্পগুলোই শব্দের ফ্রেমে বাঁধার চেষ্টা করা হয়েছে। আশা করি, পুরোটা পড়লে মাটির মানুষের প্রতি আপনার শ্রদ্ধাবোধ আরও গভীর হবে এবং মনের মতো লাইনটি এখানেই খুঁজে পাবেন।

এখানে আপনি পাবেন

কৃষি ও কৃষক নিয়ে স্ট্যাটাস আইডিয়া: Krishok status bangla 2026

গ্রামের সোঁদা মাটির গন্ধে মিশে থাকে কৃষকের আজন্ম ভালোবাসা।

লাঙলের ফলায় উঠে আসে সভ্যতার ইতিহাস, কৃষক তার মহান রচয়িতা।

ইট-পাথরের শহরে বসে আমরা ভুলে যাই কাদা মাখা মানুষগুলোর অবদান।

তাদের হাতেই বাঁচে দেশ, বাঁচে ১৭ কোটি মানুষের আশা-ভরসা।

মাটির বুকে সোনা ফলায় যারা, তাদের ঋণ শোধ করা অসম্ভব।

গ্রামের ওই সবুজ মাঠটাই কৃষকের অফিস, আর বিশাল আকাশটাই ছাদ।

মাটির মানুষগুলোর শ্রমের বিনিময়েই আমাদের প্লেটে গরম ভাতের ধোঁয়া।

প্রকৃতির সাথে মিতালি করেই কাটে তাদের সারাবেলা, নেই কোনো ক্লান্তি।

ফসলের মাঠই তাদের ক্যানভাস, যেখানে তারা আঁকে জীবনের ছবি।

কৃষকের প্রতিটি দীর্ঘশ্বাসে লুকিয়ে থাকে না পাওয়ার বেদনা।

মাথার ঘাম পায়ে ফেলে দেশের অন্ন যোগানদাতা কৃষক – স্ট্যাটাস

শরীরের ঘাম বেচে যারা আমাদের খিদে মেটায়, তাদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা।

রোদের তাপে পিঠ পুড়ে যায়, তবুও থামে না তাদের লাঙল চালানো।

বৃষ্টির জলে ভিজে যারা ধান রোনে, তারাই আমাদের বাঁচিয়ে রাখে।

আরাম আয়েশ ত্যাগ করে যারা মাঠে পড়ে থাকে, তারাই প্রকৃত অন্নদাতা।

তাদের ক্লান্তিহীন পরিশ্রমেই সচল থাকে দেশের অর্থনীতির চাকা।

হাড়ভাঙা খাটুনির পরও তাদের চোখে থাকে নতুন ফসলের স্বপ্ন।

ফসলের প্রতিটি দানায় মিশে আছে কৃষকের রক্ত জল করা পরিশ্রম।

তারা মাঠে আছে বলেই খাদ্যের অভাবে আমাদের হাহাকার করতে হয় না।

কৃষকের ত্যাগ আছে বলেই আমরা তিন বেলা পেট ভরে খেতে পারি।

মাটির মানুষ কৃষক ও তাদের সরল জীবন নিয়ে সেরা স্ট্যাটাস

মাটির সাথে যাদের বন্ধুত্ব, তাদের মনে কোনো জটিলতা থাকার সুযোগ নেই।

সরল হাসিতেই যারা সব কষ্ট ভুলিয়ে দেয়, তারাই গ্রামের কৃষক।

বিলাসিতা নেই, তবুও তাদের জীবনে শান্তির কোনো অভাব নেই।

মাটির মানুষগুলোর মন আকাশের মতোই বিশাল ও উদার।

তাদের সাদামাটা জীবনেই লুকিয়ে আছে প্রকৃত সুখের চাবিকাঠি।

প্রকৃতির কোলে বেড়ে ওঠা মানুষগুলোর হৃদয় বড্ড খাঁটি।

তাদের চোখের ভাষায় কোনো ছলনা নেই, আছে অকৃত্রিম সরলতা।

কৃষকের ঘরের দাওয়ায় বসে মুড়ি খাওয়ার আনন্দই আলাদা।

মাটির কাছাকাছি থাকে বলেই তাদের পা সব সময় মাটিতেই থাকে।

অবহেলিত কৃষক ও তাদের ন্যায্য পাওনা নিয়ে সচেতনতামূলক স্ট্যাটাস

ফসল ফলায় তারা, আর লাভের টাকা গোনে মধ্যস্বত্বভোগীরা।

হাড়ভাঙা খাটুনির পর ন্যায্য দাম না পাওয়াটা বড়ই অমানবিক।

কৃষকের কান্না দেখার মানুষ নেই, সবাই ব্যস্ত নিজের স্বার্থে।

বাম্পার ফলন হলেও কৃষকের কপালে জোটে একরাশ দুশ্চিন্তার ভাঁজ।

যাদের ঘামে দেশ বাঁচে, তারাই আজ সবচেয়ে বেশি অবহেলিত।

ফসলের দাম কমলে কৃষকের বুকের ভেতরটা দুমড়ে মুচড়ে যায়।

আমরা সস্তায় খেতে চাই, কিন্তু কৃষকের কষ্টের দাম দিতে চাই না।

কৃষকের হাহাকার যেদিন থামবে, সেদিনই দেশ সত্যিকারের উন্নত হবে।

ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে যারা বাঁচে, তাদের কষ্ট বোঝার সাধ্য কার?

তাদের অবহেলা করা মানে নিজের অস্তিত্বকেই অস্বীকার করা।

ফসলের মাঠে সোনালী স্বপ্ন বোনা কারিগরদের নিয়ে স্ট্যাটাস

সবুজ মাঠে সোনালী স্বপ্ন আঁকার জাদুকর আমাদের কৃষক ভাইয়েরা।

তাদের নিপুণ হাতেই প্রকৃতি সাজে অপরূপ সৌন্দর্যের সাজে।

বীজ বোনার সময় তাদের চোখে থাকে এক উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্ন।

ফসলের দোল খাওয়া দেখলেই কৃষকের মন আনন্দে নেচে ওঠে।

মাঠের পর মাঠ জুড়ে তাদের আঁকা আলপনা মুগ্ধ করে সবাইকে।

সোনালী ধানের শীষে দোল খায় কৃষকের হাজারো রঙিন স্বপ্ন।

প্রতিটি চারাগাছকে তারা সন্তানের মতোই যত্ন করে বড় করে।

স্বপ্নের কারিগর তারা, যারা মাটির বুক চিরে সোনা ফলায়।

তাদের হাতের ছোঁয়ায় রুক্ষ মাটিও হয়ে ওঠে সুজলা সুফলা।

তারা স্বপ্ন বোনে মাঠে, আর আমরা সেই স্বপ্নে বাঁচি।

কৃষকের পরিশ্রম ছাড়া আমাদের প্লেটে ভাত আসত না – বাস্তব স্ট্যাটাস

প্লেটের ভাতের দানাটি ফেলার আগে কৃষকের কষ্টের কথা ভাবুন।

তাদের পরিশ্রম না থাকলে আমাদের উপোস থাকতে হতো দিনের পর দিন।

কৃষকের হাত না চললে আমাদের বিলাসবহুল জীবন অচল হয়ে যেত।

ভাতের প্রতিটি দানায় মিশে আছে একজন কৃষকের নীরব প্রার্থনা।

আমরা টাকা দিয়ে চাল কিনি, কিন্তু কৃষকের শ্রম কেনা অসম্ভব।

কৃষকের অবদান অস্বীকার করা মানে নিজের শেকড়কে অস্বীকার করা।

বাজার থেকে চাল কেনা সহজ, কিন্তু রোদে পুড়ে ধান ফলানো কঠিন।

কৃষকের পরিশ্রমের মর্যাদা দিতে শিখুন, খাবার অপচয় করবেন না।

লাঙল ধরা হাতগুলোর কারণেই আমরা আজ নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারি।

কৃষক নিয়ে ফেসবুক পোস্ট

শহরের এসি রুমে বসে যখন ভাতের প্লেটে খাবার নষ্ট করি, তখন একবারও ভাবি না এই চালটুকু প্লেট পর্যন্ত আসতে কতটা ঘাম ঝরেছে। কৃষকের রোদে পোড়া পিঠ আর ফেটে যাওয়া পায়ের দিকে তাকালে বোঝা যায় অন্নের দাম কত। তারা আমাদের বাঁচিয়ে রাখার জন্য প্রকৃতির সাথে যুদ্ধ করে, অথচ আমরা তাদের প্রাপ্য সম্মানটুকু দিতে কার্পণ্য করি। সভ্য সমাজের ভিত্তি তো ওই ক্ষেতের আলেই তৈরি হয়েছে।

ভোর হওয়ার আগেই যারা লাঙল কাঁধে মাঠে ছোটে, তাদের ঘড়িতে কোনো ছুটির ঘণ্টা বাজে না। রোদ, বৃষ্টি, ঝড়—সব কিছু উপেক্ষা করে তারা ফসলের পরিচর্যা করে। আমরা বাজার থেকে চকচকে সবজি কিনে আনি, কিন্তু সেই সবজির গায়ে লেগে থাকা কৃষকের দীর্ঘশ্বাস দেখতে পাই না। মাটির মানুষগুলোর দিকে তাকালে নিজের বিবেককে প্রশ্ন করতে ইচ্ছে করে—আমরা কি তাদের প্রতি সুবিচার করছি?

সভ্যতা এগিয়েছে, দালানকোঠা হয়েছে, কিন্তু কৃষকের ভাগ্যের চাকা ঘোরেনি। আজও তাদের দিন কাটে দুশ্চিন্তায়, রাত কাটে ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে। মাঠের সোনালী ফসল ঘরে তোলার আগ পর্যন্ত তাদের চোখে ঘুম নেই। আমাদের উদরপূর্তির কারিগররা নিজেরাই অর্ধাহারে দিন কাটায়। এই বৈষম্য মেনে নেওয়া কঠিন। তাদের ভালো রাখার দায়িত্ব রাষ্ট্রের পাশাপাশি আমাদেরও।

কৃষকের ছেলে হয়ে গর্ববোধ করার মতো মোটিভেশনাল পোস্ট

বাবার গায়ের ওই ঘামের গন্ধটা আমার কাছে দামী পারফিউমের চেয়েও প্রিয়। ওই ঘাম ঝরিয়েই তিনি আমাকে কলম ধরতে শিখিয়েছেন। লোকে বলে আমার বাবা চাষা, আমি বলি তিনি অন্নের জোগানদাতা। যার বাবার টাকায় রক্ত চুষে খাওয়ার ইতিহাস নেই, বরং রক্ত পানি করা পরিশ্রম আছে, তার সন্তান হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে আমার কোনো সংকোচ নেই। আমার পরিচয়—আমি এক গর্বিত কৃষকের সন্তান।

শহরের বন্ধুরা যখন বাবার পদবী নিয়ে গল্প করে, আমি তখন গর্ব করে বলি আমার বাবা মাটির বুকে সোনা ফলায়। তিনি অফিসের ফাইলে সই করেন না ঠিকই, কিন্তু পৃথিবীর সবচেয়ে পবিত্র কাজটা করেন। তাঁর কাদা মাখা হাত দুটোই আমার পৃথিবী গড়ার হাতিয়ার। বাবার ওই ফাটা পায়ের ধুলো মাথায় নিয়েই আমি এতদূর এসেছি। নিজের শিকড় ভুলে যাওয়ার মতো অকৃতজ্ঞ আমি নই।

কৃষকের ছেলে হয়ে জন্মানোটা সৌভাগ্যের। ছোটবেলা থেকেই শিখেছি রোদ-বৃষ্টি সহ্য করে কীভাবে টিকে থাকতে হয়। বাবার কাছ থেকে সততার শিক্ষাটা একদম মাঠ পর্যায় থেকে পেয়েছি। তিনি শিখিয়েছেন, হার না মেনে কীভাবে বীজ থেকে ফসল ফলাতে হয়। আমার সার্টিফিকেটের প্রতিটি অক্ষরের পেছনে বাবার হাড়ভাঙা খাটুনি মিশে আছে। এই ঋণ শোধ করার সাধ্য আমার নেই।

ফসলের ন্যায্য মূল্য না পাওয়ার হাহাকার ও কৃষকের পক্ষথেকে পোস্ট

বুকের রক্ত পানি করে ফসল ফলাই আমরা, আর লাভের গুড় খায় মধ্যস্বত্বভোগীরা। বাজারে সবজির দামে আগুন, অথচ ক্ষেত থেকে আমরা বিক্রি করি পানির দরে। এই অবিচার দেখার কি কেউ নেই? এক কেজি বেগুন ফলাতে কতটা কষ্ট হয়, তা এসি রুমে বসা নীতিনির্ধারকরা বুঝবে না। ফসলের ন্যায্য মূল্য না পেয়ে যখন রাস্তায় সবজি ফেলে দিই, তখন কলিজাটা ছিঁড়ে যায়।

ঋণ করে চাষ করি, আর ফসল তোলার সময় পাওনাদারের ভয়ে পালিয়ে বেড়াই। ন্যায্য দাম তো দূরের কথা, উৎপাদন খরচ তোলাই দায় হয়ে পড়ে। সিন্ডিকেটের যাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে কৃষকের মেরুদণ্ড ভেঙে গেছে। আমরা ভিক্ষা চাই না, আমাদের পরিশ্রমের সঠিক মূল্য চাই। কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে—এই স্লোগান কেবল মাইকেই সীমাবদ্ধ, বাস্তবে তার প্রয়োগ নেই।

সোনালী ধান ঘরে তোলার আনন্দ এখন ম্লান হয়ে যায় যখন দেখি ধানের চেয়ে খড়ের দাম বেশি। সারের দাম বাড়ে, তেলের দাম বাড়ে, কিন্তু আমাদের ফসলের দাম বাড়ে না। পেটের দায়ে জমি বিক্রি করে আজ অনেক কৃষক নিঃস্ব। আমাদের কান্না শোনার সময় কি কারো হবে? নাকি এভাবেই ধুঁকে ধুঁকে মরব?

কৃষক নিয়ে ক্যাপশন

মাটির সাথে যাদের মিতালি, তারাই তো আসল কারিগর।

কৃষকের শরীরের নোনা ঘামেই আমাদের অন্নের স্বাদ বাড়ে।

রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে যারা ফসল ফলায়, তাদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা।

সবুজ ধানের ক্ষেতে বাতাসের দোলায় কৃষকের স্বপ্ন নাচে।

পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সন্তান তো তারাই, যারা কাদা-মাটি মেখে থাকে।

তাদের হাতের ছোঁয়ায় বীজতলা থেকে প্রাণ জেগে ওঠে।

কৃষকের অক্লান্ত পরিশ্রমেই সভ্যতা টিকে আছে আজও।

সোনালী ফসলের হাসিই কৃষকের সব ক্লান্তি ভুলিয়ে দেয়।

মাটির খাঁটি গন্ধ আর কৃষকের সরল জীবন—অপূর্ব এক মেলবন্ধন।

যারা আমাদের মুখে আহার তুলে দেয়, তাদের চেয়ে আপন আর কে?

ফসলের মাঠজুড়ে কৃষকের আঁকা আলপনা দেখা যায়।

গ্রাম বাংলার আসল রূপ কৃষকের কর্মব্যস্ত জীবনেই ফুটে ওঠে।

মাটির বুক চিরে যারা ফসল ফলায়, তারা প্রকৃত বীর।

কৃষি কাজ কোনো ছোট পেশা না – গর্বিত ক্যাপশন

অন্নের যোগানদাতাকে ছোট করে দেখা বোকামি ছাড়া আর কিছু না।

কৃষি কাজ হলো পৃথিবীর সবচেয়ে মহান ইবাদতগুলোর একটা।

মাটির সেবা করার যোগ্যতা সবার থাকে না।

অফিসের চার দেয়ালের চেয়ে খোলা আকাশের নিচে কাজ করার মর্যাদা অনেক।

কৃষক আছে বলেই আমরা দুবেলা দুমুঠো খেয়ে বেঁচে আছি।

নিজের জমিতে রাজার মতো কাজ করার আনন্দ অন্য কোথাও মিলবে না।

কৃষি কাজকে সম্মান জানানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।

সভ্যতার শুরু হয়েছিল কৃষকের হাত ধরেই, এটা ভোলা যাবে না।

শিক্ষিত তরুণরা কৃষিতে এলে দেশটা বদলে যাবে।

পরের অধীনতার চেয়ে কৃষি কাজের স্বাধীনতা অনেক স্বস্তির।

খাদ্যর কারিগরদের ছোট ভাবাটা সংকীর্ণ মানসিকতার পরিচয়।

কৃষি কাজ কোনো সাধারণ পেশা না, এটা একটা শিল্প।

গর্ব করে বলি, আমি একজন কৃষকের সন্তান।

যারা ক্ষুধার্ত মানুষের মুখে অন্ন তুলে দেয়, তারা দেবতুল্য।

কৃষক নিয়ে উক্তি

শহরের জৌলুস কিংবা আকাশচুম্বী অট্টালিকা সভ্যতার মাপকাঠি হতে পারে না; মাটির সোঁদা গন্ধে মিশে থাকা কৃষকের পরিশ্রমই রাষ্ট্রের আসল ভিত্তি।
টমাস জেফারসন

একজন কৃষকের পায়ের ছাপ সার বা বীজের চেয়েও বেশি উর্বর। তার স্পর্শ পেলেই রুক্ষ মাটি সোনা ফলাতে শুরু করে।
জাপানি প্রবাদ

আমরা যখন টেবিলে সাজানো খাবার দেখি, তখন খুব সহজেই ভুলে যাই সেই রোদে পোড়া শরীরগুলোর কথা, যারা নিজেদের রক্ত পানি করে এই অন্ন জুগিয়েছে।
ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট

কৃষক হলেন সেই জাদুকর, যিনি কাদা আর মাটিকে খাদ্যে রূপান্তর করার ক্ষমতা রাখেন। তাদের হাতের জাদুতে পৃথিবী ক্ষুধা মুক্ত থাকে।
অলিভার গোল্ডস্মিথ

কলমের কালির চেয়ে লাঙ্গলের ফলার ধার অনেক বেশি শক্তিশালী, কারণ তা মানুষের মৌলিক ক্ষুধা নিবারণ করে সভ্যতাকে বাঁচিয়ে রাখে।
মহাত্মা গান্ধী

পৃথিবীর সবচাইতে বড় দেশপ্রেমিক হলেন তিনি, যিনি অনুর্বর জমিকে উর্বর করে শস্য ফলান এবং দেশের মানুষকে অন্নের যোগান দেন।
জোনাথন সুইফট

ঈশ্বর ও প্রকৃতির সবচাইতে কাছের মানুষ হলেন কৃষক। তারা প্রকৃতির ছন্দে তাল মিলিয়ে চলেন এবং মাটির ভাষায় কথা বলেন।
সংগৃহীত

কৃষি কাজ অন্য দশটা পেশার মতো সাধারণ কিছু না; এটা প্রকৃতির সাথে মানুষের এক গভীর মিতালি ও আরাধনা।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (ভাবার্থ)

অন্য সব শিল্প হয়তো বিলাসিতা যোগায়, কিন্তু কৃষি মানুষের অস্তিত্ব রক্ষা করে। কৃষিই হলো সকল শিল্পের জননী।
জেনোফোন

যে হাত লাঙ্গল ধরে, সে হাতই পৃথিবীর মানচিত্র আঁকে। তাদের অবহেলা করা আর নিজের অস্তিত্বকে অস্বীকার করা একই কথা।
সংগৃহীত

কৃষকরাই পৃথিবীর একমাত্র সম্প্রদায়, যারা নিজেরা অভাবের মাঝে থেকেও জগতকে প্রাচুর্য উপহার দেওয়ার সামর্থ্য রাখে।
স্বামী বিবেকানন্দ (ভাবার্থ)

সভ্যতার চাকা ঘোরে কৃষকের ঘামে। তারা ফসল ফলায় বলেই বাকি পৃথিবী নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারে।
ড্যানিয়েল ওয়েবস্টার

মাটির বুক চিরে ফসল আনা কোনো সহজ কাজ না; এর পেছনে থাকে এক অদম্য সাহস আর অপরিসীম ধৈর্য।
সংগৃহীত

যদি তুমি খাও, তবে কৃষকের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকো। কারণ এই দান আকাশ থেকে পড়ে না, মাটির বুক নিংড়ে আনতে হয়।
সংগৃহীত

কৃষক ও কৃষি নিয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত উক্তি

ওরা কাজ করে নগরে প্রান্তরে; ওদের পায়ের ধুলোয় পথের ধুলো পবিত্র হয়ে ওঠে। ওরা বিশ্বকর্মার সন্তান।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (ওরা কাজ করে)

মাটির সঙ্গে যাদের যোগ নেই, তারা যতই শিক্ষিত হোক না কেন, দেশের নাড়ির টান তারা অনুভব করতে পারে না। কৃষিই আমাদের সংস্কৃতির শেকড়।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (পল্লীপ্রকৃতি)

চাষী তার লাঙল দিয়ে পৃথিবীর বুক চিরে অন্ন আনে, সে তো সামান্য চাষী না, সে বিধাতার বরপুত্র। তাকে ছোট করে দেখা পাপ।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (ভাবার্থ)

আমরা যাদের ‘ছোটলোক’ বলি, তারাই তো আমাদের বাঁচিয়ে রেখেছে। ওদের অবজ্ঞা করা আর নিজের পায়ে কুড়াল মারা একই কথা।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (রাশিয়ার চিঠি)

শহরের ইট-কাঠের খাঁচায় প্রাণ হাপিয়ে ওঠে, মুক্তি তো সেই খোলা মাঠে যেখানে সোনা ফলে। কৃষকের মাঠই প্রকৃত স্বাধীনতার প্রাঙ্গণ।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (ছিন্নপত্রাবলী)

ফসল ফলায় যারা, তারা যদি না খেত, তবে জগত উপোস করত। তাদের ঋণ শোধ হবার মতো না।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (সমবায় নীতি)

গ্রামের মানুষগুলোই বাংলার প্রাণ। তাদের সুখ-দুঃখের সাথে মিশে থাকাই হলো আসল দেশপ্রেম। মাটিকে বাদ দিয়ে দেশ সেবা হয় না।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

কৃষকের ঘরেই লক্ষ্মী বাস করেন। আড়ম্বরপূর্ণ প্রাসাদে ঐশ্বর্য থাকতে পারে, কিন্তু শান্তি থাকে মাটির কাছাকাছি।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

যিনি মাটিতে বীজ বোেন, তিনি আসলে আগামী দিনের স্বপ্ন বোেন। প্রতিটি অঙ্কুরোদগম এক একটি নতুন আশার বার্তা।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

মেঘের কোলে রোদ হেসেছে, বাদল গেছে টুটি; আজ আমাদের ছুটি ও ভাই, আজ আমাদের ছুটি।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

মানুষের পেটের ক্ষুধা মেটানোই সবচাইতে বড় ধর্ম। আর সেই ধর্মের প্রধান পুরোহিত হলেন আমাদের কৃষকরা।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

মাটির ডাক কি উপেক্ষা করা যায়? মাটির কাছাকাছি না থাকলে প্রাণের আরাম পাওয়া যায় না। শহরের কৃত্রিমতা কেবল ক্লান্তিই বাড়ায়।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

সভ্যতা যত এগিয়ে যাক, পেটের ক্ষুধা মেটাতে সেই মাটির কাছেই হাত পাততে হয়। বিজ্ঞানের দম্ভ মাটির কাছে হার মানে।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

আমার গান তো কৃষকের সুরেই বাঁধা, মাটির টানেই তো আমার বাঁশি বাজে। বাউল আর চাষীর সুরেই বাংলার আত্মা কথা বলে।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

দেশের মেরুদণ্ড কৃষক – মনিষীদের শিক্ষামূলক বাণী

যখন চাষাবাদ শুরু হয়, তখন অন্যান্য শিল্পকলা তার পিছু নেয়। তাই কৃষকরাই প্রকৃত অর্থে মানব সভ্যতার প্রতিষ্ঠাতা।
ড্যানিয়েল ওয়েবস্টার

কৃষি মানুষের সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর, সবচেয়ে উপকারী এবং সবচেয়ে মহৎ পেশা। মাটির সাথে যার সখ্যতা নেই, সে জীবনের আসল স্বাদ থেকে বঞ্চিত।
জর্জ ওয়াশিংটন

যে জাতি তার মাটিকে ধ্বংস করে, সে নিজেকেই ধ্বংস করে। মাটির যত্ন নেওয়াই হলো ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুরক্ষার চাবিকাঠি।
ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট

কৃষি যদি ব্যর্থ হয়, তবে দেশের অন্য কোনো খাতই সফল হওয়ার সুযোগ পাবে না। পেটের ক্ষুধা নিবারণ না হলে উন্নয়নের চাকা অচল।
এম. এস. স্বামীনাথন

মাটির কারিগররাই রাষ্ট্রের সবচেয়ে মূল্যবান নাগরিক। তারা সবচেয়ে কর্মঠ, স্বাধীন ও গুণী; দেশের স্বাধীনতা ও স্বার্থের সাথে তারা অটুট বন্ধনে আবদ্ধ।
টমাস জেফারসন

কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে। আমাদের অর্থনীতির মূল ভিত্তিই হলো এই খেটে খাওয়া মানুষগুলো, যাদের ঘামে ভিজে থাকে ফসলের মাঠ।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান

শহরের যান্ত্রিকতায় আমরা ভুলে যাই যে, আমাদের প্রতিটি খাবারের লোকমা একজন কৃষকের কঠোর পরিশ্রমের ফসল। তাদের সম্মান জানানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।
সংগৃহীত

কৃষিকাজ জ্ঞানীর জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ সাধনা এবং মূর্খের জন্য জীবিকা। প্রকৃতির সাথে মিশে থাকার আনন্দ কেবল একজন প্রকৃত কৃষকই উপভোগ করতে পারেন।
মহাত্মা গান্ধী

যিনি জাদুকর, তিনি হাত নেড়ে টুপি থেকে খরগোশ বের করেন। আর যিনি কৃষক, তিনি কাদা-মাটি থেকে সোনা ফলান। এই জাদুকরী ক্ষমতার নামই কৃষি।
অমিত কালান্ত্রি

একজন কৃষক যখন বীজ রোপণ করেন, তিনি আসলে ভবিষ্যতের স্বপ্ন বুনেন। তাঁর বিশ্বাস আর ধৈর্যই আমাদের অন্নের যোগান দেয়।
স্টিভ মারাবোলি

শিল্পের চাকা ঘোরার আগে লাঙ্গলের ফলা ঘুরতে হয়। কারখানার ধোঁয়া দেখার আগে আমাদের মাঠের সোনালী ফসল দেখতে হয়।
উইলিয়াম জেনিংস ব্রায়ান

কৃষকের ঘরেই লক্ষ্মী বাস করেন। যে সমাজ কৃষককে অবহেলা করে, সে সমাজ নিজের পায়ে কুড়াল মারে।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

মাটির গন্ধ যার শরীরে নেই, সে কখনোই মাটির মানুষকে আপন করে নিতে পারে না। কৃষকেরাই মাটির খাঁটি সন্তান।
কাজী নজরুল ইসলাম

ফসলের মাঠ হলো ঈশ্বরের ক্যানভাস, আর কৃষক হলেন সেই ক্যানভাসের শিল্পী। রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে তাঁরা যে শিল্প রচনা করেন, তাই আমাদের বাঁচিয়ে রাখে।
সংগৃহীত

কৃষক নিয়ে ছন্দ

রোদের তাপে পুড়ছে শরীর লাঙল হাতে মাঠে; কৃষক ভাইয়ের জীবনখানা এভাবেই তো কাটে।
মাঠের বুকে সোনা ফলায় অন্ন যোগায় পেটে; দিনরাত্রি এক করে সে মরছে দারুণ খেটে।

বৃষ্টি এলে খুশির জোয়ার সোনালি ধান হাসে; কৃষক তখন স্বপ্ন বোনে আপন নীড় আর আবাসে।
শহুরে সব বাবুরা খায় তারই হাতের অন্ন; কৃষক বাঁচে অবহেলায়, কপাল বড়ই জঘন্য।

ভোর না হতেই মাঠে ছোটে গামছা বেঁধে মাথে; দুপুর রোদে ঘাম ঝরিয়ে ফিরছে সন্ধ্যে রাতে।
ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে তবুও বুনে স্বপ্ন; ফসলের ওই হাসি দেখেই ভুলে সব যত্ন।

সবুজ মাঠের বুক চিরে সে ফলায় সোনার ধান; দেশের চাকা সচল রাখে তোমরাই আসল প্রাণ।
মাটির ঘরে বসত তার মাটির সাথেই পিরিত; কৃষক মানেই সহজ সরল গ্রাম বাংলার গীত।

নবান্নের ওই উৎসব আজ কৃষকেরই ঘরে; নতুন ধানের গন্ধে বাতাস মাতাল হয়ে ওড়ে।
পান্তা ভাতে কাঁচা মরিচ তৃপ্তি যেথায় মেশে; রাজার হালে নেই তো সুখ যা আছে ওই দেশে।

আসমান পানে চেয়ে থাকে রহমতেরই আশে; ভালো ফলন হলে পরে কৃষক ভাই হাসে।
রোদ বৃষ্টি মাথায় নিয়ে কাটে সারা বেলা; প্রকৃতির এই রুক্ষ রূপের সঙ্গে চলে খেলা।

হাড় ভাঙা ওই খাটুনিতে শরীরটা যায় ক্ষয়ে; তবুও কৃষক হাসিমুখে বাঁচতে জানে সয়ে।
যাদের ঘামে পেট ভরে ভাই সম্মানটা দিও; কৃষক মানেই দেশের রত্ন বুকে টেনে নিও।

কৃষক নিয়ে কবিতা

মাথার ঘাম পায়ে ফেলে সোনা ফলায় মাঠে,
কঠিন রোদে পুড়ে তাদের সারাটা দিন কাটে;
আমাদের অন্ন জোগায় নিজের পেটটি মেরে,
কৃষক ভাইর ঋণ কি আর শোধ হবে কভু ফেরে?

লাঙল কাঁধে ভোরের পাখি ডাকার আগেই জাগে,
মাটির গন্ধে শরীরেতে নতুন নেশা লাগে;
সবুজ ধানে ঢেউ খেলে যায় বাতাসেরই তালে,
স্বপ্নগুলো বোনে তারা প্রতিটা দিন ও কালে।

শহরের ওই দালান কোঠায় আরাম আয়েশ যত,
কৃষক ছাড়া অচল সব, মূল্য অবিরত;
এক মুঠো ভাত জুটত না তো যদি না থাকত চাষী,
তাদের তরেই আজকে মোরা সুখে ওড়াই হাসি।

বন্যা আসে, খরা আসে, ভাঙে স্বপ্নের বাঁধ,
তবুও কৃষক হার মানে না, দেখে পূর্ণ চাঁদ;
নতুন করে বীজ বুনে সে ভেজা মাটির বুকে,
লড়াই করেই বাঁচতে জানে হাজারো অসুখে।

মাটিই তার মা জননী, মাটিই তার ঘর,
ফসলেরা সব সন্তান তার, হয় না কভু পর;
নবান্নতে হাসে যখন সোনালী ওই ধান,
কৃষক তখন ভুলে যায় সব পেছনের অপমান।

রোদে পোড়া তামাটে রঙ, হাতে কড়া পড়া,
বিশ্বাসের এক শক্ত খুঁটি, যায় না তো তা নড়া;
সভ্যতার ওই চাকা ঘোরে তাদের শ্রমের জেরে,
কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ, সুদিন আসবে ফেরে।

ঋণের বোঝায় নুয়ে পড়ে কখনো বা পিঠ,
তবুও মাঠে নামেন তিনি, লক্ষ্য থাকে দিঠ;
ফসল যখন ঘরে ওঠে, মুখে ফুটে হাসি,
গ্রাম বাংলার এই ছবিটাই বড্ড ভালোবাসি।

বৃষ্টির জন্য আকাশ পানে চেয়ে থাকে রোজ,
মেঘের গুড়গুড় শব্দ পেলেই নেয় সে খুশির খোঁজ;
পানির দরে ফসল বেচে রিক্ত হয় হাত,
তবুও কৃষক থামে না ভাই, পোহায় আঁধার রাত।

শীতের ভোরে কাঁপতে কাঁপতে মাঠে যাওয়া চাই,
আরাম হারাম তাদের কাছে, উপায় তো আর নাই;
সবুজ শ্যামল এই দেশটা তাদের হাতের গড়া,
শ্রদ্ধা ভরে নমি আমি, তাদের পায়ে পড়া।

কৃষক ও কিছু কথা

মাথার ঘাম পায়ে ফেলে যারা আমাদের অন্ন জোগায়, তারাই সমাজের সবচেয়ে অবহেলিত কারিগর।

শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে বসে ভাতের সমালোচনা করা সহজ, কিন্তু এক মুঠো চাল উৎপাদনের কষ্ট বোঝা কঠিন।

ফসলের দাম কমলে কৃষকের চোখের জল দেখার কেউ থাকে না, সবাই তখন লাভ খুঁজতে ব্যস্ত।

ওরা মাটির মানুষ, তাই মাটির সাথেই তাদের নাড়ির টান আজীবন অটুট থাকে।

ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে ঘুমানো মানুষগুলোই আমাদের অর্থনীতির চাকা সচল রাখে প্রতিনিয়ত।

খাবারের প্লেটে ভাত নষ্ট করার আগে ওই রোদে পোড়া মানুষটার মুখের দিকে একবার তাকানো উচিত।

মাটি যাদের মা, ফসল যাদের সন্তান—তাদের জীবনটা বড়ই বিচিত্র ও ত্যাগে ভরপুর।

শহরের জৌলুস তাদের টানে না, ক্ষেতের আইলে বসে পান্তা ভাত খাওয়াতেই তাদের পরম তৃপ্তি।

রাষ্ট্রের মেরুদণ্ড সোজা রাখতে হলে আগে কৃষকের মেরুদণ্ড সোজা রাখা প্রয়োজন।

মাটির বুকে সোনা ফলানো মানুষগুলো নিজেরাই অভাবের আগুনে পুড়ে খাঁটি হয়।

Similar Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *